শুক্রবার , ১৬ অক্টোবর ২০২৬
হোম › রাজশাহী › শিক্ষক দম্পতির কাছে মিলল বিপুল পরিমান ইয়াবা
আলামত লোপাটের অভিযোগ ডিএনসির বিরুদ্ধে

শিক্ষক দম্পতির কাছে মিলল বিপুল পরিমান ইয়াবা

favicon
স্টাফ রিপোর্টার :
শিক্ষক দম্পতির কাছে মিলল বিপুল পরিমান ইয়াবা

রাজশাহী মহানগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানা এলাকায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হওয়া এক শিক্ষক দম্পতিকে আদালতের মাধ্যমে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তবে এই চাঞ্চল্যকর অভিযান ঘিরে উদ্ধারকৃত মাদকের প্রকৃত পরিমাণ ধামাচাপা দেওয়া এবং বিপুল পরিমাণ আলামত গায়েব করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সুনির্দিষ্ট দাবি, অভিযানের সময় ওই শিক্ষক দম্পতির কাছ থেকে অন্তত ৫ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হলেও মামলার এজাহারে রহস্যজনকভাবে মাত্র ২ হাজার পিস উল্লেখ করা হয়েছে। আইন প্রয়োগকারী একটি সংস্থার সদস্যদের এমন বিতর্কিত ভূমিকা এবং মাঝপথেই প্রায় ৯ লাখ টাকা মূল্যের ৩ হাজার পিস ইয়াবা লোপাটের ঘটনায় পুরো মহানগরজুড়ে তীব্র তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

আদালত ও এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃতদের বৃহস্পতিবার বিকেলে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিজ্ঞ বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর আগে বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১১টার দিকে কাশিয়াডাঙ্গা থানাধীন হড়গ্রাম এলাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাইটেক পার্কসংলগ্ন পাকা সড়কে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর রাজশাহী জেলা কার্যালয়ের একটি দল।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন-রাজশাহী মহানগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানার গোলজারবাগ গুড়িপাড়া এলাকার মৃত কাবিল হোসেনের ছেলে মো. আল আমিন (৪৩) এবং তার স্ত্রী মোসা. সিমা খাতুন (৩৮)। এর মধ্যে মো. আল আমিন রাজশাহী সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামাজিক বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত। তার স্ত্রী সিমা খাতুনও একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বলে জানা গেছে।

সমাজে শিক্ষকতার মতো অত্যন্ত সম্মানজনক পেশায় নিয়োজিত এই দম্পতির প্রত্যক্ষ মাদক কারবারে জড়িয়ে পড়ার খবর প্রকাশ্যে আসার পর শিক্ষক সমাজসহ সর্বস্তরের মানুষের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও বিষ্ময়ের সৃষ্টি হয়েছে।

মামলার প্রাথমিক তথ্য বিবরণীতে (এজাহারে) উল্লেখ করা হয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার রাতে কাশিয়াডাঙ্গা থানার হারপুর গ্রামের ‘জসিম স্টোর’ সংলগ্ন কোর্ট ঢালুমোড় থেকে কাশিয়াডাঙ্গাগামী সড়কে তল্লাশিচৌকি বসায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এ সময় একটি লাল-কালো রঙের পালসার ১৫০ সিসি মোটরসাইকেলসহ (রেজিস্ট্রেশন নম্বর: রাজ মেট্রো-ল-১১-৬৫৯৭) শিক্ষক আল আমিন ও তার স্ত্রী সিমা খাতুনকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তাদের সঙ্গে থাকা একটি শপিং ব্যাগে তল্লাশি চালিয়ে স্কচটেপে মোড়ানো ১০টি নীল রঙের জিপারযুক্ত প্যাকেটে থাকা মোট ২ হাজার পিস (ওজন ২০০ গ্রাম) ইয়াবা উদ্ধার দেখানো হয়। এজাহারে উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ৬ লাখ টাকা, জব্দকৃত মোটরসাইকেলের মূল্য ২ লাখ টাকা এবং একটি মোবাইল ফোনের মূল্য ১০ হাজার টাকাসহ সর্বমোট ৮ লাখ ১০ হাজার টাকার আলামত নথিভুক্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় ডিএনসির পক্ষ থেকে বাদী হয়ে কাশিয়াডাঙ্গা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়।

