বুধবার , ০৩ জুন ২০২৬
হোমরাজশাহীউদ্বোধনের আগেই ফাটল রাবির নতুন আবাসিক হলে
নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কায় শিক্ষার্থীরা

উদ্বোধনের আগেই ফাটল রাবির নতুন আবাসিক হলে

favicon
রাবি প্রতিনিধি :
উদ্বোধনের আগেই ফাটল রাবির নতুন আবাসিক হলে

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট নিরসনে নির্মাণাধীন আধুনিক আবাসিক হল উদ্বোধনের আগেই নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। প্রায় ৭৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিতব্য ১০ তলাবিশিষ্ট আবাসিক ভবনের বিভিন্ন দেয়াল ও পিলারে ফাটল দেখা দেওয়ায় ভবনটির নির্মাণমান ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা। মেরামতের পরও কয়েকটি স্থানে পলেস্তারা খসে পড়ার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে ভবনটিতে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের মধ্যে শঙ্কা ও উৎকণ্ঠা তৈরি হয়েছে।

এর আগেও নির্মাণাধীন হলটি নানা কারণে আলোচনায় আসে। ২০২৪ সালের ৩০ জানুয়ারি হলটির অডিটোরিয়ামের ছাদ ঢালাইয়ের সময় একটি অংশ ধসে পড়ে অন্তত নয়জন শ্রমিক আহত হন। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও ভবনের বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দেওয়ায় নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে নির্মাণকাজের গুণগত মান নিয়ে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দফতর সূত্রে জানা গেছে, ১০ তলাবিশিষ্ট আবাসিক হল এবং ২০ তলা বিজ্ঞান ভবনের নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করছে আলোচিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মজিদ সন্স কনস্ট্রাকশন লিমিটেড। আবাসিক হলটির নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৭০ কোটি টাকা এবং ২০ তলাবিশিষ্ট বিজ্ঞান ভবনের জন্য বরাদ্দ রয়েছে ১৫৩ কোটি টাকা। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভবন দুটির নির্মাণকাজ শেষ করতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি।

নির্মাণকাজ চলাকালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনাও ঘটে। এছাড়া ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালামালবাহী ট্রাকের চাপায় হিমেল নামে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনাও বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। বিভিন্ন সময়ে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে অব্যবস্থাপনা ও অনিয়মের অভিযোগও উঠেছে।

প্রায় ২৪ হাজার বর্গমিটার আয়তনের এই আবাসিক হলে এক হাজার ১০০ শিক্ষার্থীর আবাসনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। হলটিতে চারটি আধুনিক লিফট, একটি বড় মসজিদ এবং প্রায় ৩০০ আসনবিশিষ্ট অডিটোরিয়াম রয়েছে। পাশাপাশি লাইব্রেরি, রিডিং রুম, জিমনেসিয়াম ও ইনডোর গেমসের সুবিধাও রাখা হয়েছে। নিচতলায় রয়েছে গ্রিন জোন ও স্থায়ী দোকানের ব্যবস্থা।

নির্মাণাধীন হলটির নাম নিয়েও বিভিন্ন সময়ে আলোচনা হয়েছে। প্রথমে এর নাম রাখা হয়েছিল ‘শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামান হল’। পরে জুলাই আন্দোলনের পর শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে এটি ‘সাকিব-রায়হান হল’ নামে পরিচিতি পায়। সর্বশেষ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন হলটির চূড়ান্ত নাম ঘোষণা করে ‘বিজয় ৭১ হল’।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে হলটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। একাধিকবার সময়সীমা বাড়ানোর পরও পাঁচ বছরেও ভবনটি পুরোপুরি চালু করা সম্ভব হয়নি। গত বছরের ডিসেম্বরেই শিক্ষার্থীদের জন্য হলটি উন্মুক্ত করার পরিকল্পনা থাকলেও কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। এর মধ্যেই বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দেওয়ায় নতুন করে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ও হল সংসদের সহবিতর্ক ও সাহিত্য সম্পাদক শাহরিয়ার হাসান বলেন, “শেরেবাংলা হলে ফাটল দেখা দেওয়ায় আমাদের সাময়িকভাবে নতুন হলে স্থানান্তর করা হয়েছে। কিন্তু এখানে এসেও বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখতে পাচ্ছি। বিষয়টি উদ্বেগজনক। এটি নির্মাণকাজে অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিফলন বলে মনে হচ্ছে। দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।”

