সোমবার , ০৫ অক্টোবর ২০২৬
হোম › রাজশাহী › রাবিতে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ছাত্রদলের সশস্ত্র হামলা
চার সাংবাদিকসহ আহত ১০

রাবিতে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ছাত্রদলের সশস্ত্র হামলা

favicon
স্টাফ রিপোর্টার :
রাবিতে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ছাত্রদলের সশস্ত্র হামলা

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) দায়িত্ব পালনকালে পেশাদার সাংবাদিক ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বর্বরোচিত হামলা চালিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। রোববার রাত সাড়ে আটটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। হামলায় চারজন ক্যাম্পাস সাংবাদিকসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত সাংবাদিকদের তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করে বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসাকেন্দ্রে প্রাথমিক ও জরুরি চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

আহত সাংবাদিকদের মধ্যে রয়েছেন দৈনিক সমকালের প্রতিনিধি মাঈনুল ইসলাম রাজু, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের আরিফ উজ্জামান কোরবান, দ্য ডেইলি স্টারের নূর আহসান মৃদুল এবং দৈনিক আগামীর সময়ের জাহিদুল ইসলাম। এদের মধ্যে জাহিদুল ইসলামের মাথা ফেটে মারাত্মক জখম হয়েছে বলে চিকিৎসাকেন্দ্র সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ক্যাম্পাস সূত্রে জানা যায়, রাত আটটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেট এলাকা থেকে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে একটি মিছিল বের করে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। মিছিলটি শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে গিয়ে শক্তি প্রদর্শন শুরু করে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, হল সংসদের জিএস আরিফুল ইসলামকে মারধরের উদ্দেশ্যেই তারা সেখানে জড়ো হয়েছিল। এ সময় তাদের হাতে রামদা, চাপাতি, হকি স্টিক, লোহার পাইপ ও বেসবল ব্যাটসহ মারাত্মক সব অস্ত্র প্রকাশ্যে দেখা যায়। এই সশস্ত্র মহড়ায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সহসভাপতি আহসান হাবীব, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল ইসলাম, সহসভাপতি শরিফুল ইসলাম ও সহদপ্তর সম্পাদক শাহরিয়ার আলমসহ অন্তত ১০ থেকে ১৫ জন নেতাকর্মী সরাসরি নেতৃত্ব দেন।

ঘটনার খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে হামলাকারীরা সাময়িকভাবে অস্ত্র লুকিয়ে ফেলার চেষ্টা করে। ঠিক সেই মুহূর্তে দৈনিক সমকাল ও আজকের পত্রিকার প্রতিনিধিরা ঘটনাটির ভিডিও ফুটেজ ধারণ করতে গেলে ছাত্রদল কর্মীরা তাদের ওপর চড়াও হয়। সমকালের প্রতিনিধি মাঈনুল ইসলাম রাজুকে লাঠি ও পাইপ দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয় এবং আজকের পত্রিকার প্রতিনিধির মুঠোফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালানো হয়। একপর্যায়ে বিডিনিউজের প্রতিনিধি আরিফ উজ্জামান কোরবান এগিয়ে এলে তাকেও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও প্রহার করা হয়।

পরিস্থিতি বেগতিক দেখে প্রক্টর কয়েকজন সাংবাদিককে হলের অভ্যন্তরে নিয়ে প্রধান ফটক আটকে দেন। তবে সহকর্মীদের ওপর হামলার খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত অন্য গণমাধ্যমকর্মীরা দ্রুত জিয়া হলের সামনে ছুটে এলে তাদের ওপর দ্বিতীয় দফায় আক্রমণ করা হয়। এ সময় ডেইলি স্টারের নূর আহসান মৃদুল এবং আগামীর সময়ের জাহিদুল ইসলামকে লক্ষ্য করে পেটাতে থাকে হামলাকারীরা, যার ফলে জাহিদুলের মাথা ফেটে রক্তাক্ত হন। অন্য সাংবাদিকেরা তাদের উদ্ধার করতে গেলে তাদেরও প্রাণনাশের হুমকি প্রদর্শন করে ছাত্রদল ক্যাডাররা।

