শুক্রবার , ২১ আগস্ট ২০২৬
হোমরাজশাহীরাজশাহীর গোদাগাড়ীতে ১৩২ বস্তা অবৈধ সার জব্দ
কৃষক স্বার্থ সুরক্ষায় প্রশাসনের কঠোর মনিটরিং অব্যাহত

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে ১৩২ বস্তা অবৈধ সার জব্দ

ব্যবসায়ীর জরিমানা
favicon
গোদাগাড়ী প্রতিনিধি :
রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে ১৩২ বস্তা অবৈধ সার জব্দ

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় অবৈধভাবে রাসায়নিক সার মজুদ করার অপরাধে এক খুচরা কীটনাশক ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই অভিযানে ওই ব্যবসায়ীর বাড়ির পেছনের গোয়ালঘর থেকে লুকিয়ে রাখা ১৩২ বস্তা অবৈধ রাসায়নিক সার জব্দ করা হয়।

বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার দেওপাড়া ইউনিয়নের কানাইডাঙ্গা এলাকায় এই ঝটিকা অভিযান পরিচালিত হয়। গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইসরাত জাহান এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সুনির্দিষ্ট গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কানাইডাঙ্গা এলাকার ‘মেসার্স জিএস ট্রেডার্স’ নামক প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন। এ সময় ওই প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী ও খুচরা কীটনাশক বিক্রেতা নাসিরউদ্দিনের (৪ নামের বসতবাড়ির পেছনের গোয়ালঘরে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশিতে গোয়ালঘরের ভেতরে অবৈধ উপায়ে লুকিয়ে রাখা ৮৬ বস্তা এমওপি (পটাশ) এবং ৪৬ বস্তা ডিওপি সার উদ্ধার করা হয়।

তদন্তে জানা যায়, অভিযুক্ত নাসিরউদ্দিন সরকারের অনুমোদিত কোনো সার ডিলার নন। তিনি মূলত খুচরা কীটনাশক ব্যবসা করলেও কোনো ধরনের বৈধ লাইসেন্স কিংবা কাগজপত্র ছাড়াই অধিক মুনাফা লাভের আশায় বিপুল পরিমাণ এই সার অবৈধভাবে গুদামজাত করেছিলেন। আদালতের সামনে নিজের অপরাধ স্বীকার করায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন এবং অবৈধভাবে মজুতকৃত সমস্ত সার তাৎক্ষণিকভাবে জব্দ করেন।

অভিযান সমাপ্তির পর গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইসরাত জাহান গণমাধ্যমকে জানান, চলতি আমন মৌসুমে দেশের সাধারণ কৃষকরা যেন কোনোভাবেই সার সংকটের মুখে না পড়েন এবং ন্যায্য ও নির্ধারিত মূল্যে সার সংগ্রহ করতে পারেন, সে বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। তিনি আরও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ডিলার বা খুচরা বিক্রেতা যেই হোক না কেন, অনুমোদনহীন উপায়ে সার মজুত কিংবা কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করলে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। কৃষকদের স্বার্থ রক্ষা ও বাজারের স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে প্রশাসনের এমন কঠোর অভিযান ও নজরদারি অব্যাহত থাকবে।

এই বিশেষ অভিযানে স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা এবং গোদাগাড়ী মডেল থানার একদল পুলিশ সদস্য ভ্রাম্যমাণ আদালতকে সার্বিক নিরাপত্তা ও সহযোগিতা প্রদান করেন। প্রশাসন সূত্রে আরও নিশ্চিত করা হয়েছে যে, জব্দ করা সারগুলো পরবর্তীতে সরকারি নিয়ম ও প্রক্রিয়া অনুসরণ করে স্থানীয় কৃষকদের মাঝে সরকারি নির্ধারিত মূল্যেই বিক্রি বা বিতরণের ব্যবস্থা করা হবে।

