রবিবার , ১১ অক্টোবর ২০২৬
হোম › আজকের শীর্ষ সংবাদ › কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী তাজমিনকে ধর্ষণের পর হত্যার রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ১

কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী তাজমিনকে ধর্ষণের পর হত্যার রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ১

favicon
কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী তাজমিনকে ধর্ষণের পর হত্যার রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ১
কুমিল্লার লালমাইয়ে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল তাজমিনকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার চাঞ্চল্যকর ঘটনার রহস্য উদঘাটন নিয়ে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পংকজ বড়ুয়া। ছবি: দৈনিক উপচার

কুমিল্লার লালমাইয়ে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল তাজমিনকে (১৫) অটোরিকশায় তুলে নিয়ে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে শ্বাসরোধে হত্যার চাঞ্চল্যকর রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। ঘটনার সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত থাকার অভিযোগে সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক সুমন মিয়াকে (৩৫) চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরবর্তীতে তার দেওয়া স্বীকারোক্তি ও দেখানো তথ্যের ভিত্তিতে ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর ব্যবহৃত মূল্যবান আইফোনটিও উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে কুমিল্লা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে মামলার বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পংকজ বড়ুয়া।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, গত বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে লালমাই উপজেলার ভোরাজগৎপুর উত্তরপাড়া গ্রামের একটি ধানখেতের আইলের পাশে অজ্ঞাত এক কিশোরীর নিথর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় বাসিন্দারা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে কল দেন। খবর পেয়ে লালমাই থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পরবর্তীতে নিহতের বাবা আবদুল আলীম ঘটনাস্থলে এসে মেয়ের মরদেহ শনাক্ত করেন। এ ঘটনায় লালমাই থানায় একটি হত্যা মামলা রুজু হওয়ার পর জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও থানা পুলিশের একাধিক টিম যৌথভাবে তদন্তে নামে।

তদন্তকারী দল আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে শুক্রবার (৯ অক্টোবর) চট্টগ্রাম থেকে প্রধান অভিযুক্ত অটোরিকশাচালক সুমনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। সুমনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে হত্যাকাণ্ডের রোমহর্ষক বিবরণ অকপটে স্বীকার করে।

পুলিশের তদন্তে উঠে আসা তথ্য অনুযায়ী, চার দিন আগে বান্ধবীর বাসায় যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল তাজমিন। পরে সে কোনো এক সূত্রে পর্যটন শহর কক্সবাজারে যায়। কক্সবাজার থেকে ফেরার পথে ৮ অক্টোবর দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে সে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকার তিশা বাস কাউন্টারের সামনে নামে। সেখান থেকে কুমিল্লা নগরীর রেসকোর্স এলাকার বাসায় ফেরার জন্য ৩০০ টাকা ভাড়ায় সুমনের অটোরিকশা ঠিক করে সে। পথিমধ্যে তাজমিন চালক সুমনকে ১০০ টাকা দিয়ে কলা ও রুটি কিনে এনে খায়।

এর কিছুক্ষণ পর সুকৌশলে বাসায় পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে সুমন অটোরিকশাটি নির্ধারিত শহরের পথ থেকে ঘুরিয়ে চাঁদপুরগামী সড়ক ধরে বিজরা বাজার হয়ে লালমাইয়ের এক নির্জন গ্রামীণ সড়কে নিয়ে যায়। সেখানে পৌঁছানোর পর সুমন হঠাৎ অটোরিকশার ইঞ্জিন বন্ধ করে দিলে গভীর রাতে অপরিচিত ও জনমানবহীন এলাকা দেখে তাজমিন আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। জীবন বাঁচাতে সে অটোরিকশা থেকে নেমে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে সুমন তার পথরোধ করে।

এ সময় আত্মরক্ষার্থে তাজমিন চিৎকার শুরু করলে সুমন নিজের গলায় থাকা গামছা দিয়ে তার মুখ ও গলা পেঁচিয়ে ধরে নিবৃত্ত করার চেষ্টা করে। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে কিশোরী নিস্তেজ হয়ে পড়লে তাকে জোরপূর্বক টেনেহিঁচড়ে পাশের নির্জন ধানখেতে নিয়ে ধর্ষণ করে সুমন। ধর্ষণের পর ঘটনা ধামাচাপা দিতে ধানখেতের নরম কাদামাটিতে মুখ চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে তাজমিনের মৃত্যু নিশ্চিত করে পাষণ্ড চালক।

