পতাকা উত্তোলন, পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে রাজশাহীতে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন শুরু
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজশাহী মহানগরীতে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও উৎসবমুখর পরিবেশে দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন এবং শান্তির প্রতীক পায়রা ও বর্ণিল বেলুন-ফেস্টুন উড়িয়ে দিবসের কার্যক্রম শুরু করা হয়।
রাজশাহী মহানগর বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু, এমপি।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করা হয়। এরপর বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা, মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনে আত্মোৎসর্গকারী সকল প্রয়াত নেতাকর্মীর রুহের মাগফিরাত এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি মামুন অর রশিদ মামুনের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেত্রী মাহমুদা হাবীবা, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন, রাজশাহী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও মহানগর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ইশা এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক ও রাসিকের সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল।এছাড়া অনুষ্ঠানে রাজশাহী মহানগর বিএনপির সহসভাপতি আসলাম সরকার, ওয়ালিউল হক রানা, মুক্তার হোসেন ও জয়নাল আবেদীন শিবলী, সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল আলম মিলুসহ নগরীর বিভিন্ন থানা, ওয়ার্ড এবং যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
ঐতিহাসিক এই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে রাজশাহী মহানগর বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের মধ্যে বিপুল প্রাণচাঞ্চল্য ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। উদ্বোধনী পর্বে নেতৃবৃন্দ বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের আদর্শ ও রাজনৈতিক দর্শনকে বুকে ধারণ করে দলকে তৃণমূল পর্যায়ে আরও ঐক্যবদ্ধ, গতিশীল ও সুসংগঠিত করতে হবে। একইসঙ্গে জনগণের মৌলিক অধিকার ও গণতান্ত্রিক ধারাকে সমুন্নত রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তাঁরা।