রাজশাহী এডিটরস ফোরামের সঙ্গে লেবার পার্টি প্রার্থীর মতবিনিময়
রাজশাহীর গণমাধ্যম ও রাজনীতির সংযোগস্থলে এক খোলামেলা আলোচনার মধ্য দিয়ে রাজশাহী এডিটরস ফোরামের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন রাজশাহী-২ (সদর) আসনের বাংলাদেশ লেবার পার্টি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. মেজবাউল ইসলাম। নগর উন্নয়ন, সাংবাদিকদের ভূমিকা ও নির্বাচনী অঙ্গীকার-সব মিলিয়ে আলোচনাটি ছিল সমসাময়িক বাস্তবতা ও ভবিষ্যৎ ভাবনার মেলবন্ধন।
মঙ্গলবার দুপুরে নগরীর একটি রেস্তোরাঁয় আয়োজিত এই মতবিনিময় সভায় মো. মেজবাউল ইসলাম বলেন, রাজশাহীর সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করতে হলে রাজনৈতিক শক্তি ও গণমাধ্যমকে একই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, “রাজশাহীবাসীর কল্যাণে আমাদের একতাবদ্ধ হতে হবে। আমি নির্বাচিত হলে ইনশাআল্লাহ সাংবাদিকদের কল্যাণে আমার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির আলোকে কার্যকর ভূমিকা রাখবো।” সাংবাদিক সমাজের পেশাগত নিরাপত্তা, মর্যাদা ও স্বাধীনতা রক্ষার বিষয়েও তিনি তার অবস্থান তুলে ধরেন।
মতবিনিময় সভায় রাজশাহী এডিটরস ফোরামের সভাপতি ও সোনালী সংবাদ পত্রিকার সম্পাদক মো. লিয়াকত আলী বলেন, স্থানীয় সাংবাদিকতা শুধু খবর প্রকাশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি রাজশাহীর উন্নয়ন, সংস্কৃতি ও গণতান্ত্রিক চর্চার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সহ-সভাপতি ও আমাদের রাজশাহী পত্রিকার সম্পাদক আফজাল হোসেন সাংবাদিকদের পেশাগত চ্যালেঞ্জ ও প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন। কোষাধ্যক্ষ ও সানশাইন পত্রিকার সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক ও গণধ্বনি প্রতিদিনের সম্পাদক ইয়াকুব শিকদার, নির্বাহী সদস্য ও সোনার দেশ পত্রিকার সম্পাদক আকবারুল হাসান মিল্লাত এবং নির্বাহী সদস্য ও নতুন প্রভাত পত্রিকার সম্পাদক সোহেল মাহবুবও আলোচনায় অংশ নিয়ে মতামত দেন।
আলোচনায় রাজশাহীর চলমান উন্নয়ন অগ্রগতি, নাগরিক সমস্যা, সম্ভাবনা ও সংস্কৃতি চর্চায় স্থানীয় সংবাদপত্রগুলোর ভূমিকা বিশেষভাবে গুরুত্ব পায়। মেজবাউল ইসলাম বলেন, রাজশাহীর ইতিহাস, সংস্কৃতি ও মানুষের কথা তুলে ধরতে স্থানীয় পত্রিকাগুলো যে ভূমিকা রাখছে, তা জাতীয় পর্যায়েও প্রশংসার দাবি রাখে। তিনি উন্নয়ন পরিকল্পনায় গণমাধ্যমের গঠনমূলক সমালোচনা ও পরামর্শকে গুরুত্ব দেওয়ার আশ্বাস দেন।
মতবিনিময় সভাটি রাজনৈতিক সৌজন্য ও পেশাগত দায়িত্ববোধের এক ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। আলোচনার মধ্য দিয়ে স্পষ্ট হয়েছে—রাজশাহীর উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক চর্চায় সাংবাদিক সমাজকে পাশে রাখতে চায় প্রার্থী পক্ষ, আর সম্পাদকরাও উন্নয়নমুখী ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট রাজনীতির প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।