শুক্রবার , ১৫ মে ২০২৬
হোমসারাদেশকুইজ আর গল্পে তথ্য অধিকার শিখল শিক্ষার্থীরা

কুইজ আর গল্পে তথ্য অধিকার শিখল শিক্ষার্থীরা

“তথ্য কি পাওয়া যায়?
favicon
স্টাফ রিপোর্টার :-
কুইজ আর গল্পে তথ্য অধিকার শিখল শিক্ষার্থীরা

“তথ্য চাইলে কি সত্যিই পাওয়া যায়?”এক শিক্ষার্থীর সরল এই প্রশ্নে মুহূর্তের জন্য থমকে গিয়েছিল মিলনায়তন। পরক্ষণেই মঞ্চ থেকে দৃঢ় কণ্ঠে উত্তর আসে, “তথ্য পাওয়া আপনার অধিকার।” সঙ্গে সঙ্গে করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো হলরুম। এমন প্রশ্ন-উত্তর, কুইজ আর বাস্তব জীবনের গল্পে প্রাণবন্ত পরিবেশে নওহাটা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সামনে অনুষ্ঠিত হলো তথ্য অধিকার বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন সভা, যেখানে তথ্য জানার অধিকার যে কেবল আইন নয়, বরং নাগরিক শক্তির উৎস-তা স্পষ্ট করে তুলে ধরা হয়।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই সভায় বক্তারা বলেন, তথ্য জানার অধিকার নিশ্চিত না হলে জবাবদিহিমূলক ও স্বচ্ছ রাষ্ট্রব্যবস্থা কল্পনাই করা যায় না। মানুষের জানার আগ্রহ স্বাভাবিক ও চিরন্তন, আর নাগরিক হিসেবে সেই জানার অধিকারই তথ্য অধিকার। বক্তারা ব্যাখ্যা করেন, তথ্য মানেই শক্তি-যা সুশাসন প্রতিষ্ঠা, অনিয়ম রোধ এবং দুর্নীতি দমনে কার্যকর ভূমিকা রাখে। জাতিসংঘ ও বাংলাদেশের সংবিধানে তথ্য অধিকারকে মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে; সংবিধানের ৩৯(১) অনুচ্ছেদেও নাগরিকের এই অধিকারের কথা উল্লেখ রয়েছে।

নাগরিকদের তথ্য জানার অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো এবং দুর্নীতি প্রতিরোধে তথ্য অধিকার আইনের কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই ওরিয়েন্টেশন সভার আয়োজন করে দ্য কার্টার সেন্টারের বাংলাদেশ কান্ট্রি অফিস। অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় দুর্নীতি দমন কমিশনের সততা সংঘের উদ্যোগে।

সভায় তথ্য অধিকার আইনের বাস্তব প্রয়োগের বেশ কয়েকটি উদাহরণ তুলে ধরা হয়। কোথাও উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয় সংক্রান্ত তথ্য চেয়ে অনিয়ম রোধের অভিজ্ঞতা, আবার কোথাও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে প্রকৃত উপকারভোগী নিশ্চিত করার গল্প শোনানো হয়। এসব বাস্তব ঘটনা শিক্ষার্থীদের কৌতূহলী করে তোলে এবং বোঝায় যে তথ্য অধিকার কাগুজে আইনে সীমাবদ্ধ নয়; এটি মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত।

আলোচনায় জানানো হয়, তথ্য অধিকার বা আরটিআই নাগরিকদের একটি মৌলিক গণতান্ত্রিক অধিকার, যার মাধ্যমে সরকারি ও নির্দিষ্ট বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে থাকা তথ্য জানা সম্ভব। বক্তারা তথ্য অধিকার আইন ২০০৯–এর পটভূমি, উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব তুলে ধরেন। পাশাপাশি তথ্যের সংজ্ঞা, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিয়োগ ও তাঁদের দায়িত্ব, তথ্য প্রদানে প্রতিষ্ঠানের বাধ্যবাধকতা, আবেদন দাখিলের নিয়ম, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উত্তর প্রদানের প্রক্রিয়া এবং আবেদন ফি সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের স্পষ্ট ধারণা দেওয়া হয়।

‘আইন জানো, অধিকার জানো’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত কুইজ প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ পুরো আয়োজনকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। সঠিক উত্তরে করতালি আর ভুল উত্তরে হাসিতে মিলনায়তন পরিণত হয় এক উন্মুক্ত ও আনন্দময় শিক্ষাঙ্গনে। আয়োজকদের মতে, অংশগ্রহণমূলক এই ধরনের আয়োজন তরুণদের মধ্যে আইন ও নাগরিক অধিকার বিষয়ে আগ্রহ তৈরি করতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