আইনগত প্রক্রিয়া চলমান থাকলেও অভিযানের আলামত সংক্রান্ত তথ্যে বিশাল গরমিল নিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘটনাস্থলে উপস্থিত একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, বুধবার রাতে যখন মোটরসাইকেলসহ শিক্ষক দম্পতিকে আটক করা হয়, তখন স্থানীয়দের চোখের সামনেই তাদের শপিং ব্যাগটি খোলা হয়। সেখানে প্রতিটি প্যাকেটে ২০০ পিস করে স্কচটেপে মোড়ানো মোট ২৫টি প্যাকেটে আনুমানিক ৫ হাজার পিস ইয়াবা স্পষ্ট দেখা গিয়েছিল। উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শীদের মধ্যে একজন জোরালোভাবে বলেন, কর্মকর্তাদের নিজেদের উপস্থিতিতেই ব্যাগ থেকে নীল প্যাকেটের বিপুল পরিমাণ ইয়াবা বের করে গণনা করা হয় এবং সেখানে প্রায় ৫ হাজার ট্যাবলেট থাকার বিষয়টি উপস্থিত সবাই নিশ্চিত হন। কিন্তু পরবর্তীতে যখন জানা যায় মামলায় ২৫ প্যাকেটের পরিবর্তে মাত্র ১০ প্যাকেটে ২ হাজার পিস দেখানো হয়েছে, তখন পুরো এলাকা হতবাক হয়ে পড়ে। মাঝের এই ১৫ প্যাকেট বা ৩ হাজার পিস ইয়াবা কীভাবে এবং কার স্বার্থে গায়েব করা হলো, তা নিয়ে জনমনে গভীর সন্দেহ দানা বেঁধেছে।

স্থানীয় আরেক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, আটকের পরপরই অভিযানের দায়িত্বে থাকা কিছু কর্মকর্তার আচরণ বদলে যায় এবং তারা উপস্থিত উৎসুক জনতাকে ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত সরে যাওয়ার জন্য চাপ দেন। ঘটনাস্থল থেকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কার্যালয়ে পৌঁছানোর মধ্যবর্তী সময়েই অন্তত ৯ লাখ টাকা মূল্যের ৩ হাজার পিস ইয়াবা কোনো অসাধু মহলের যোগসাজশে কৌশলে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে স্থানীয়দের জোরালো অভিযোগ।

অভিযান প্রসঙ্গে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর রাজশাহীর উপপরিচালক মেহেদী হাসান জানান, সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতেই তারা ওই এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১০টি নীল রঙের জিপারযুক্ত প্যাকেটে থাকা মোট ২ হাজার পিস (ওজন ২০০ গ্রাম) ইয়াবাসহ মো. আল আমিন ও তার স্ত্রী সিমা খাতুনকে গ্রেফতার করা হয়। এখানে কোন মাদক কম বা বেশি করার সুযোগ নেই।

উদ্ধার হওয়া মাদকের প্রকৃত পরিমাণ উন্মোচন ও আলামত লোপাটের নেপথ্যে থাকা ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে অবিলম্বে উচ্চপর্যায়ের নিরপেক্ষ তদন্ত ও কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন রাজশাহীর সচেতন নাগরিক সমাজ।

শিক্ষক দম্পতির কাছে মিলল বিপুল পরিমান ইয়াবা
আলামত লোপাটের অভিযোগ ডিএনসির বিরুদ্ধে
◀ বিস্তারিত কমেন্ট ▶
dailyupochar.com
১৬ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক উপচার
 শুক্রবার , ১৬ অক্টোবর ২০২৬
হোম › রাজশাহী › শিক্ষক দম্পতির কাছে মিলল বিপুল পরিমান ইয়াবা
আলামত লোপাটের অভিযোগ ডিএনসির বিরুদ্ধে

