শুক্রবার , ০৬ মার্চ ২০২৬
হোমআজকের শীর্ষ সংবাদ‘বহুমাত্রিক বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে অমর একুশে বইমেলার উদ্বোধন, চলবে ১৫ মার্চ পর্যন্ত

‘বহুমাত্রিক বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে অমর একুশে বইমেলার উদ্বোধন, চলবে ১৫ মার্চ পর্যন্ত

favicon
উপচার ডেস্ক :-
‘বহুমাত্রিক বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে অমর একুশে বইমেলার উদ্বোধন, চলবে ১৫ মার্চ পর্যন্ত
বৃহস্পতিবার বেলা ২টায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অমর একুশে বইমেলা-২০২৬ এর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বাঙালির চিরায়ত সংস্কৃতি ও ভাষা আন্দোলনের চেতনাকে ধারণ করে শুরু হয়েছে অমর একুশে বইমেলা, ২০২৬। এবারের বইমেলার মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে— ‘বহুমাত্রিক বাংলাদেশ’।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ বৃহস্পতিবার বেলা ২টায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বইমেলার উদ্বোধন করেন। 

এ সময় তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৫ প্রদান করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, বইমেলা শুধু বই বিপণনের স্থান নয়, এটি আমাদের ঐতিহ্যের অংশ। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন আমাদের শিখিয়েছে যে ভাষা আমাদের প্রাণ, আমাদের অস্তিত্ব ও স্বাধীনতার উচ্চারণ। ভাষা আন্দোলনের চেতনা থেকেই বইমেলার জন্ম।

তিনি আরও বলেন, প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির এই সময়ে আমরা যেন বই থেকে বিমুখ না হই। বই জ্ঞানের আলোকবর্তিকা, যা একটি জাতির মানসিক বিকাশ ও মানবিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। 

নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, নবগঠিত সরকার সাহিত্য-সংস্কৃতি চর্চা বিস্তার, নতুন লেখকদের উৎসাহ প্রদান, গবেষণা ও অনুবাদ কার্যক্রম উন্নয়ন এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বাংলা ভাষার সমৃদ্ধ উপস্থিতি নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন, গীতা, বাইবেল ও ত্রিপিটক পাঠ করা হয়। 

জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের পর সমবেত কণ্ঠে গাওয়া হয় অমর একুশের গান ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’।

স্বাগত বক্তব্যে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম বলেন, ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগের সঙ্গে বাংলা একাডেমি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। 

এ সময় মহান মুক্তিযুদ্ধসহ বিভিন্ন গণ-আন্দোলনে শহীদদের অবদান স্মরণ করে তিনি বলেন, নতুন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সাংস্কৃতিক চেতনার ভিত্তিতেই এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

তিনি জানান, সরকারের দৃঢ় প্রত্যয়, মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগ ও প্রকাশকদের সহযোগিতায় এবারের বইমেলার আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে। 

রোজা ও ঈদের আবহে বইমেলা নতুন অভিজ্ঞতা এনে দেবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন। 

অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির সভাপতি মো. রেজাউল করিম বাদশা ও সংস্কৃতি সচিব মো. মফিদুর রহমান।

উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন। পরে মেলা সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।

মেলা ১৫ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন (ছুটির দিন ছাড়া) বেলা ২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলবে। 

রাত সাড়ে ৮টার পর নতুন করে কেউ প্রবেশ করতে পারবেন না। ছুটির দিনে মেলা চলবে সকাল ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত।

বাংলা একাডেমি সূত্রে জানা যায়, এবারের মেলায় মোট ৫৪৯টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করছে। এর মধ্যে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ৮১টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ৪৬৮টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। মোট ইউনিট সংখ্যা ১ হাজার ১৮টি। গত বছর অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান ছিল ৭০৮টি এবং ইউনিট ছিল ১ হাজার ৮৪টি।

এবারের বইমেলাকে পরিবেশবান্ধব ও ‘জিরো ওয়েস্ট বইমেলা’ হিসেবে গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 

