বৃহস্পতিবার , ২৩ জুলাই ২০২৬
হোমরাজশাহীঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের জন্মস্থান রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাইলেন এলাকাবাসী

ঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের জন্মস্থান রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাইলেন এলাকাবাসী

favicon
পাবনা প্রতিনিধি :
ঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের জন্মস্থান রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাইলেন এলাকাবাসী

পাবনার হিমাইতপুরে শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের জন্মস্থানের ০.১৫ একর জমি সংশ্লিষ্ট সৎসঙ্গ আশ্রমের কাছে হস্তান্তর এবং সেখানে ধর্মীয় কার্যক্রম নির্বিঘ্নে পরিচালনার দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এ দাবিতে ৫৪৭ জনের স্বাক্ষরসংবলিত একটি স্মারকলিপি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানোর জন্য জমা দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২২ জুলাই) সকালে শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্র সৎসঙ্গ আশ্রম এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ একটি র‌্যালি নিয়ে পাবনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে সমবেত হন। পরে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে তারা জেলা প্রশাসকের উদ্দেশে স্মারকলিপি জমা দেন। জেলা প্রশাসকের অনুপস্থিতিতে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মনিরুজ্জামান আবেদনপত্রটি গ্রহণ করেন।

সমাবেশে বক্তব্য দেন স্থানীয় প্রতিনিধি আফজাল হোসেন, মান্নান মালিথা ও আবুল কালামসহ অন্যরা। বক্তারা বলেন, হিমাইতপুরে অবস্থিত শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্র সৎসঙ্গ দীর্ঘদিন ধরে শান্তিপূর্ণ ও আইনসম্মতভাবে ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিষ্ঠানটি স্থানীয় মানুষের আস্থা ও শ্রদ্ধা অর্জন করেছে এবং এর বিভিন্ন সেবামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বহু মানুষ উপকৃত হচ্ছেন।

বক্তাদের অভিযোগ, সম্প্রতি কিছু বহিরাগত ব্যক্তি এবং একটি ভারতীয় সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন আশ্রমের নিয়মিত ধর্মীয় কার্যক্রমে বিঘ্ন সৃষ্টি করছেন। একই সঙ্গে তারা শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের জন্মস্থান হিসেবে পরিচিত জমি দখলের অপচেষ্টা চালাচ্ছেন বলেও দাবি করেন। এ পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময়ে শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্র সৎসঙ্গের নামে বরাদ্দ দেওয়া জন্মস্থানের ০.১৫ একর জমি আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর এবং আশ্রমের কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখার জন্য প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।

স্মারকলিপি গ্রহণের পর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মনিরুজ্জামান জানান, জেলা প্রশাসক বর্তমানে কার্যালয়ে না থাকায় তার পক্ষে আবেদনটি গ্রহণ করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক ফিরে এলে তাঁর নির্দেশনা অনুযায়ী স্মারকলিপিটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হবে। পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত নির্দেশনা অনুসারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রয়োজনে এটিকে আরও সংবাদপত্র উপযোগী বা টেলিভিশন নিউজ স্ক্রিপ্টের ধরনে রূপান্তরও করা যেতে পারে।

ঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের জন্মস্থান রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাইলেন এলাকাবাসী
◀ বিস্তারিত কমেন্ট ▶
dailyupochar.com
২২ জুলাই ২০২৬
দৈনিক উপচার
 বৃহস্পতিবার , ২৩ জুলাই ২০২৬
হোমরাজশাহীঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের জন্মস্থান রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাইলেন এলাকাবাসী

ঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের জন্মস্থান রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাইলেন এলাকাবাসী

favicon
পাবনা প্রতিনিধি :
ঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের জন্মস্থান রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাইলেন এলাকাবাসী

পাবনার হিমাইতপুরে শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের জন্মস্থানের ০.১৫ একর জমি সংশ্লিষ্ট সৎসঙ্গ আশ্রমের কাছে হস্তান্তর এবং সেখানে ধর্মীয় কার্যক্রম নির্বিঘ্নে পরিচালনার দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এ দাবিতে ৫৪৭ জনের স্বাক্ষরসংবলিত একটি স্মারকলিপি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানোর জন্য জমা দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২২ জুলাই) সকালে শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্র সৎসঙ্গ আশ্রম এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ একটি র‌্যালি নিয়ে পাবনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে সমবেত হন। পরে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে তারা জেলা প্রশাসকের উদ্দেশে স্মারকলিপি জমা দেন। জেলা প্রশাসকের অনুপস্থিতিতে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মনিরুজ্জামান আবেদনপত্রটি গ্রহণ করেন।

সমাবেশে বক্তব্য দেন স্থানীয় প্রতিনিধি আফজাল হোসেন, মান্নান মালিথা ও আবুল কালামসহ অন্যরা। বক্তারা বলেন, হিমাইতপুরে অবস্থিত শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্র সৎসঙ্গ দীর্ঘদিন ধরে শান্তিপূর্ণ ও আইনসম্মতভাবে ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিষ্ঠানটি স্থানীয় মানুষের আস্থা ও শ্রদ্ধা অর্জন করেছে এবং এর বিভিন্ন সেবামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বহু মানুষ উপকৃত হচ্ছেন।

বক্তাদের অভিযোগ, সম্প্রতি কিছু বহিরাগত ব্যক্তি এবং একটি ভারতীয় সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন আশ্রমের নিয়মিত ধর্মীয় কার্যক্রমে বিঘ্ন সৃষ্টি করছেন। একই সঙ্গে তারা শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের জন্মস্থান হিসেবে পরিচিত জমি দখলের অপচেষ্টা চালাচ্ছেন বলেও দাবি করেন। এ পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময়ে শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্র সৎসঙ্গের নামে বরাদ্দ দেওয়া জন্মস্থানের ০.১৫ একর জমি আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর এবং আশ্রমের কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখার জন্য প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।

স্মারকলিপি গ্রহণের পর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মনিরুজ্জামান জানান, জেলা প্রশাসক বর্তমানে কার্যালয়ে না থাকায় তার পক্ষে আবেদনটি গ্রহণ করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক ফিরে এলে তাঁর নির্দেশনা অনুযায়ী স্মারকলিপিটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হবে। পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত নির্দেশনা অনুসারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রয়োজনে এটিকে আরও সংবাদপত্র উপযোগী বা টেলিভিশন নিউজ স্ক্রিপ্টের ধরনে রূপান্তরও করা যেতে পারে।

ঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের জন্মস্থান রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাইলেন এলাকাবাসী
◀ বিস্তারিত কমেন্ট ▶
dailyupochar.com
২২ জুলাই ২০২৬