বৃহস্পতিবার , ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হোমআজকের শীর্ষ সংবাদযোগাযোগ ও বিদ্যুৎ খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে একনেকে ১২টি বড় প্রকল্প পাস

যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে একনেকে ১২টি বড় প্রকল্প পাস

favicon
উপচার ডেস্ক :-
যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে একনেকে ১২টি বড় প্রকল্প পাস
সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতি।

দেশের সার্বিক অবকাঠামোগত ও অর্থনৈতিক রূপরেখাকে আরও গতিশীল করার প্রত্যয়ে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় মোট ১ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮০ কোটি ৪০ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে ১২টি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বুধবার সকালে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারণী সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠক শেষে শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে গণমাধ্যমের সামনে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ সাকী।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, অনুমোদিত মেগা ব্যয়ের এই অর্থের মধ্যে সিংহভাগ আসবে বৈদেশিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার ঋণ সহায়তা থেকে, যার পরিমাণ ১ লাখ ২০ হাজার ৪৬৬ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। এছাড়া সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ৪৮ হাজার ২৫৬ কোটি ৩০ লাখ টাকা সংস্থান করা হবে এবং বাস্তবায়নকারী সংস্থাগুলোর নিজস্ব অর্থায়ন থেকে ব্যয় মেটানো হবে ৫৭ কোটি ৭১ লাখ টাকা। অনুমোদিত মোট ১২টি উন্নয়ন উদ্যোগের মধ্যে ৭টি সম্পূর্ণ নতুন এবং ৫টি চলমান সংশোধিত প্রকল্প।

এবারের একনেক বৈঠকে যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্যে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সর্বোচ্চ পাঁচটি প্রকল্পকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রাজধানীর যানজট নিরসন ও যোগাযোগ নেটওয়ার্ক আধুনিকায়নে অন্যতম মাইলফলক ঢাকা ম্যাস র‍্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট বা এমআরটি লাইন-৫ এর সাউদার্ন রুট, একই লাইনের নর্দান রুট (প্রথম সংশোধিত) এবং এমআরটি লাইন-১ (প্রথম সংশোধিত) প্রকল্প বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। পাশাপাশি আঞ্চলিক যোগাযোগ সহজ করতে রাজশাহী সড়ক জোন ও চট্টগ্রাম সড়ক জোনের জেলা মহাসড়কসমূহ যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ প্রকল্পও এই তালিকায় রয়েছে।

যোগাযোগের আরেক বড় স্তম্ভ রেলপথ মন্ত্রণালয়ের দুটি কৌশলগত প্রকল্প সবুজ সংকেত পেয়েছে। এর মধ্যে পরিবেশবান্ধব জ্বালানি প্রযুক্তিতে ট্রেন পরিচালনার লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা-জয়দেবপুর সেকশনে ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন চালুকরণ প্রকল্প এবং উত্তরবঙ্গের দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষিত বগুড়া থেকে সিরাজগঞ্জ পর্যন্ত নতুন ডুয়েলগেজ রেলপথ নির্মাণ প্রকল্প চূড়ান্ত রূপ লাভ করেছে।

এদিকে জাতীয় প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা জোরদারে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বরিশাল সেনানিবাস স্থাপন (দ্বিতীয় পর্যায়) এবং খুলনা নৌ অঞ্চলে নৌবাহিনীর সদস্যদের আধুনিক আবাসন সুবিধাসহ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি রফতানিমুখী তৈরি পোশাক ও চামড়া শিল্পের কর্মীদের জীবনমান সুরক্ষা নিশ্চিত করতে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের টেক্সটাইল ও চামড়া খাতের শ্রমিকদের কর্মপরিবেশ ও সামাজিক সুরক্ষা উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। এর বাইরে উপকূলীয় ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের নাগরিক সুবিধা সম্প্রসারণে খুলনা পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নয়ন প্রকল্প এবং ভোলার মনপুরা দ্বীপাঞ্চলে বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন প্রকল্পও সভায় চূড়ান্ত ছাড়পত্র পায়।