শিক্ষার্থীদের কণ্ঠেও উঠে আসে নতুন উপলব্ধির কথা। নওহাটা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী রিমতি বলেন, “আজকের আয়োজনের আগে তথ্য অধিকার বিষয়টি শুধু বইয়ের পাতায় ছিল। বাস্তব উদাহরণ আর কুইজের মাধ্যমে বুঝতে পেরেছি, তথ্য জানার মাধ্যমে কীভাবে অন্যায় ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে দাঁড়ানো যায়। এখন মনে হচ্ছে, আমরাও প্রশ্ন করতে পারি।” অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ইফাত বলেন, “আজ জানতে পারলাম, সাধারণ নাগরিক হিসেবেও সরকারি দপ্তর থেকে তথ্য চাওয়া আমাদের অধিকার। এই জ্ঞান আমাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে।”

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে দুর্নীতি দমন কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. ফজলুল বারী বলেন, তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ কার্যকরভাবে প্রয়োগ হলে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা বাড়ে এবং দুর্নীতির সুযোগ কমে যায়। তিনি বলেন, তথ্য অধিকার শুধু একটি আইন নয়, এটি নাগরিক ক্ষমতায়নের একটি শক্তিশালী মাধ্যম। শিক্ষার্থী ও তরুণদের মধ্যে এই বিষয়ে সচেতনতা তৈরি হলে ভবিষ্যতে জবাবদিহিমূলক ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়ে তোলা সহজ হবে।

স্বাগত বক্তব্যে দ্য কার্টার সেন্টারের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ শাম্মী লায়লা ইসলাম বলেন, সঠিক তথ্যই শক্তি। নারীদের তথ্য প্রাপ্তির অধিকারসহ তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করতে তথ্য অধিকার আইন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। অধিকার সম্পর্কে জানলেই তা সঠিকভাবে ব্যবহার করা সম্ভব—এ কথাও তিনি তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক তানভীর আহমেদ, নওহাটা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ওমর আলী এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি পবা উপজেলার সভাপতি মো. আখতার ফারুক। সভা শেষে শিক্ষার্থীদের চোখে-মুখে যে সচেতনতা ও আত্মবিশ্বাসের ঝিলিক দেখা যায়, তা ভবিষ্যতের দায়িত্বশীল ও অধিকার-সচেতন নাগরিক সমাজ গঠনেরই আশাব্যঞ্জক ইঙ্গিত দেয়।

কুইজ আর গল্পে তথ্য অধিকার শিখল শিক্ষার্থীরা
◀ বিস্তারিত কমেন্ট ▶
dailyupochar.com
২৭ জানুয়ারি ২০২৬
দৈনিক উপচার
 শুক্রবার , ১৫ মে ২০২৬
হোমসারাদেশকুইজ আর গল্পে তথ্য অধিকার শিখল শিক্ষার্থীরা

কুইজ আর গল্পে তথ্য অধিকার শিখল শিক্ষার্থীরা

“তথ্য কি পাওয়া যায়?
favicon
স্টাফ রিপোর্টার :-
কুইজ আর গল্পে তথ্য অধিকার শিখল শিক্ষার্থীরা

“তথ্য চাইলে কি সত্যিই পাওয়া যায়?”এক শিক্ষার্থীর সরল এই প্রশ্নে মুহূর্তের জন্য থমকে গিয়েছিল মিলনায়তন। পরক্ষণেই মঞ্চ থেকে দৃঢ় কণ্ঠে উত্তর আসে, “তথ্য পাওয়া আপনার অধিকার।” সঙ্গে সঙ্গে করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো হলরুম। এমন প্রশ্ন-উত্তর, কুইজ আর বাস্তব জীবনের গল্পে প্রাণবন্ত পরিবেশে নওহাটা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সামনে অনুষ্ঠিত হলো তথ্য অধিকার বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন সভা, যেখানে তথ্য জানার অধিকার যে কেবল আইন নয়, বরং নাগরিক শক্তির উৎস-তা স্পষ্ট করে তুলে ধরা হয়।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই সভায় বক্তারা বলেন, তথ্য জানার অধিকার নিশ্চিত না হলে জবাবদিহিমূলক ও স্বচ্ছ রাষ্ট্রব্যবস্থা কল্পনাই করা যায় না। মানুষের জানার আগ্রহ স্বাভাবিক ও চিরন্তন, আর নাগরিক হিসেবে সেই জানার অধিকারই তথ্য অধিকার। বক্তারা ব্যাখ্যা করেন, তথ্য মানেই শক্তি-যা সুশাসন প্রতিষ্ঠা, অনিয়ম রোধ এবং দুর্নীতি দমনে কার্যকর ভূমিকা রাখে। জাতিসংঘ ও বাংলাদেশের সংবিধানে তথ্য অধিকারকে মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে; সংবিধানের ৩৯(১) অনুচ্ছেদেও নাগরিকের এই অধিকারের কথা উল্লেখ রয়েছে।

