আজিজুর রহমান মুসাব্বির হত্যার প্রতিবাদে রাজশাহীতে উত্তাল সেচ্ছাসেবক দল
ঢাকা মহানগর উত্তর সেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান মুসাব্বিরকে নির্মমভাবে হত্যার প্রতিবাদে রাজশাহী মহানগর সেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে শনিবার (১০ জানুয়ারি) তীব্র প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার বিকেলে নগরীর মালোপাড়া পুলিশ ফাঁড়ি থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভ মিছিলটি সাহেব বাজার জিরো পয়েন্ট প্রদক্ষিণ করে বাটার মোড় এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে রাজশাহী মহানগর সেচ্ছাসেবক দলের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। এ সময় নেতাকর্মীরা ‘হত্যার বিচার চাই’, ‘খুনিদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করতে হবে’সহ বিভিন্ন স্লোগানে নগরী প্রকম্পিত করে তোলেন।
কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাজশাহী মহানগর সেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মীর তারেক বলেন, “আজিজুর রহমান মুসাব্বিরকে পরিকল্পিত ও ঠাণ্ডা মাথায় হত্যা করা হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ড কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, এটি চলমান রাজনৈতিক দমন-পীড়নের অংশ।
আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই-খুনিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত না করলে সেচ্ছাসেবক দল রাজপথ ছাড়বে না।”
প্রধান বক্তা হিসেবে মহানগর সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান জনি বলেন,
“একজন জনপ্রিয় ও ত্যাগী সংগঠককে প্রকাশ্যে হত্যা করা হলেও প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এই নীরবতা প্রমাণ করে, অপরাধীদের প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে। অবিলম্বে হত্যাকারীদের আইনের আওতায় না আনলে রাজশাহী থেকে কঠোর আন্দোলনের আগুন ছড়িয়ে পড়বে।”
বিক্ষোভ মিছিল শেষে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে নেতারা বলেন, আজিজুর রহমান মুসাব্বির হত্যাকাণ্ডের দ্রুত তদন্ত, প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিতকরণ এবং সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সারাদেশে লাগাতার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়।
বিক্ষোভ মিছিলে আরও উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী মহানগর সেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাসেল বাবু, শিপলু, সাঈদ, তুহিন, এমিল, অভি ও ইব্রাহিম। পাশাপাশি মহানগরের ৮টি থানার আহ্বায়ক, সদস্য সচিব ও যুগ্ম আহ্বায়কবৃন্দ এবং ৩৭টি ওয়ার্ডের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।
কর্মসূচির সার্বিক সঞ্চালনায় ছিলেন রাজশাহী মহানগর সেচ্ছাসেবক দলের দপ্তর সম্পাদক সৈকত পারভেজ।