বড় মেগা প্রকল্পের পাশাপাশি সভায় ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয় সম্বলিত মোট ১৫টি প্রকল্পের বিস্তারিত অগ্রগতি ও অনুমোদন পরিস্থিতি অবহিতকরণ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। বিদ্যমান আইন ও প্রশাসনিক এখতিয়ার অনুযায়ী ৫০ কোটি টাকার নিচের এসব প্রকল্প পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিজস্ব ক্ষমতাবলে অনুমোদন দিয়েছেন, যা নিয়মানুযায়ী একনেক পর্ষদকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করা হলো।

পরিকল্পনামন্ত্রীর অনুমোদিত এই ছোট ও মাঝারি প্রকল্পের মধ্যে ভূমি ব্যবস্থাপনা অটোমেশন, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সদর দপ্তর নির্মাণ, জলবায়ু সুরক্ষায় ভাসানচরে গ্রিন বেল্ট প্রতিষ্ঠা ও কক্সবাজারে রোহিঙ্গা পুনর্বনয়ন, দেশি মুরগি গবেষণা ও সংরক্ষণ এবং বিভিন্ন অর্থনৈতিক অঞ্চলে টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক স্থাপন প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া রংপুর জোনে ঝুঁকিপূর্ণ বেইলি ব্রিজ প্রতিস্থাপন, আরডিএ ভবনের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ, জালালাবাদ সেনানিবাসে কোয়ার্টার গার্ড নির্মাণ, সিলেট বিভাগে বন্যা পূর্বাভাসের ৩ডি মডেল প্রস্তুতকরণ, সৈয়দপুর ও খুলনার দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়ন, সামাজিক সুরক্ষা জোরদারকরণ কর্মসূচি, বরগুনা ও দিনাজপুরের স্টেডিয়াম উন্নয়ন এবং সিলেট-১০ নম্বর অনুসন্ধান কূপ খননের মতো জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোও বাস্তবায়নের পথে একধাপ এগিয়ে গেল।

যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে একনেকে ১২টি বড় প্রকল্প পাস
◀ বিস্তারিত কমেন্ট ▶
dailyupochar.com
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দৈনিক উপচার
 বৃহস্পতিবার , ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হোমআজকের শীর্ষ সংবাদযোগাযোগ ও বিদ্যুৎ খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে একনেকে ১২টি বড় প্রকল্প পাস

যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে একনেকে ১২টি বড় প্রকল্প পাস

favicon
উপচার ডেস্ক :-
যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে একনেকে ১২টি বড় প্রকল্প পাস
সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতি।

দেশের সার্বিক অবকাঠামোগত ও অর্থনৈতিক রূপরেখাকে আরও গতিশীল করার প্রত্যয়ে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় মোট ১ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮০ কোটি ৪০ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে ১২টি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বুধবার সকালে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারণী সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠক শেষে শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে গণমাধ্যমের সামনে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ সাকী।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, অনুমোদিত মেগা ব্যয়ের এই অর্থের মধ্যে সিংহভাগ আসবে বৈদেশিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার ঋণ সহায়তা থেকে, যার পরিমাণ ১ লাখ ২০ হাজার ৪৬৬ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। এছাড়া সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ৪৮ হাজার ২৫৬ কোটি ৩০ লাখ টাকা সংস্থান করা হবে এবং বাস্তবায়নকারী সংস্থাগুলোর নিজস্ব অর্থায়ন থেকে ব্যয় মেটানো হবে ৫৭ কোটি ৭১ লাখ টাকা। অনুমোদিত মোট ১২টি উন্নয়ন উদ্যোগের মধ্যে ৭টি সম্পূর্ণ নতুন এবং ৫টি চলমান সংশোধিত প্রকল্প।

এবারের একনেক বৈঠকে যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্যে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সর্বোচ্চ পাঁচটি প্রকল্পকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রাজধানীর যানজট নিরসন ও যোগাযোগ নেটওয়ার্ক আধুনিকায়নে অন্যতম মাইলফলক ঢাকা ম্যাস র‍্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট বা এমআরটি লাইন-৫ এর সাউদার্ন রুট, একই লাইনের নর্দান রুট (প্রথম সংশোধিত) এবং এমআরটি লাইন-১ (প্রথম সংশোধিত) প্রকল্প বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। পাশাপাশি আঞ্চলিক যোগাযোগ সহজ করতে রাজশাহী সড়ক জোন ও চট্টগ্রাম সড়ক জোনের জেলা মহাসড়কসমূহ যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ প্রকল্পও এই তালিকায় রয়েছে।