নাগরিকদের তথ্য জানার অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো এবং দুর্নীতি প্রতিরোধে তথ্য অধিকার আইনের কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই ওরিয়েন্টেশন সভার আয়োজন করে দ্য কার্টার সেন্টারের বাংলাদেশ কান্ট্রি অফিস। অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় দুর্নীতি দমন কমিশনের সততা সংঘের উদ্যোগে।

সভায় তথ্য অধিকার আইনের বাস্তব প্রয়োগের বেশ কয়েকটি উদাহরণ তুলে ধরা হয়। কোথাও উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয় সংক্রান্ত তথ্য চেয়ে অনিয়ম রোধের অভিজ্ঞতা, আবার কোথাও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে প্রকৃত উপকারভোগী নিশ্চিত করার গল্প শোনানো হয়। এসব বাস্তব ঘটনা শিক্ষার্থীদের কৌতূহলী করে তোলে এবং বোঝায় যে তথ্য অধিকার কাগুজে আইনে সীমাবদ্ধ নয়; এটি মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত।

আলোচনায় জানানো হয়, তথ্য অধিকার বা আরটিআই নাগরিকদের একটি মৌলিক গণতান্ত্রিক অধিকার, যার মাধ্যমে সরকারি ও নির্দিষ্ট বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে থাকা তথ্য জানা সম্ভব। বক্তারা তথ্য অধিকার আইন ২০০৯–এর পটভূমি, উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব তুলে ধরেন। পাশাপাশি তথ্যের সংজ্ঞা, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিয়োগ ও তাঁদের দায়িত্ব, তথ্য প্রদানে প্রতিষ্ঠানের বাধ্যবাধকতা, আবেদন দাখিলের নিয়ম, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উত্তর প্রদানের প্রক্রিয়া এবং আবেদন ফি সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের স্পষ্ট ধারণা দেওয়া হয়।

‘আইন জানো, অধিকার জানো’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত কুইজ প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ পুরো আয়োজনকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। সঠিক উত্তরে করতালি আর ভুল উত্তরে হাসিতে মিলনায়তন পরিণত হয় এক উন্মুক্ত ও আনন্দময় শিক্ষাঙ্গনে। আয়োজকদের মতে, অংশগ্রহণমূলক এই ধরনের আয়োজন তরুণদের মধ্যে আইন ও নাগরিক অধিকার বিষয়ে আগ্রহ তৈরি করতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

শিক্ষার্থীদের কণ্ঠেও উঠে আসে নতুন উপলব্ধির কথা। নওহাটা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী রিমতি বলেন, “আজকের আয়োজনের আগে তথ্য অধিকার বিষয়টি শুধু বইয়ের পাতায় ছিল। বাস্তব উদাহরণ আর কুইজের মাধ্যমে বুঝতে পেরেছি, তথ্য জানার মাধ্যমে কীভাবে অন্যায় ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে দাঁড়ানো যায়। এখন মনে হচ্ছে, আমরাও প্রশ্ন করতে পারি।” অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ইফাত বলেন, “আজ জানতে পারলাম, সাধারণ নাগরিক হিসেবেও সরকারি দপ্তর থেকে তথ্য চাওয়া আমাদের অধিকার। এই জ্ঞান আমাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে।”

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে দুর্নীতি দমন কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. ফজলুল বারী বলেন, তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ কার্যকরভাবে প্রয়োগ হলে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা বাড়ে এবং দুর্নীতির সুযোগ কমে যায়। তিনি বলেন, তথ্য অধিকার শুধু একটি আইন নয়, এটি নাগরিক ক্ষমতায়নের একটি শক্তিশালী মাধ্যম। শিক্ষার্থী ও তরুণদের মধ্যে এই বিষয়ে সচেতনতা তৈরি হলে ভবিষ্যতে জবাবদিহিমূলক ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়ে তোলা সহজ হবে।

স্বাগত বক্তব্যে দ্য কার্টার সেন্টারের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ শাম্মী লায়লা ইসলাম বলেন, সঠিক তথ্যই শক্তি। নারীদের তথ্য প্রাপ্তির অধিকারসহ তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করতে তথ্য অধিকার আইন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। অধিকার সম্পর্কে জানলেই তা সঠিকভাবে ব্যবহার করা সম্ভব—এ কথাও তিনি তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক তানভীর আহমেদ, নওহাটা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ওমর আলী এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি পবা উপজেলার সভাপতি মো. আখতার ফারুক। সভা শেষে শিক্ষার্থীদের চোখে-মুখে যে সচেতনতা ও আত্মবিশ্বাসের ঝিলিক দেখা যায়, তা ভবিষ্যতের দায়িত্বশীল ও অধিকার-সচেতন নাগরিক সমাজ গঠনেরই আশাব্যঞ্জক ইঙ্গিত দেয়।

কুইজ আর গল্পে তথ্য অধিকার শিখল শিক্ষার্থীরা
◀ বিস্তারিত কমেন্ট ▶
dailyupochar.com
২৭ জানুয়ারি ২০২৬