নওগাঁয় পারিবারিক কলহে স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ; আটক ২
নওগাঁর মান্দা উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে জেসমিন আক্তার (২৭) নামে এক গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে। আজ মঙ্গলবার সকালে উপজেলার কুসুম্বা ইউনিয়নের গাইহানা কৃষ্ণপুর গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
এই ঘটনায় নিহতের শ্বশুর ইউনুস আলী ও শাশুড়ি জোসনা বেগমকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরেই স্বামী উজ্জ্বল হোসেনের সঙ্গে জেসমিনের পারিবারিক নানা বিষয়ে বিবাদ চলছিল। আজ মঙ্গলবার সকালে তাদের মধ্যে পুনরায় বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে উজ্জ্বল তার স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় জেসমিন ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। এরপর থেকে স্বামী উজ্জ্বল পলাতক রয়েছেন।
খবর পেয়ে মান্দা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
মান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কে এম মাসুদ রানা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, "পারিবারিক কলহ থেকেই এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় নিহত গৃহবধূর শশুর ও শাশুড়িকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে একটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
এদিকে, এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা ঘাতক স্বামীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এই ঘটনায় নিহতের শ্বশুর ইউনুস আলী ও শাশুড়ি জোসনা বেগমকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরেই স্বামী উজ্জ্বল হোসেনের সঙ্গে জেসমিনের পারিবারিক নানা বিষয়ে বিবাদ চলছিল। আজ মঙ্গলবার সকালে তাদের মধ্যে পুনরায় বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে উজ্জ্বল তার স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় জেসমিন ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। এরপর থেকে স্বামী উজ্জ্বল পলাতক রয়েছেন।
খবর পেয়ে মান্দা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
মান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কে এম মাসুদ রানা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, "পারিবারিক কলহ থেকেই এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় নিহত গৃহবধূর শশুর ও শাশুড়িকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে একটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
এদিকে, এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা ঘাতক স্বামীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।