রাজশাহীতে নববধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ঘটনায় মামলা দায়ের
রাজশাহীর চারঘাটে এক নববধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে তিনজনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেছেন। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছে।
বুধবার (২২ জুলাই) চারঘাট মডেল থানায় এ মামলাটি করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চারঘাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মালেক।
থানায় দায়ের করা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাত প্রায় ৯টার দিকে উপজেলার ইউসুফপুর ইউনিয়নের ওই নববধূ মসজিদে আরবি পড়া শেষে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে কয়েকজন যুবক তার গতিরোধ করে পাশের একটি পাটক্ষেতে নিয়ে যায়। সেখানে অভিযুক্তরা তাকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
পরে ভুক্তভোগী বাড়িতে ফিরে ঘটনাটি তার মাকে জানান। তিনি অভিযোগ করেন, একই গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে লিমন ইসলাম (২২), জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে শিটু আলম (১৮) এবং সাবিবুর রহমানের ছেলে শিবা রহমান (১৬) এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত।
মেয়ের কাছ থেকে বিষয়টি জানার পর বুধবার সকালে তাকে চারঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়। পরে ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে চারঘাট মডেল থানায় তিনজনের নাম উল্লেখ করে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।
চারঘাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মালেক বলেন, এ ঘটনায় মামলা রুজু হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বুধবার (২২ জুলাই) চারঘাট মডেল থানায় এ মামলাটি করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চারঘাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মালেক।
থানায় দায়ের করা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাত প্রায় ৯টার দিকে উপজেলার ইউসুফপুর ইউনিয়নের ওই নববধূ মসজিদে আরবি পড়া শেষে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে কয়েকজন যুবক তার গতিরোধ করে পাশের একটি পাটক্ষেতে নিয়ে যায়। সেখানে অভিযুক্তরা তাকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
পরে ভুক্তভোগী বাড়িতে ফিরে ঘটনাটি তার মাকে জানান। তিনি অভিযোগ করেন, একই গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে লিমন ইসলাম (২২), জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে শিটু আলম (১৮) এবং সাবিবুর রহমানের ছেলে শিবা রহমান (১৬) এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত।
মেয়ের কাছ থেকে বিষয়টি জানার পর বুধবার সকালে তাকে চারঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়। পরে ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে চারঘাট মডেল থানায় তিনজনের নাম উল্লেখ করে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।
চারঘাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মালেক বলেন, এ ঘটনায় মামলা রুজু হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।