রবিবার , ২৬ জুলাই ২০২৬
হোমরাজশাহীএসআই রাজু মিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ ভিত্তিহীন
আইন মেনেই হয়েছে গ্রেপ্তার ও তদন্ত

এসআই রাজু মিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ ভিত্তিহীন

দাবি আরএমপির
favicon
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি :
এসআই রাজু মিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ ভিত্তিহীন

রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) বোয়ালিয়া মডেল থানায় কর্মরত উপ-পরিদর্শক (এসআই) রাজু মিয়ার বিরুদ্ধে মো. শাহীন কবিরের উত্থাপিত অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছে আরএমপি।

বৃহস্পতিবার রাতে রাজশাহী বিভাগীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শাহীন কবির অভিযোগ করেন, তার বিরুদ্ধে কোনো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা না থাকা সত্ত্বেও এসআই রাজু মিয়া তাকে আটক করে থানায় নিয়ে মারধর করেন এবং তিন লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদার টাকা না দেওয়ায় তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এছাড়া তিনি জেলহাজতে থাকাকালে তার ব্যক্তিগত গাড়ি আত্মসাৎ করা হয়েছে বলেও দাবি করেন।

তবে এসব অভিযোগের প্রতিবাদ জানিয়ে আরএমপি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, অভিযোগগুলো বাস্তবতাবিবর্জিত ও বিভ্রান্তিকর।

আরএমপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, শাহীন কবিরের বিরুদ্ধে বোয়ালিয়া থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের হওয়া মামলায় এসআই রাজু মিয়া আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তাকে গ্রেপ্তার করেন। মামলার তদন্তে অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আলামত জব্দ করা হয়েছে এবং তা যথাযথ প্রক্রিয়ায় পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।

আরএমপির ভাষ্য অনুযায়ী, মামলার এজাহার ও তদন্তে উঠে আসে-শাহীন কবির তার বৈবাহিক সম্পর্কের তথ্য গোপন করে এক ছাত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করেন এবং গোপনে ওই ব্যক্তির ভিডিও ও স্থিরচিত্র ধারণ করেন। পরবর্তীতে ওই ভিডিও ও ছবি ব্যবহার করে ভুক্তভোগীকে চাপ প্রয়োগ ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ভুক্তভোগী ওই নারী অভিযোগ করেন, ভিডিও ও ছবি মুছে ফেলার জন্য শাহীন কবির অর্থ দাবি করেন এবং তা না দিলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। একপর্যায়ে ওই ভিডিও ও ছবি টিকটক অ্যাকাউন্টে প্রকাশ করা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।

আরএমপি জানায়, মামলার তদন্ত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আসামির ব্যবহৃত মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। ওই ডিভাইসে মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ভিডিও ও স্থিরচিত্র পাওয়া যাওয়ায় তা ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।

এছাড়া শাহীন কবিরের ব্যক্তিগত গাড়িটি আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তার ছেলের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে এবং এ সংক্রান্ত বিষয়টি সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আরএমপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তার, আলামত জব্দ ও তদন্ত কার্যক্রমসহ সব ধরনের আইনি পদক্ষেপ প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী সম্পন্ন করা হয়েছে। এসআই রাজু মিয়ার বিরুদ্ধে টাকা দাবি বা গাড়ি আত্মসাতের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, যাচাই-বাছাই ছাড়া পুলিশের কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা। এ ধরনের মিথ্যা ও মানহানিকর অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

— আরএমপি মিডিয়া

এসআই রাজু মিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ ভিত্তিহীন
আইন মেনেই হয়েছে গ্রেপ্তার ও তদন্ত
◀ বিস্তারিত কমেন্ট ▶
dailyupochar.com
২৫ জুলাই ২০২৬
দৈনিক উপচার
 রবিবার , ২৬ জুলাই ২০২৬
হোমরাজশাহীএসআই রাজু মিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ ভিত্তিহীন
আইন মেনেই হয়েছে গ্রেপ্তার ও তদন্ত

এসআই রাজু মিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ ভিত্তিহীন

দাবি আরএমপির
favicon
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি :
এসআই রাজু মিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ ভিত্তিহীন

রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) বোয়ালিয়া মডেল থানায় কর্মরত উপ-পরিদর্শক (এসআই) রাজু মিয়ার বিরুদ্ধে মো. শাহীন কবিরের উত্থাপিত অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছে আরএমপি।

বৃহস্পতিবার রাতে রাজশাহী বিভাগীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শাহীন কবির অভিযোগ করেন, তার বিরুদ্ধে কোনো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা না থাকা সত্ত্বেও এসআই রাজু মিয়া তাকে আটক করে থানায় নিয়ে মারধর করেন এবং তিন লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদার টাকা না দেওয়ায় তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এছাড়া তিনি জেলহাজতে থাকাকালে তার ব্যক্তিগত গাড়ি আত্মসাৎ করা হয়েছে বলেও দাবি করেন।

তবে এসব অভিযোগের প্রতিবাদ জানিয়ে আরএমপি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, অভিযোগগুলো বাস্তবতাবিবর্জিত ও বিভ্রান্তিকর।

আরএমপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, শাহীন কবিরের বিরুদ্ধে বোয়ালিয়া থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের হওয়া মামলায় এসআই রাজু মিয়া আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তাকে গ্রেপ্তার করেন। মামলার তদন্তে অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আলামত জব্দ করা হয়েছে এবং তা যথাযথ প্রক্রিয়ায় পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।

আরএমপির ভাষ্য অনুযায়ী, মামলার এজাহার ও তদন্তে উঠে আসে-শাহীন কবির তার বৈবাহিক সম্পর্কের তথ্য গোপন করে এক ছাত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করেন এবং গোপনে ওই ব্যক্তির ভিডিও ও স্থিরচিত্র ধারণ করেন। পরবর্তীতে ওই ভিডিও ও ছবি ব্যবহার করে ভুক্তভোগীকে চাপ প্রয়োগ ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ভুক্তভোগী ওই নারী অভিযোগ করেন, ভিডিও ও ছবি মুছে ফেলার জন্য শাহীন কবির অর্থ দাবি করেন এবং তা না দিলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। একপর্যায়ে ওই ভিডিও ও ছবি টিকটক অ্যাকাউন্টে প্রকাশ করা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।

আরএমপি জানায়, মামলার তদন্ত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আসামির ব্যবহৃত মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। ওই ডিভাইসে মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ভিডিও ও স্থিরচিত্র পাওয়া যাওয়ায় তা ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।

এছাড়া শাহীন কবিরের ব্যক্তিগত গাড়িটি আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তার ছেলের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে এবং এ সংক্রান্ত বিষয়টি সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আরএমপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তার, আলামত জব্দ ও তদন্ত কার্যক্রমসহ সব ধরনের আইনি পদক্ষেপ প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী সম্পন্ন করা হয়েছে। এসআই রাজু মিয়ার বিরুদ্ধে টাকা দাবি বা গাড়ি আত্মসাতের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, যাচাই-বাছাই ছাড়া পুলিশের কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা। এ ধরনের মিথ্যা ও মানহানিকর অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

— আরএমপি মিডিয়া

এসআই রাজু মিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ ভিত্তিহীন
আইন মেনেই হয়েছে গ্রেপ্তার ও তদন্ত
◀ বিস্তারিত কমেন্ট ▶
dailyupochar.com
২৫ জুলাই ২০২৬