রাজশাহী মেডিকেলে নতুন পরিচালককে শুভেচ্ছা জানাতে তানোরের আওয়ামী লীগ নেতারা
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের নতুন পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পিকেএম মাসুদ-উল-ইসলাম-কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানাতে তানোর উপজেলার আওয়ামী লীগ,যুবলীগসহ এর অঙ্গ সংগঠনের নেতারা শনিবার দুপুরে হাসপাতালের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়েছেন। সাক্ষাতের ছবি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে ব্যাপক আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে।
সাক্ষাতে উপস্থিত ছিলেন,তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি গোলাম রাব্বানীর ছোট ভাই ও উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি শরিফুল ইসলাম, সরনজাই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার সাদাত সাজ্জাদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও সাবেক চেয়ারম্যান মোসলেম, উপজেলা কৃষক লীগের সাবেক সভাপতি নজরুল ইসলাম, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক তোফাজ্জল হক খাঁন, যুবলীগ সদস্য আব্দুল বারী, যুবলীগ নেতা রাসেল রানা এবং কৃষকলীগ নেতা তাহসেন আহ্মেদ।
ঘটনার প্রেক্ষাপটে এনসিপি রাজশাহী মহানগরের আহ্বায়ক মোবাশ্বের আলী বলেন, “যদি এটি জেনে বা অজ্ঞাতসারে করা হয়ে থাকে, তা তীব্র নিন্দার যোগ্য। আমরা এ বিষয়ে ব্যাখ্যা চাই।”
রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পিকেএম মাসুদ-উল-ইসলাম সাক্ষাতের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “আমার বাড়ি তানোর। পরিচিত তানোরবাসীরা আমার সঙ্গে দেখা করতে আসবে বলেছিল। তারা কোনো দলীয় ব্যানারে আসেননি, শুধুমাত্র ব্যক্তিগত শুভেচ্ছা জানিয়েছে। আমি সবসময় সবার জন্য স্বাগত জানাই। আমার দায়িত্ব রাজশাহী অঞ্চলের মানুষের সেবা করা।”
পরিচালক আরও উল্লেখ করেন, তিনি বিএনপি নেতা মাহফুজুর রহমান রিটনকেও সাক্ষাতের আমন্ত্রণ জানাতে প্রস্তুত আছেন এবং দল-মত নির্বিশেষে সকলের সঙ্গে দেখা করেন। তিনি বলেন, “যে কোনো ব্যক্তি সম্মানজনকভাবে পরিচয় দিয়ে আসলে তাকে স্বাগত জানাই। প্রশাসন ও হাসপাতালের কাজকে রাজনৈতিকভাবে দেখা উচিত নয়।”
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ে নতুন কর্মকর্তাদের সঙ্গে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের সাক্ষাৎ স্বাভাবিক হলেও দলীয় পরিচয় প্রকাশিত হলে তা রাজনৈতিক বিতর্ক ও সমালোচনার জন্ম দিতে পারে। সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে, বিশেষত নির্বাচনী প্রেক্ষাপটে এ ধরনের সাক্ষাতের ছবি বিভাজন তৈরি করতে পারে।
এনসিপির রাজশাহী মহানগরের আহ্বায়ক মোবাশ্বের আলী বলেন, আমরা এমন সাক্ষাতের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। তিনি (পরিচালক) এটা জেনে করলেন না-কি অজ্ঞাতসারে এটা হয়েছে, আমরা তার ব্যাখা চাই।
সাক্ষাতে উপস্থিত ছিলেন,তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি গোলাম রাব্বানীর ছোট ভাই ও উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি শরিফুল ইসলাম, সরনজাই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার সাদাত সাজ্জাদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও সাবেক চেয়ারম্যান মোসলেম, উপজেলা কৃষক লীগের সাবেক সভাপতি নজরুল ইসলাম, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক তোফাজ্জল হক খাঁন, যুবলীগ সদস্য আব্দুল বারী, যুবলীগ নেতা রাসেল রানা এবং কৃষকলীগ নেতা তাহসেন আহ্মেদ।
ঘটনার প্রেক্ষাপটে এনসিপি রাজশাহী মহানগরের আহ্বায়ক মোবাশ্বের আলী বলেন, “যদি এটি জেনে বা অজ্ঞাতসারে করা হয়ে থাকে, তা তীব্র নিন্দার যোগ্য। আমরা এ বিষয়ে ব্যাখ্যা চাই।”
রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পিকেএম মাসুদ-উল-ইসলাম সাক্ষাতের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “আমার বাড়ি তানোর। পরিচিত তানোরবাসীরা আমার সঙ্গে দেখা করতে আসবে বলেছিল। তারা কোনো দলীয় ব্যানারে আসেননি, শুধুমাত্র ব্যক্তিগত শুভেচ্ছা জানিয়েছে। আমি সবসময় সবার জন্য স্বাগত জানাই। আমার দায়িত্ব রাজশাহী অঞ্চলের মানুষের সেবা করা।”
পরিচালক আরও উল্লেখ করেন, তিনি বিএনপি নেতা মাহফুজুর রহমান রিটনকেও সাক্ষাতের আমন্ত্রণ জানাতে প্রস্তুত আছেন এবং দল-মত নির্বিশেষে সকলের সঙ্গে দেখা করেন। তিনি বলেন, “যে কোনো ব্যক্তি সম্মানজনকভাবে পরিচয় দিয়ে আসলে তাকে স্বাগত জানাই। প্রশাসন ও হাসপাতালের কাজকে রাজনৈতিকভাবে দেখা উচিত নয়।”
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ে নতুন কর্মকর্তাদের সঙ্গে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের সাক্ষাৎ স্বাভাবিক হলেও দলীয় পরিচয় প্রকাশিত হলে তা রাজনৈতিক বিতর্ক ও সমালোচনার জন্ম দিতে পারে। সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে, বিশেষত নির্বাচনী প্রেক্ষাপটে এ ধরনের সাক্ষাতের ছবি বিভাজন তৈরি করতে পারে।
এনসিপির রাজশাহী মহানগরের আহ্বায়ক মোবাশ্বের আলী বলেন, আমরা এমন সাক্ষাতের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। তিনি (পরিচালক) এটা জেনে করলেন না-কি অজ্ঞাতসারে এটা হয়েছে, আমরা তার ব্যাখা চাই।