যোগাযোগের আরেক বড় স্তম্ভ রেলপথ মন্ত্রণালয়ের দুটি কৌশলগত প্রকল্প সবুজ সংকেত পেয়েছে। এর মধ্যে পরিবেশবান্ধব জ্বালানি প্রযুক্তিতে ট্রেন পরিচালনার লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা-জয়দেবপুর সেকশনে ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন চালুকরণ প্রকল্প এবং উত্তরবঙ্গের দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষিত বগুড়া থেকে সিরাজগঞ্জ পর্যন্ত নতুন ডুয়েলগেজ রেলপথ নির্মাণ প্রকল্প চূড়ান্ত রূপ লাভ করেছে।

এদিকে জাতীয় প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা জোরদারে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বরিশাল সেনানিবাস স্থাপন (দ্বিতীয় পর্যায়) এবং খুলনা নৌ অঞ্চলে নৌবাহিনীর সদস্যদের আধুনিক আবাসন সুবিধাসহ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি রফতানিমুখী তৈরি পোশাক ও চামড়া শিল্পের কর্মীদের জীবনমান সুরক্ষা নিশ্চিত করতে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের টেক্সটাইল ও চামড়া খাতের শ্রমিকদের কর্মপরিবেশ ও সামাজিক সুরক্ষা উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। এর বাইরে উপকূলীয় ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের নাগরিক সুবিধা সম্প্রসারণে খুলনা পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নয়ন প্রকল্প এবং ভোলার মনপুরা দ্বীপাঞ্চলে বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন প্রকল্পও সভায় চূড়ান্ত ছাড়পত্র পায়।

বড় মেগা প্রকল্পের পাশাপাশি সভায় ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয় সম্বলিত মোট ১৫টি প্রকল্পের বিস্তারিত অগ্রগতি ও অনুমোদন পরিস্থিতি অবহিতকরণ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। বিদ্যমান আইন ও প্রশাসনিক এখতিয়ার অনুযায়ী ৫০ কোটি টাকার নিচের এসব প্রকল্প পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিজস্ব ক্ষমতাবলে অনুমোদন দিয়েছেন, যা নিয়মানুযায়ী একনেক পর্ষদকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করা হলো।

পরিকল্পনামন্ত্রীর অনুমোদিত এই ছোট ও মাঝারি প্রকল্পের মধ্যে ভূমি ব্যবস্থাপনা অটোমেশন, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সদর দপ্তর নির্মাণ, জলবায়ু সুরক্ষায় ভাসানচরে গ্রিন বেল্ট প্রতিষ্ঠা ও কক্সবাজারে রোহিঙ্গা পুনর্বনয়ন, দেশি মুরগি গবেষণা ও সংরক্ষণ এবং বিভিন্ন অর্থনৈতিক অঞ্চলে টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক স্থাপন প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া রংপুর জোনে ঝুঁকিপূর্ণ বেইলি ব্রিজ প্রতিস্থাপন, আরডিএ ভবনের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ, জালালাবাদ সেনানিবাসে কোয়ার্টার গার্ড নির্মাণ, সিলেট বিভাগে বন্যা পূর্বাভাসের ৩ডি মডেল প্রস্তুতকরণ, সৈয়দপুর ও খুলনার দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়ন, সামাজিক সুরক্ষা জোরদারকরণ কর্মসূচি, বরগুনা ও দিনাজপুরের স্টেডিয়াম উন্নয়ন এবং সিলেট-১০ নম্বর অনুসন্ধান কূপ খননের মতো জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোও বাস্তবায়নের পথে একধাপ এগিয়ে গেল।

যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে একনেকে ১২টি বড় প্রকল্প পাস
◀ বিস্তারিত কমেন্ট ▶
dailyupochar.com
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