হত্যাকাণ্ড নিশ্চিত করার পর তাজমিনের ভ্যানিটি ব্যাগ থেকে তার ব্যবহৃত দামি আইফোনটি নিজের পকেটে নিয়ে ব্যাগটি ধানখেতেই ফেলে দেয় সুমন। এরপর নিজের অটোরিকশাটি ঘটনাস্থলে ফেলে রেখে হেঁটে কাচিকাটা জামে মসজিদের সামনের পুকুরে গিয়ে গোসল সারে। সেখান থেকে ভাড়ায় চালিত অন্য একটি অটোরিকশাযোগে বাখরাবাদ এলাকায় গিয়ে একটি পুকুরপাড়ের ঘন ঝোপঝাড়ের ভেতর লুণ্ঠিত আইফোনটি লুকিয়ে রেখে গা-ঢাকা দিতে চট্টগ্রামে পালিয়ে যায়।

গ্রেপ্তার সুমনের তথ্যানুযায়ী পুলিশ বাখরাবাদের সেই ঝোপ থেকে লুকিয়ে রাখা আইফোনটি উদ্ধার করেছে।

নিহত জান্নাতুল তাজমিন যশোর সদর উপজেলার ছাতিয়ানতলা গ্রামের বাসিন্দা এবং একটি ওষুধ কোম্পানিতে কুমিল্লা অঞ্চলে কর্মরত আবদুল আলীমের মেয়ে। তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লা নগরীর রেসকোর্স এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছিল। তাজমিন নগরীর স্বনামধন্য ফরিদা বিদ্যায়তনের সপ্তম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত ছিল।

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পংকজ বড়ুয়া সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ভুক্তভোগী বাসা থেকে নিখোঁজ হওয়ার পর পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়নি। শিক্ষার্থী একা নাকি অন্য কারও সঙ্গে কক্সবাজার গিয়েছিল এবং এ হত্যাকাণ্ডের পেছনে অন্য কোনো ব্যক্তি বা চক্রের যোগসাজশ রয়েছে কি না, তা গভীরভাবে তদন্ত করা হচ্ছে। আসামিকে আদালতে হাজির করে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডের আবেদন জানানো হবে।

কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী তাজমিনকে ধর্ষণের পর হত্যার রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ১
◀ বিস্তারিত কমেন্ট ▶
dailyupochar.com
১০ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক উপচার
 রবিবার , ১১ অক্টোবর ২০২৬
হোম › আজকের শীর্ষ সংবাদ › কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী তাজমিনকে ধর্ষণের পর হত্যার রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ১

কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী তাজমিনকে ধর্ষণের পর হত্যার রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ১

favicon
কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী তাজমিনকে ধর্ষণের পর হত্যার রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ১
কুমিল্লার লালমাইয়ে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল তাজমিনকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার চাঞ্চল্যকর ঘটনার রহস্য উদঘাটন নিয়ে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পংকজ বড়ুয়া। ছবি: দৈনিক উপচার

কুমিল্লার লালমাইয়ে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল তাজমিনকে (১৫) অটোরিকশায় তুলে নিয়ে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে শ্বাসরোধে হত্যার চাঞ্চল্যকর রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। ঘটনার সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত থাকার অভিযোগে সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক সুমন মিয়াকে (৩৫) চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরবর্তীতে তার দেওয়া স্বীকারোক্তি ও দেখানো তথ্যের ভিত্তিতে ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর ব্যবহৃত মূল্যবান আইফোনটিও উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে কুমিল্লা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে মামলার বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পংকজ বড়ুয়া।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, গত বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে লালমাই উপজেলার ভোরাজগৎপুর উত্তরপাড়া গ্রামের একটি ধানখেতের আইলের পাশে অজ্ঞাত এক কিশোরীর নিথর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় বাসিন্দারা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে কল দেন। খবর পেয়ে লালমাই থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পরবর্তীতে নিহতের বাবা আবদুল আলীম ঘটনাস্থলে এসে মেয়ের মরদেহ শনাক্ত করেন। এ ঘটনায় লালমাই থানায় একটি হত্যা মামলা রুজু হওয়ার পর জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও থানা পুলিশের একাধিক টিম যৌথভাবে তদন্তে নামে।

তদন্তকারী দল আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে শুক্রবার (৯ অক্টোবর) চট্টগ্রাম থেকে প্রধান অভিযুক্ত অটোরিকশাচালক সুমনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। সুমনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে হত্যাকাণ্ডের রোমহর্ষক বিবরণ অকপটে স্বীকার করে।