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. মিনহাজুল আলম বলেন, “ফাটলগুলো মূলত তাপমাত্রাজনিত কারণে হয়ে থাকতে পারে। আমরা সংশ্লিষ্ট স্থানগুলো পরীক্ষা করে দেখব। এগুলো মেরামতযোগ্য এবং বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।”

পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দফতরের পরিচালক এস. এম. ওবায়দুল ইসলাম বলেন, “ভবনের কাঠামোগত নিরাপত্তার জন্য তাৎক্ষণিক কোনো ঝুঁকি রয়েছে বলে মনে হচ্ছে না। বিম ও দেয়ালের সংযোগস্থল কিংবা প্লাস্টারের বিভিন্ন অংশে এ ধরনের ফাটল দেখা দিতে পারে। ইতোমধ্যে প্রকৌশলীদের একটি দল সরেজমিনে পরিদর্শন করেছে এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, “সাম্প্রতিক ভূমিকম্পের প্রেক্ষাপটে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব আবাসিক হলের ঝুঁকি মূল্যায়ন করা হবে। বিশেষজ্ঞদের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নতুন হলের নির্মাণকাজে কোনো ধরনের গাফিলতি বা অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে তদন্ত কমিটি গঠন করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

তিনি আরও বলেন, “উদ্বোধনের নির্ধারিত সময় ইতোমধ্যে পেরিয়ে গেছে। তবে কাজ দ্রুত শেষ করার নামে কোনো ধরনের গাফিলতি বা মানহীনতা মেনে নেওয়া হবে না। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ হলটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। পরে ২০২২ সালের ২ জানুয়ারি ভবনটির নির্মাণকাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। উদ্বোধনের আগেই ভবনের বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দেওয়ার ঘটনায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট মহলে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। এখন সবার নজর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের তদন্ত ও পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।

উদ্বোধনের আগেই ফাটল রাবির নতুন আবাসিক হলে
নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কায় শিক্ষার্থীরা
◀ বিস্তারিত কমেন্ট ▶
dailyupochar.com
০২ জুন ২০২৬
দৈনিক উপচার
 বুধবার , ০৩ জুন ২০২৬
হোমরাজশাহীউদ্বোধনের আগেই ফাটল রাবির নতুন আবাসিক হলে
নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কায় শিক্ষার্থীরা

উদ্বোধনের আগেই ফাটল রাবির নতুন আবাসিক হলে

favicon
রাবি প্রতিনিধি :
উদ্বোধনের আগেই ফাটল রাবির নতুন আবাসিক হলে

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট নিরসনে নির্মাণাধীন আধুনিক আবাসিক হল উদ্বোধনের আগেই নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। প্রায় ৭৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিতব্য ১০ তলাবিশিষ্ট আবাসিক ভবনের বিভিন্ন দেয়াল ও পিলারে ফাটল দেখা দেওয়ায় ভবনটির নির্মাণমান ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা। মেরামতের পরও কয়েকটি স্থানে পলেস্তারা খসে পড়ার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে ভবনটিতে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের মধ্যে শঙ্কা ও উৎকণ্ঠা তৈরি হয়েছে।

এর আগেও নির্মাণাধীন হলটি নানা কারণে আলোচনায় আসে। ২০২৪ সালের ৩০ জানুয়ারি হলটির অডিটোরিয়ামের ছাদ ঢালাইয়ের সময় একটি অংশ ধসে পড়ে অন্তত নয়জন শ্রমিক আহত হন। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও ভবনের বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দেওয়ায় নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে নির্মাণকাজের গুণগত মান নিয়ে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দফতর সূত্রে জানা গেছে, ১০ তলাবিশিষ্ট আবাসিক হল এবং ২০ তলা বিজ্ঞান ভবনের নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করছে আলোচিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মজিদ সন্স কনস্ট্রাকশন লিমিটেড। আবাসিক হলটির নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৭০ কোটি টাকা এবং ২০ তলাবিশিষ্ট বিজ্ঞান ভবনের জন্য বরাদ্দ রয়েছে ১৫৩ কোটি টাকা। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভবন দুটির নির্মাণকাজ শেষ করতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি।