এ ঘটনার সূত্রপাত বিশ্লেষণ করে জানা গেছে, রাকসুর সাবেক জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারকে নিয়ে ছাত্রদল নেতা এম আহসান হাবীবের একটি ফেসবুক পোস্ট ও তার মন্তব্যকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। আহসান হাবীবের দাবি ছিল, ওই পোস্টের মন্তব্যে রাকসুর সহসাংস্কৃতিক সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম তাকে অশালীন ভাষায় আক্রমণ করেছেন। অন্যদিকে রাকিবুল অভিযোগ করেন, তাকে শারীরিক হেনস্তার হুমকি দিয়ে অবস্থান জানতে চাওয়া হয়েছিল। এ নিয়ে পাল্টাপাল্টি অবস্থানের জেরে শনিবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত জিয়া হলের সামনে অবস্থান নেন রাকিবুল। এর জবাবে বিকেলে ছাত্রদল নেতা আহসান হাবীব দলবল ও বেসবল ব্যাট নিয়ে সেখানে অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা করেন। এই ঘটনার তীব্র সমালোচনা করে শহীদ জিয়াউর রহমান হল সংসদের জিএস আরিফুল ইসলাম ফেসবুকে একটি তীব্র প্রতিবাদী স্ট্যাটাস দিলে ছাত্রদল ক্যাডাররা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং রোববার রাতে সংঘবদ্ধ হয়ে হলের সামনে অস্ত্র নিয়ে মহড়া দেয়।

হামলার বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী জানান, জিয়া হলের সামনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি সম্পর্কে তিনি অবগত হয়েছেন এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রদল সংসদকে বিস্তারিত জানিয়েছেন। তদন্ত সাপেক্ষে জড়িত নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দ্রুত সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে ক্যাম্পাসে এমন প্রকাশ্য সশস্ত্র হামলা ও সাংবাদিকদের রক্তাক্ত করার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান। চরম হতাশা ব্যক্ত করে তিনি জানান, প্রশাসনের উপস্থিতিতেই এই তাণ্ডব চালানো হয়েছে এবং তাদের পক্ষে তাৎক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব হয়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য পুলিশ প্রশাসনের সাহায্য চাওয়া হলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কার্যকর ভূমিকা না রেখে পিছু হটেছে বলে তিনি দাবি করেন। সাংবাদিক সমাজ ও সচেতন শিক্ষার্থীরা এই ন্যাক্কারজনক হামলার সাথে জড়িত সন্ত্রাসীদের অবিলম্বে বহিষ্কার ও দৃষ্টান্তমূলক আইনি শাস্তির জোর দাবি জানিয়েছেন।


রাবিতে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ছাত্রদলের সশস্ত্র হামলা
চার সাংবাদিকসহ আহত ১০
◀ বিস্তারিত কমেন্ট ▶
dailyupochar.com
০৪ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক উপচার
 সোমবার , ০৫ অক্টোবর ২০২৬
হোম › রাজশাহী › রাবিতে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ছাত্রদলের সশস্ত্র হামলা
চার সাংবাদিকসহ আহত ১০

রাবিতে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ছাত্রদলের সশস্ত্র হামলা

favicon
স্টাফ রিপোর্টার :
রাবিতে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ছাত্রদলের সশস্ত্র হামলা

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) দায়িত্ব পালনকালে পেশাদার সাংবাদিক ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বর্বরোচিত হামলা চালিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। রোববার রাত সাড়ে আটটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। হামলায় চারজন ক্যাম্পাস সাংবাদিকসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত সাংবাদিকদের তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করে বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসাকেন্দ্রে প্রাথমিক ও জরুরি চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

আহত সাংবাদিকদের মধ্যে রয়েছেন দৈনিক সমকালের প্রতিনিধি মাঈনুল ইসলাম রাজু, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের আরিফ উজ্জামান কোরবান, দ্য ডেইলি স্টারের নূর আহসান মৃদুল এবং দৈনিক আগামীর সময়ের জাহিদুল ইসলাম। এদের মধ্যে জাহিদুল ইসলামের মাথা ফেটে মারাত্মক জখম হয়েছে বলে চিকিৎসাকেন্দ্র সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ক্যাম্পাস সূত্রে জানা যায়, রাত আটটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেট এলাকা থেকে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে একটি মিছিল বের করে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। মিছিলটি শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে গিয়ে শক্তি প্রদর্শন শুরু করে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, হল সংসদের জিএস আরিফুল ইসলামকে মারধরের উদ্দেশ্যেই তারা সেখানে জড়ো হয়েছিল। এ সময় তাদের হাতে রামদা, চাপাতি, হকি স্টিক, লোহার পাইপ ও বেসবল ব্যাটসহ মারাত্মক সব অস্ত্র প্রকাশ্যে দেখা যায়। এই সশস্ত্র মহড়ায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সহসভাপতি আহসান হাবীব, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল ইসলাম, সহসভাপতি শরিফুল ইসলাম ও সহদপ্তর সম্পাদক শাহরিয়ার আলমসহ অন্তত ১০ থেকে ১৫ জন নেতাকর্মী সরাসরি নেতৃত্ব দেন।

