পদ্মার ‘মিডল চর’কে দৃষ্টিনন্দন পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপার লীলাভূমি ও দর্শনার্থীদের কাছে ‘মিনি সুইজারল্যান্ড’ হিসেবে পরিচিত রাজশাহীর পদ্মা নদীর মিডল চরকে একটি আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) রাজশাহীর পর্যটন বিকাশের অপার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে সরেজমিন চরটি পরিদর্শন করেছেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) মো. শাহজামান খান।
পরিদর্শনকালে তাঁরা পদ্মার বিস্তীর্ণ জলরাশি, নদীর তীরবর্তী সবুজ প্রাকৃতিক পরিবেশ ও চরাঞ্চলের সামগ্রিক ভৌগোলিক রূপরেখা ঘুরে দেখেন। এ সময় উপস্থিত কর্মকর্তাদের সঙ্গে পদ্মার প্রাকৃতিক ভারসাম্য ও জীববৈচিত্র্য অক্ষুণ্ণ রেখে কীভাবে এ স্থানটিকে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের জন্য আরও নিরাপদ, আকর্ষণীয় ও আধুনিক বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে রূপান্তর করা যায়—তা নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়।
পরিদর্শন শেষে রাসিক প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন জানান, পদ্মা নদীর নৈসর্গিক সৌন্দর্যকে ঘিরে রাজশাহীতে পর্যটনের বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে ‘মিডল চর’ ইতোমধ্যেই প্রকৃতিপ্রেমীদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। নগরবাসীর বিনোদনের পরিধি বাড়াতে এবং রাজশাহীকে পর্যটন নগরী হিসেবে দেশজুড়ে তুলে ধরতে এই চরকে পরিকল্পিত ও টেকসই উন্নয়নের আওতায় এনে দৃষ্টিনন্দন পর্যটন স্পট হিসেবে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হচ্ছে।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান বলেন, চরাঞ্চলের প্রাকৃতিক পরিবেশের সুরক্ষার পাশাপাশি দর্শনার্থীদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব পর্যটন গড়ে তোলা সম্ভব। পরিকল্পিত উদ্যোগ গ্রহণ করা হলে এই মিডল চর রাজশাহীর অর্থনৈতিক ও পর্যটন খাতে এক নতুন মাত্রা যোগ করবে।