শিক্ষক দম্পতির কাছে মিলল বিপুল পরিমান ইয়াবা

favicon
স্টাফ রিপোর্টার :
শিক্ষক দম্পতির কাছে মিলল বিপুল পরিমান ইয়াবা

রাজশাহী মহানগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানা এলাকায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হওয়া এক শিক্ষক দম্পতিকে আদালতের মাধ্যমে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তবে এই চাঞ্চল্যকর অভিযান ঘিরে উদ্ধারকৃত মাদকের প্রকৃত পরিমাণ ধামাচাপা দেওয়া এবং বিপুল পরিমাণ আলামত গায়েব করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সুনির্দিষ্ট দাবি, অভিযানের সময় ওই শিক্ষক দম্পতির কাছ থেকে অন্তত ৫ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হলেও মামলার এজাহারে রহস্যজনকভাবে মাত্র ২ হাজার পিস উল্লেখ করা হয়েছে। আইন প্রয়োগকারী একটি সংস্থার সদস্যদের এমন বিতর্কিত ভূমিকা এবং মাঝপথেই প্রায় ৯ লাখ টাকা মূল্যের ৩ হাজার পিস ইয়াবা লোপাটের ঘটনায় পুরো মহানগরজুড়ে তীব্র তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

আদালত ও এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃতদের বৃহস্পতিবার বিকেলে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিজ্ঞ বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর আগে বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১১টার দিকে কাশিয়াডাঙ্গা থানাধীন হড়গ্রাম এলাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাইটেক পার্কসংলগ্ন পাকা সড়কে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর রাজশাহী জেলা কার্যালয়ের একটি দল।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন-রাজশাহী মহানগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানার গোলজারবাগ গুড়িপাড়া এলাকার মৃত কাবিল হোসেনের ছেলে মো. আল আমিন (৪৩) এবং তার স্ত্রী মোসা. সিমা খাতুন (৩৮)। এর মধ্যে মো. আল আমিন রাজশাহী সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামাজিক বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত। তার স্ত্রী সিমা খাতুনও একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বলে জানা গেছে।

সমাজে শিক্ষকতার মতো অত্যন্ত সম্মানজনক পেশায় নিয়োজিত এই দম্পতির প্রত্যক্ষ মাদক কারবারে জড়িয়ে পড়ার খবর প্রকাশ্যে আসার পর শিক্ষক সমাজসহ সর্বস্তরের মানুষের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও বিষ্ময়ের সৃষ্টি হয়েছে।

মামলার প্রাথমিক তথ্য বিবরণীতে (এজাহারে) উল্লেখ করা হয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার রাতে কাশিয়াডাঙ্গা থানার হারপুর গ্রামের ‘জসিম স্টোর’ সংলগ্ন কোর্ট ঢালুমোড় থেকে কাশিয়াডাঙ্গাগামী সড়কে তল্লাশিচৌকি বসায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এ সময় একটি লাল-কালো রঙের পালসার ১৫০ সিসি মোটরসাইকেলসহ (রেজিস্ট্রেশন নম্বর: রাজ মেট্রো-ল-১১-৬৫৯৭) শিক্ষক আল আমিন ও তার স্ত্রী সিমা খাতুনকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তাদের সঙ্গে থাকা একটি শপিং ব্যাগে তল্লাশি চালিয়ে স্কচটেপে মোড়ানো ১০টি নীল রঙের জিপারযুক্ত প্যাকেটে থাকা মোট ২ হাজার পিস (ওজন ২০০ গ্রাম) ইয়াবা উদ্ধার দেখানো হয়। এজাহারে উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ৬ লাখ টাকা, জব্দকৃত মোটরসাইকেলের মূল্য ২ লাখ টাকা এবং একটি মোবাইল ফোনের মূল্য ১০ হাজার টাকাসহ সর্বমোট ৮ লাখ ১০ হাজার টাকার আলামত নথিভুক্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় ডিএনসির পক্ষ থেকে বাদী হয়ে কাশিয়াডাঙ্গা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়।