পলিথিন ও ধূমপানমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতের পাশাপাশি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, ধূলি নিয়ন্ত্রণ ও মশক নিধনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। স্টল নির্মাণে পাট, কাপড় ও কাগজসহ পুনর্ব্যবহারযোগ্য উপকরণ ব্যবহারে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের উন্মুক্ত মঞ্চসংলগ্ন এলাকায় লিটল ম্যাগাজিন চত্বর স্থাপন করা হয়েছে, যেখানে ৮৭টি লিটল ম্যাগাজিনের স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। 

শিশুচত্বরে ৬৩টি প্রতিষ্ঠান ১০৭টি ইউনিট নিয়ে অংশ নিচ্ছে। প্রতি শুক্র ও শনিবার সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ‘শিশুপ্রহর’ পালিত হবে।

প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত সেমিনার এবং ৪টা থেকে ৫টা পর্যন্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। 

এছাড়া শিশুকিশোর চিত্রাঙ্কন, আবৃত্তি ও সংগীত প্রতিযোগিতার আয়োজন থাকছে।

নিরাপত্তা নিশ্চিতে মেলাপ্রাঙ্গণে পর্যাপ্ত সংখ্যক সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছে বাংলাদেশ পুলিশ, র‌্যাব, আনসার ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা।

এছাড়া সেরা প্রকাশনা ও নান্দনিক স্টল সাজসজ্জার জন্য ‘চিত্তরঞ্জন সাহা স্মৃতি পুরস্কার’, ‘মুনীর চৌধুরী স্মৃতি পুরস্কার’, ‘রোকনুজ্জামান খান দাদাভাই স্মৃতি পুরস্কার’ ও ‘কাইয়ুম চৌধুরী স্মৃতি পুরস্কার’ প্রদান করা হবে। 

এ বছর নতুনভাবে প্রবর্তন করা হয়েছে ‘সরদার জয়েনউদ্দীন স্মৃতি পুরস্কার’, যা নতুন অংশগ্রহণকারী প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের মধ্য থেকে গুণগত মানের ভিত্তিতে প্রদান করা হবে।


‘বহুমাত্রিক বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে অমর একুশে বইমেলার উদ্বোধন, চলবে ১৫ মার্চ পর্যন্ত
◀ বিস্তারিত কমেন্ট ▶
dailyupochar.com
২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
দৈনিক উপচার
 শুক্রবার , ০৬ মার্চ ২০২৬
হোমআজকের শীর্ষ সংবাদ‘বহুমাত্রিক বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে অমর একুশে বইমেলার উদ্বোধন, চলবে ১৫ মার্চ পর্যন্ত

‘বহুমাত্রিক বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে অমর একুশে বইমেলার উদ্বোধন, চলবে ১৫ মার্চ পর্যন্ত

favicon
উপচার ডেস্ক :-
‘বহুমাত্রিক বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে অমর একুশে বইমেলার উদ্বোধন, চলবে ১৫ মার্চ পর্যন্ত
বৃহস্পতিবার বেলা ২টায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অমর একুশে বইমেলা-২০২৬ এর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বাঙালির চিরায়ত সংস্কৃতি ও ভাষা আন্দোলনের চেতনাকে ধারণ করে শুরু হয়েছে অমর একুশে বইমেলা, ২০২৬। এবারের বইমেলার মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে— ‘বহুমাত্রিক বাংলাদেশ’।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ বৃহস্পতিবার বেলা ২টায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বইমেলার উদ্বোধন করেন। 

এ সময় তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৫ প্রদান করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, বইমেলা শুধু বই বিপণনের স্থান নয়, এটি আমাদের ঐতিহ্যের অংশ। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন আমাদের শিখিয়েছে যে ভাষা আমাদের প্রাণ, আমাদের অস্তিত্ব ও স্বাধীনতার উচ্চারণ। ভাষা আন্দোলনের চেতনা থেকেই বইমেলার জন্ম।

তিনি আরও বলেন, প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির এই সময়ে আমরা যেন বই থেকে বিমুখ না হই। বই জ্ঞানের আলোকবর্তিকা, যা একটি জাতির মানসিক বিকাশ ও মানবিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। 

নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, নবগঠিত সরকার সাহিত্য-সংস্কৃতি চর্চা বিস্তার, নতুন লেখকদের উৎসাহ প্রদান, গবেষণা ও অনুবাদ কার্যক্রম উন্নয়ন এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বাংলা ভাষার সমৃদ্ধ উপস্থিতি নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন, গীতা, বাইবেল ও ত্রিপিটক পাঠ করা হয়। 

জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের পর সমবেত কণ্ঠে গাওয়া হয় অমর একুশের গান ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’।

স্বাগত বক্তব্যে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম বলেন, ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগের সঙ্গে বাংলা একাডেমি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। 

এ সময় মহান মুক্তিযুদ্ধসহ বিভিন্ন গণ-আন্দোলনে শহীদদের অবদান স্মরণ করে তিনি বলেন, নতুন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সাংস্কৃতিক চেতনার ভিত্তিতেই এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

তিনি জানান, সরকারের দৃঢ় প্রত্যয়, মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগ ও প্রকাশকদের সহযোগিতায় এবারের বইমেলার আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে। 

রোজা ও ঈদের আবহে বইমেলা নতুন অভিজ্ঞতা এনে দেবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন। 

অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির সভাপতি মো. রেজাউল করিম বাদশা ও সংস্কৃতি সচিব মো. মফিদুর রহমান।

উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন। পরে মেলা সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।

মেলা ১৫ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন (ছুটির দিন ছাড়া) বেলা ২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলবে। 

রাত সাড়ে ৮টার পর নতুন করে কেউ প্রবেশ করতে পারবেন না। ছুটির দিনে মেলা চলবে সকাল ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত।

বাংলা একাডেমি সূত্রে জানা যায়, এবারের মেলায় মোট ৫৪৯টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করছে। এর মধ্যে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ৮১টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ৪৬৮টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। মোট ইউনিট সংখ্যা ১ হাজার ১৮টি। গত বছর অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান ছিল ৭০৮টি এবং ইউনিট ছিল ১ হাজার ৮৪টি।

এবারের বইমেলাকে পরিবেশবান্ধব ও ‘জিরো ওয়েস্ট বইমেলা’ হিসেবে গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 

পলিথিন ও ধূমপানমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতের পাশাপাশি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, ধূলি নিয়ন্ত্রণ ও মশক নিধনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। স্টল নির্মাণে পাট, কাপড় ও কাগজসহ পুনর্ব্যবহারযোগ্য উপকরণ ব্যবহারে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের উন্মুক্ত মঞ্চসংলগ্ন এলাকায় লিটল ম্যাগাজিন চত্বর স্থাপন করা হয়েছে, যেখানে ৮৭টি লিটল ম্যাগাজিনের স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। 

শিশুচত্বরে ৬৩টি প্রতিষ্ঠান ১০৭টি ইউনিট নিয়ে অংশ নিচ্ছে। প্রতি শুক্র ও শনিবার সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ‘শিশুপ্রহর’ পালিত হবে।

প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত সেমিনার এবং ৪টা থেকে ৫টা পর্যন্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। 

এছাড়া শিশুকিশোর চিত্রাঙ্কন, আবৃত্তি ও সংগীত প্রতিযোগিতার আয়োজন থাকছে।

নিরাপত্তা নিশ্চিতে মেলাপ্রাঙ্গণে পর্যাপ্ত সংখ্যক সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছে বাংলাদেশ পুলিশ, র‌্যাব, আনসার ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা।

এছাড়া সেরা প্রকাশনা ও নান্দনিক স্টল সাজসজ্জার জন্য ‘চিত্তরঞ্জন সাহা স্মৃতি পুরস্কার’, ‘মুনীর চৌধুরী স্মৃতি পুরস্কার’, ‘রোকনুজ্জামান খান দাদাভাই স্মৃতি পুরস্কার’ ও ‘কাইয়ুম চৌধুরী স্মৃতি পুরস্কার’ প্রদান করা হবে। 

এ বছর নতুনভাবে প্রবর্তন করা হয়েছে ‘সরদার জয়েনউদ্দীন স্মৃতি পুরস্কার’, যা নতুন অংশগ্রহণকারী প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের মধ্য থেকে গুণগত মানের ভিত্তিতে প্রদান করা হবে।


‘বহুমাত্রিক বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে অমর একুশে বইমেলার উদ্বোধন, চলবে ১৫ মার্চ পর্যন্ত
◀ বিস্তারিত কমেন্ট ▶
dailyupochar.com
২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