ভোলার মনপুরায় প্রেমের টানে আসা কিশোরীকে ‘গণধর্ষণ’
ভোলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা মনপুরায় প্রেমের টানে সিলেট থেকে আসা এক কিশোরীকে (১৬) জিম্মি করে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার রাতে মনপুরা উপজেলার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নে এ ঘটনাটি ঘটে। খবর পেয়ে শুক্রবার সকালে ওই কিশোরীকে উদ্ধার করে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে।
ভুক্তভোগী কিশোরী সুনামগঞ্জের শ্রী-নারায়নপুর এলাকার বাসিন্দা। তার প্রেমিক মো. সজিবের বাড়ি মনপুরা উপজেলার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নে। তাঁরা চট্টগ্রামে গার্মেন্টসে কাজ করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মনপুরার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা রাসেলের ছেলে মোঃ সজীবের সাথে সাদিয়ার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই প্রেমের টানেই সে গত তিনদিন আগে মনপুরায় আসে। পরে সাদিয়া ও সজীবের বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র তাদের বিয়ের কথা বলে জিম্মি করে। অভিযোগ উঠেছে, ওই চক্রটি তাদের কাছ থেকে রেখে ২ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।
মনপুরা উপজেলার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. রাসেলের ছেলে মো. সজিব জানান, সে চট্টগ্রাম কাজ করে। তরুনী মেয়েটি তাঁর প্রেমিকা। সজিব তাঁকে বিয়ে করার জন্য মনপুরার বাড়িতে এসে কাগপত্র তৈরী করে। সকল কাগজপত্র লাইন করতে সময় লাগছিল। কাগজপত্র প্রায় তৈরী হয়ে গেছে এমন সময় তাঁর প্রেমিকা মনপুরায় আসতে চায়। সজিব সায় দিলে লঞ্চযোগে মনপুরা আসলে তাঁকে লঞ্চ থেকে নামিয়ে দাদীর বাড়িতে রাখেন। একরাত থাকার পরে এলাকার প্রভাবশালীরা বিষয়টি জানতে পারে। তাঁদেরকে মাকসুদ ও আল আমিন ভয়ভীতি দেখিয়ে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। পরে ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে এলাকা ছাড়ার ব্যবস্থা করে দেবে বলে। তাঁদেরকে রাতের লঞ্চে হাতিয়া হয়ে চট্টগ্রাম চলে যেতে বলে। রাত ৩টায় লঞ্চ আসবে। পরে তালতলী বেড়িবাঁধের এলাকায় নিয়ে সজিবকে বেধরক পিটিয়ে আহত করে এবং তরুনীকে ধর্ষন করে।