নির্মাণকাজ চলাকালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনাও ঘটে। এছাড়া ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালামালবাহী ট্রাকের চাপায় হিমেল নামে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনাও বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। বিভিন্ন সময়ে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে অব্যবস্থাপনা ও অনিয়মের অভিযোগও উঠেছে।

প্রায় ২৪ হাজার বর্গমিটার আয়তনের এই আবাসিক হলে এক হাজার ১০০ শিক্ষার্থীর আবাসনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। হলটিতে চারটি আধুনিক লিফট, একটি বড় মসজিদ এবং প্রায় ৩০০ আসনবিশিষ্ট অডিটোরিয়াম রয়েছে। পাশাপাশি লাইব্রেরি, রিডিং রুম, জিমনেসিয়াম ও ইনডোর গেমসের সুবিধাও রাখা হয়েছে। নিচতলায় রয়েছে গ্রিন জোন ও স্থায়ী দোকানের ব্যবস্থা।

নির্মাণাধীন হলটির নাম নিয়েও বিভিন্ন সময়ে আলোচনা হয়েছে। প্রথমে এর নাম রাখা হয়েছিল ‘শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামান হল’। পরে জুলাই আন্দোলনের পর শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে এটি ‘সাকিব-রায়হান হল’ নামে পরিচিতি পায়। সর্বশেষ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন হলটির চূড়ান্ত নাম ঘোষণা করে ‘বিজয় ৭১ হল’।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে হলটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। একাধিকবার সময়সীমা বাড়ানোর পরও পাঁচ বছরেও ভবনটি পুরোপুরি চালু করা সম্ভব হয়নি। গত বছরের ডিসেম্বরেই শিক্ষার্থীদের জন্য হলটি উন্মুক্ত করার পরিকল্পনা থাকলেও কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। এর মধ্যেই বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দেওয়ায় নতুন করে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ও হল সংসদের সহবিতর্ক ও সাহিত্য সম্পাদক শাহরিয়ার হাসান বলেন, “শেরেবাংলা হলে ফাটল দেখা দেওয়ায় আমাদের সাময়িকভাবে নতুন হলে স্থানান্তর করা হয়েছে। কিন্তু এখানে এসেও বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখতে পাচ্ছি। বিষয়টি উদ্বেগজনক। এটি নির্মাণকাজে অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিফলন বলে মনে হচ্ছে। দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।”

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. মিনহাজুল আলম বলেন, “ফাটলগুলো মূলত তাপমাত্রাজনিত কারণে হয়ে থাকতে পারে। আমরা সংশ্লিষ্ট স্থানগুলো পরীক্ষা করে দেখব। এগুলো মেরামতযোগ্য এবং বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।”

পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দফতরের পরিচালক এস. এম. ওবায়দুল ইসলাম বলেন, “ভবনের কাঠামোগত নিরাপত্তার জন্য তাৎক্ষণিক কোনো ঝুঁকি রয়েছে বলে মনে হচ্ছে না। বিম ও দেয়ালের সংযোগস্থল কিংবা প্লাস্টারের বিভিন্ন অংশে এ ধরনের ফাটল দেখা দিতে পারে। ইতোমধ্যে প্রকৌশলীদের একটি দল সরেজমিনে পরিদর্শন করেছে এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, “সাম্প্রতিক ভূমিকম্পের প্রেক্ষাপটে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব আবাসিক হলের ঝুঁকি মূল্যায়ন করা হবে। বিশেষজ্ঞদের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নতুন হলের নির্মাণকাজে কোনো ধরনের গাফিলতি বা অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে তদন্ত কমিটি গঠন করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

তিনি আরও বলেন, “উদ্বোধনের নির্ধারিত সময় ইতোমধ্যে পেরিয়ে গেছে। তবে কাজ দ্রুত শেষ করার নামে কোনো ধরনের গাফিলতি বা মানহীনতা মেনে নেওয়া হবে না। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ হলটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। পরে ২০২২ সালের ২ জানুয়ারি ভবনটির নির্মাণকাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। উদ্বোধনের আগেই ভবনের বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দেওয়ার ঘটনায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট মহলে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। এখন সবার নজর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের তদন্ত ও পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।

উদ্বোধনের আগেই ফাটল রাবির নতুন আবাসিক হলে
নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কায় শিক্ষার্থীরা
◀ বিস্তারিত কমেন্ট ▶
dailyupochar.com
০২ জুন ২০২৬