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে ১৩২ বস্তা অবৈধ সার জব্দ
কৃষক স্বার্থ সুরক্ষায় প্রশাসনের কঠোর মনিটরিং অব্যাহত
◀ বিস্তারিত কমেন্ট ▶
dailyupochar.com
২১ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উপচার
 শুক্রবার , ২১ আগস্ট ২০২৬
হোমরাজশাহীরাজশাহীর গোদাগাড়ীতে ১৩২ বস্তা অবৈধ সার জব্দ
কৃষক স্বার্থ সুরক্ষায় প্রশাসনের কঠোর মনিটরিং অব্যাহত

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে ১৩২ বস্তা অবৈধ সার জব্দ

ব্যবসায়ীর জরিমানা
favicon
গোদাগাড়ী প্রতিনিধি :
রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে ১৩২ বস্তা অবৈধ সার জব্দ

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় অবৈধভাবে রাসায়নিক সার মজুদ করার অপরাধে এক খুচরা কীটনাশক ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই অভিযানে ওই ব্যবসায়ীর বাড়ির পেছনের গোয়ালঘর থেকে লুকিয়ে রাখা ১৩২ বস্তা অবৈধ রাসায়নিক সার জব্দ করা হয়।

বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার দেওপাড়া ইউনিয়নের কানাইডাঙ্গা এলাকায় এই ঝটিকা অভিযান পরিচালিত হয়। গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইসরাত জাহান এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সুনির্দিষ্ট গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কানাইডাঙ্গা এলাকার ‘মেসার্স জিএস ট্রেডার্স’ নামক প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন। এ সময় ওই প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী ও খুচরা কীটনাশক বিক্রেতা নাসিরউদ্দিনের (৪ নামের বসতবাড়ির পেছনের গোয়ালঘরে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশিতে গোয়ালঘরের ভেতরে অবৈধ উপায়ে লুকিয়ে রাখা ৮৬ বস্তা এমওপি (পটাশ) এবং ৪৬ বস্তা ডিওপি সার উদ্ধার করা হয়।

তদন্তে জানা যায়, অভিযুক্ত নাসিরউদ্দিন সরকারের অনুমোদিত কোনো সার ডিলার নন। তিনি মূলত খুচরা কীটনাশক ব্যবসা করলেও কোনো ধরনের বৈধ লাইসেন্স কিংবা কাগজপত্র ছাড়াই অধিক মুনাফা লাভের আশায় বিপুল পরিমাণ এই সার অবৈধভাবে গুদামজাত করেছিলেন। আদালতের সামনে নিজের অপরাধ স্বীকার করায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন এবং অবৈধভাবে মজুতকৃত সমস্ত সার তাৎক্ষণিকভাবে জব্দ করেন।

অভিযান সমাপ্তির পর গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইসরাত জাহান গণমাধ্যমকে জানান, চলতি আমন মৌসুমে দেশের সাধারণ কৃষকরা যেন কোনোভাবেই সার সংকটের মুখে না পড়েন এবং ন্যায্য ও নির্ধারিত মূল্যে সার সংগ্রহ করতে পারেন, সে বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। তিনি আরও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ডিলার বা খুচরা বিক্রেতা যেই হোক না কেন, অনুমোদনহীন উপায়ে সার মজুত কিংবা কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করলে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। কৃষকদের স্বার্থ রক্ষা ও বাজারের স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে প্রশাসনের এমন কঠোর অভিযান ও নজরদারি অব্যাহত থাকবে।

এই বিশেষ অভিযানে স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা এবং গোদাগাড়ী মডেল থানার একদল পুলিশ সদস্য ভ্রাম্যমাণ আদালতকে সার্বিক নিরাপত্তা ও সহযোগিতা প্রদান করেন। প্রশাসন সূত্রে আরও নিশ্চিত করা হয়েছে যে, জব্দ করা সারগুলো পরবর্তীতে সরকারি নিয়ম ও প্রক্রিয়া অনুসরণ করে স্থানীয় কৃষকদের মাঝে সরকারি নির্ধারিত মূল্যেই বিক্রি বা বিতরণের ব্যবস্থা করা হবে।

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে ১৩২ বস্তা অবৈধ সার জব্দ
কৃষক স্বার্থ সুরক্ষায় প্রশাসনের কঠোর মনিটরিং অব্যাহত
◀ বিস্তারিত কমেন্ট ▶
dailyupochar.com
২১ আগস্ট ২০২৬