পুলিশের তদন্তে উঠে আসা তথ্য অনুযায়ী, চার দিন আগে বান্ধবীর বাসায় যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল তাজমিন। পরে সে কোনো এক সূত্রে পর্যটন শহর কক্সবাজারে যায়। কক্সবাজার থেকে ফেরার পথে ৮ অক্টোবর দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে সে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকার তিশা বাস কাউন্টারের সামনে নামে। সেখান থেকে কুমিল্লা নগরীর রেসকোর্স এলাকার বাসায় ফেরার জন্য ৩০০ টাকা ভাড়ায় সুমনের অটোরিকশা ঠিক করে সে। পথিমধ্যে তাজমিন চালক সুমনকে ১০০ টাকা দিয়ে কলা ও রুটি কিনে এনে খায়।

এর কিছুক্ষণ পর সুকৌশলে বাসায় পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে সুমন অটোরিকশাটি নির্ধারিত শহরের পথ থেকে ঘুরিয়ে চাঁদপুরগামী সড়ক ধরে বিজরা বাজার হয়ে লালমাইয়ের এক নির্জন গ্রামীণ সড়কে নিয়ে যায়। সেখানে পৌঁছানোর পর সুমন হঠাৎ অটোরিকশার ইঞ্জিন বন্ধ করে দিলে গভীর রাতে অপরিচিত ও জনমানবহীন এলাকা দেখে তাজমিন আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। জীবন বাঁচাতে সে অটোরিকশা থেকে নেমে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে সুমন তার পথরোধ করে।

এ সময় আত্মরক্ষার্থে তাজমিন চিৎকার শুরু করলে সুমন নিজের গলায় থাকা গামছা দিয়ে তার মুখ ও গলা পেঁচিয়ে ধরে নিবৃত্ত করার চেষ্টা করে। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে কিশোরী নিস্তেজ হয়ে পড়লে তাকে জোরপূর্বক টেনেহিঁচড়ে পাশের নির্জন ধানখেতে নিয়ে ধর্ষণ করে সুমন। ধর্ষণের পর ঘটনা ধামাচাপা দিতে ধানখেতের নরম কাদামাটিতে মুখ চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে তাজমিনের মৃত্যু নিশ্চিত করে পাষণ্ড চালক।

হত্যাকাণ্ড নিশ্চিত করার পর তাজমিনের ভ্যানিটি ব্যাগ থেকে তার ব্যবহৃত দামি আইফোনটি নিজের পকেটে নিয়ে ব্যাগটি ধানখেতেই ফেলে দেয় সুমন। এরপর নিজের অটোরিকশাটি ঘটনাস্থলে ফেলে রেখে হেঁটে কাচিকাটা জামে মসজিদের সামনের পুকুরে গিয়ে গোসল সারে। সেখান থেকে ভাড়ায় চালিত অন্য একটি অটোরিকশাযোগে বাখরাবাদ এলাকায় গিয়ে একটি পুকুরপাড়ের ঘন ঝোপঝাড়ের ভেতর লুণ্ঠিত আইফোনটি লুকিয়ে রেখে গা-ঢাকা দিতে চট্টগ্রামে পালিয়ে যায়।

গ্রেপ্তার সুমনের তথ্যানুযায়ী পুলিশ বাখরাবাদের সেই ঝোপ থেকে লুকিয়ে রাখা আইফোনটি উদ্ধার করেছে।

নিহত জান্নাতুল তাজমিন যশোর সদর উপজেলার ছাতিয়ানতলা গ্রামের বাসিন্দা এবং একটি ওষুধ কোম্পানিতে কুমিল্লা অঞ্চলে কর্মরত আবদুল আলীমের মেয়ে। তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লা নগরীর রেসকোর্স এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছিল। তাজমিন নগরীর স্বনামধন্য ফরিদা বিদ্যায়তনের সপ্তম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত ছিল।

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পংকজ বড়ুয়া সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ভুক্তভোগী বাসা থেকে নিখোঁজ হওয়ার পর পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়নি। শিক্ষার্থী একা নাকি অন্য কারও সঙ্গে কক্সবাজার গিয়েছিল এবং এ হত্যাকাণ্ডের পেছনে অন্য কোনো ব্যক্তি বা চক্রের যোগসাজশ রয়েছে কি না, তা গভীরভাবে তদন্ত করা হচ্ছে। আসামিকে আদালতে হাজির করে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডের আবেদন জানানো হবে।

কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী তাজমিনকে ধর্ষণের পর হত্যার রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ১
◀ বিস্তারিত কমেন্ট ▶
dailyupochar.com
১০ অক্টোবর ২০২৬