ঘটনার খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে হামলাকারীরা সাময়িকভাবে অস্ত্র লুকিয়ে ফেলার চেষ্টা করে। ঠিক সেই মুহূর্তে দৈনিক সমকাল ও আজকের পত্রিকার প্রতিনিধিরা ঘটনাটির ভিডিও ফুটেজ ধারণ করতে গেলে ছাত্রদল কর্মীরা তাদের ওপর চড়াও হয়। সমকালের প্রতিনিধি মাঈনুল ইসলাম রাজুকে লাঠি ও পাইপ দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয় এবং আজকের পত্রিকার প্রতিনিধির মুঠোফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালানো হয়। একপর্যায়ে বিডিনিউজের প্রতিনিধি আরিফ উজ্জামান কোরবান এগিয়ে এলে তাকেও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও প্রহার করা হয়।

পরিস্থিতি বেগতিক দেখে প্রক্টর কয়েকজন সাংবাদিককে হলের অভ্যন্তরে নিয়ে প্রধান ফটক আটকে দেন। তবে সহকর্মীদের ওপর হামলার খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত অন্য গণমাধ্যমকর্মীরা দ্রুত জিয়া হলের সামনে ছুটে এলে তাদের ওপর দ্বিতীয় দফায় আক্রমণ করা হয়। এ সময় ডেইলি স্টারের নূর আহসান মৃদুল এবং আগামীর সময়ের জাহিদুল ইসলামকে লক্ষ্য করে পেটাতে থাকে হামলাকারীরা, যার ফলে জাহিদুলের মাথা ফেটে রক্তাক্ত হন। অন্য সাংবাদিকেরা তাদের উদ্ধার করতে গেলে তাদেরও প্রাণনাশের হুমকি প্রদর্শন করে ছাত্রদল ক্যাডাররা।

এ ঘটনার সূত্রপাত বিশ্লেষণ করে জানা গেছে, রাকসুর সাবেক জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারকে নিয়ে ছাত্রদল নেতা এম আহসান হাবীবের একটি ফেসবুক পোস্ট ও তার মন্তব্যকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। আহসান হাবীবের দাবি ছিল, ওই পোস্টের মন্তব্যে রাকসুর সহসাংস্কৃতিক সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম তাকে অশালীন ভাষায় আক্রমণ করেছেন। অন্যদিকে রাকিবুল অভিযোগ করেন, তাকে শারীরিক হেনস্তার হুমকি দিয়ে অবস্থান জানতে চাওয়া হয়েছিল। এ নিয়ে পাল্টাপাল্টি অবস্থানের জেরে শনিবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত জিয়া হলের সামনে অবস্থান নেন রাকিবুল। এর জবাবে বিকেলে ছাত্রদল নেতা আহসান হাবীব দলবল ও বেসবল ব্যাট নিয়ে সেখানে অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা করেন। এই ঘটনার তীব্র সমালোচনা করে শহীদ জিয়াউর রহমান হল সংসদের জিএস আরিফুল ইসলাম ফেসবুকে একটি তীব্র প্রতিবাদী স্ট্যাটাস দিলে ছাত্রদল ক্যাডাররা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং রোববার রাতে সংঘবদ্ধ হয়ে হলের সামনে অস্ত্র নিয়ে মহড়া দেয়।

হামলার বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী জানান, জিয়া হলের সামনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি সম্পর্কে তিনি অবগত হয়েছেন এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রদল সংসদকে বিস্তারিত জানিয়েছেন। তদন্ত সাপেক্ষে জড়িত নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দ্রুত সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে ক্যাম্পাসে এমন প্রকাশ্য সশস্ত্র হামলা ও সাংবাদিকদের রক্তাক্ত করার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান। চরম হতাশা ব্যক্ত করে তিনি জানান, প্রশাসনের উপস্থিতিতেই এই তাণ্ডব চালানো হয়েছে এবং তাদের পক্ষে তাৎক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব হয়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য পুলিশ প্রশাসনের সাহায্য চাওয়া হলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কার্যকর ভূমিকা না রেখে পিছু হটেছে বলে তিনি দাবি করেন। সাংবাদিক সমাজ ও সচেতন শিক্ষার্থীরা এই ন্যাক্কারজনক হামলার সাথে জড়িত সন্ত্রাসীদের অবিলম্বে বহিষ্কার ও দৃষ্টান্তমূলক আইনি শাস্তির জোর দাবি জানিয়েছেন।


রাবিতে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ছাত্রদলের সশস্ত্র হামলা
চার সাংবাদিকসহ আহত ১০
◀ বিস্তারিত কমেন্ট ▶
dailyupochar.com
০৪ অক্টোবর ২০২৬