আইনগত প্রক্রিয়া চলমান থাকলেও অভিযানের আলামত সংক্রান্ত তথ্যে বিশাল গরমিল নিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘটনাস্থলে উপস্থিত একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, বুধবার রাতে যখন মোটরসাইকেলসহ শিক্ষক দম্পতিকে আটক করা হয়, তখন স্থানীয়দের চোখের সামনেই তাদের শপিং ব্যাগটি খোলা হয়। সেখানে প্রতিটি প্যাকেটে ২০০ পিস করে স্কচটেপে মোড়ানো মোট ২৫টি প্যাকেটে আনুমানিক ৫ হাজার পিস ইয়াবা স্পষ্ট দেখা গিয়েছিল। উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শীদের মধ্যে একজন জোরালোভাবে বলেন, কর্মকর্তাদের নিজেদের উপস্থিতিতেই ব্যাগ থেকে নীল প্যাকেটের বিপুল পরিমাণ ইয়াবা বের করে গণনা করা হয় এবং সেখানে প্রায় ৫ হাজার ট্যাবলেট থাকার বিষয়টি উপস্থিত সবাই নিশ্চিত হন। কিন্তু পরবর্তীতে যখন জানা যায় মামলায় ২৫ প্যাকেটের পরিবর্তে মাত্র ১০ প্যাকেটে ২ হাজার পিস দেখানো হয়েছে, তখন পুরো এলাকা হতবাক হয়ে পড়ে। মাঝের এই ১৫ প্যাকেট বা ৩ হাজার পিস ইয়াবা কীভাবে এবং কার স্বার্থে গায়েব করা হলো, তা নিয়ে জনমনে গভীর সন্দেহ দানা বেঁধেছে।

স্থানীয় আরেক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, আটকের পরপরই অভিযানের দায়িত্বে থাকা কিছু কর্মকর্তার আচরণ বদলে যায় এবং তারা উপস্থিত উৎসুক জনতাকে ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত সরে যাওয়ার জন্য চাপ দেন। ঘটনাস্থল থেকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কার্যালয়ে পৌঁছানোর মধ্যবর্তী সময়েই অন্তত ৯ লাখ টাকা মূল্যের ৩ হাজার পিস ইয়াবা কোনো অসাধু মহলের যোগসাজশে কৌশলে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে স্থানীয়দের জোরালো অভিযোগ।

অভিযান প্রসঙ্গে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর রাজশাহীর উপপরিচালক মেহেদী হাসান জানান, সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতেই তারা ওই এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১০টি নীল রঙের জিপারযুক্ত প্যাকেটে থাকা মোট ২ হাজার পিস (ওজন ২০০ গ্রাম) ইয়াবাসহ মো. আল আমিন ও তার স্ত্রী সিমা খাতুনকে গ্রেফতার করা হয়। এখানে কোন মাদক কম বা বেশি করার সুযোগ নেই।

উদ্ধার হওয়া মাদকের প্রকৃত পরিমাণ উন্মোচন ও আলামত লোপাটের নেপথ্যে থাকা ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে অবিলম্বে উচ্চপর্যায়ের নিরপেক্ষ তদন্ত ও কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন রাজশাহীর সচেতন নাগরিক সমাজ।

শিক্ষক দম্পতির কাছে মিলল বিপুল পরিমান ইয়াবা
আলামত লোপাটের অভিযোগ ডিএনসির বিরুদ্ধে
◀ বিস্তারিত কমেন্ট ▶
dailyupochar.com
১৬ অক্টোবর ২০২৬