সোমবার , ২৭ জুলাই ২০২৬
হোমআন্তর্জাতিকএসডিজি অর্জনে আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশের প্রয়োজন ৪২১ বিলিয়ন ডলার

এসডিজি অর্জনে আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশের প্রয়োজন ৪২১ বিলিয়ন ডলার

favicon
আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
এসডিজি অর্জনে আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশের প্রয়োজন ৪২১ বিলিয়ন ডলার

টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশের অতিরিক্ত প্রায় ৪২১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থায়নের প্রয়োজন হবে। সরকারের হালনাগাদকৃত এসডিজি অর্থায়ন কৌশল পর্যালোচনায় এ চিত্র উঠে এসেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, উন্নয়ন সহায়তা কমে যাওয়া এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বাড়তি চাপের কারণে এই অর্থায়ন নিশ্চিত করা বাংলাদেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।

রোববার (২৬ জুলাই) রাজধানীতে অনুষ্ঠিত ‘ডেভেলপমেন্ট ফাইন্যান্স অ্যাসেসমেন্ট (ডিএফএ) ও এসডিজি অর্থায়ন বিষয়ক জাতীয় ভ্যালিডেশন কর্মশালায়’ এ তথ্য তুলে ধরা হয়। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) এবং বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কের কার্যালয়ের সহযোগিতায় কর্মশালার আয়োজন করে।

কর্মশালার মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. সেলিম রায়হান। তিনি বাংলাদেশের বর্তমান অর্থায়ন পরিস্থিতির বিশ্লেষণ তুলে ধরে সরকারি ও বেসরকারি উভয় খাত থেকে বিনিয়োগ বাড়ানোর সম্ভাব্য কৌশল ব্যাখ্যা করেন।

তার উপস্থাপনায় বলা হয়, ২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে ২০২৯-৩০ অর্থবছর পর্যন্ত এসডিজির বিভিন্ন লক্ষ্য অর্জনে অতিরিক্ত ৪২১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রয়োজন হবে। এই অর্থের বড় অংশ দেশীয় সরকারি ও বেসরকারি বিনিয়োগ, জলবায়ু অর্থায়ন এবং আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অংশীদারদের সহযোগিতার মাধ্যমে সংগ্রহের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

ইআরডি জানায়, কর্মশালায় ডেভেলপমেন্ট ফাইন্যান্স অ্যাসেসমেন্ট (ডিএফএ) প্রতিবেদনের ফলাফল এবং হালনাগাদকৃত এসডিজি অর্থায়ন কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এই বিশ্লেষণ কাঠামো জাতীয় উন্নয়ন অগ্রাধিকারের সঙ্গে অর্থায়ন নীতি, আর্থিক প্রবাহ এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার কার্যকর সমন্বয়ে সহায়তা করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী বলেন, এসডিজি বাস্তবায়নের জন্য অবশিষ্ট সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং একই সঙ্গে চ্যালেঞ্জপূর্ণ। অর্থায়নের বড় ঘাটতি, সীমিত সময় এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির অনিশ্চয়তা সত্ত্বেও বাংলাদেশ অর্থবহ অগ্রগতি অর্জনে সক্ষম হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, বর্তমান বাস্তবতায় উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সুস্পষ্ট অগ্রাধিকার নির্ধারণ, সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ এবং কার্যকর বাস্তবায়নের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী ক্যারল ফ্লোর-স্মেরজনিয়াক বলেন, বিশ্বজুড়ে উন্নয়ন অর্থায়নের সুযোগ দিন দিন সংকুচিত হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে কর-জিডিপি অনুপাত বৃদ্ধি, অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আহরণ জোরদার এবং বেসরকারি খাতকে এসডিজির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বিনিয়োগে উৎসাহিত করতে পারলে বাংলাদেশ নিজস্ব উৎস থেকেই উন্নয়ন অর্থায়নের বড় সুযোগ তৈরি করতে পারবে।

ইউএনডিপির উপআবাসিক প্রতিনিধি সোনালি দয়ারত্নে বলেন, কেবল নতুন অর্থের উৎস খোঁজা নয়, বিদ্যমান সম্পদের আরও কার্যকর ব্যবহারও সমান গুরুত্বপূর্ণ। অর্থায়নের ঘাটতি মোকাবিলায় শক্তিশালী অংশীদারিত্ব, উন্নত অর্থায়ন নীতি এবং পরিকল্পনার শুরু থেকেই সরকারি প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী, বেসরকারি খাত ও নাগরিক সমাজকে সম্পৃক্ত করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

যুক্তরাজ্যের ফরেন, কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিসের (এফসিডিও) অর্থায়নে পরিচালিত ইউএনডিপির ক্লাইমেট ফাইন্যান্স নেটওয়ার্ক (সিএফএন) কর্মসূচির সহায়তায় আয়োজিত এই কর্মশালায় সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার প্রতিনিধি, উন্নয়ন সহযোগী, ব্যাংকিং খাতের প্রতিনিধি, শিক্ষাবিদ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের মতামত ও সুপারিশের ভিত্তিতে ডেভেলপমেন্ট ফাইন্যান্স অ্যাসেসমেন্ট (ডিএফএ) প্রতিবেদন এবং বাংলাদেশের হালনাগাদকৃত এসডিজি অর্থায়ন কৌশল চূড়ান্ত করা হবে বলে জানানো হয়।

সভাপতির বক্তব্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এ এইচ এম জাহাঙ্গীর বলেন, স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) মর্যাদা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের প্রাক্কালে একটি বাস্তবভিত্তিক, সমন্বিত এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন এখন সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজন। তার মতে, উন্নয়ন অর্থায়নের বহুমুখী উৎস নিশ্চিত করতে পারলেই এসডিজি বাস্তবায়নের গতি আরও বাড়ানো সম্ভব হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জন করতে হলে শুধু বৈদেশিক সহায়তার ওপর নির্ভর করলে চলবে না। রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি, বেসরকারি বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, জলবায়ু অর্থায়ন আকর্ষণ এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে কার্যকর অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার মাধ্যমে একটি টেকসই অর্থায়ন কাঠামো গড়ে তোলাই হবে বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার।

এসডিজি অর্জনে আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশের প্রয়োজন ৪২১ বিলিয়ন ডলার
◀ বিস্তারিত কমেন্ট ▶
dailyupochar.com
২৬ জুলাই ২০২৬
দৈনিক উপচার
 সোমবার , ২৭ জুলাই ২০২৬
হোমআন্তর্জাতিকএসডিজি অর্জনে আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশের প্রয়োজন ৪২১ বিলিয়ন ডলার

এসডিজি অর্জনে আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশের প্রয়োজন ৪২১ বিলিয়ন ডলার

favicon
আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
এসডিজি অর্জনে আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশের প্রয়োজন ৪২১ বিলিয়ন ডলার

টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশের অতিরিক্ত প্রায় ৪২১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থায়নের প্রয়োজন হবে। সরকারের হালনাগাদকৃত এসডিজি অর্থায়ন কৌশল পর্যালোচনায় এ চিত্র উঠে এসেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, উন্নয়ন সহায়তা কমে যাওয়া এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বাড়তি চাপের কারণে এই অর্থায়ন নিশ্চিত করা বাংলাদেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।

রোববার (২৬ জুলাই) রাজধানীতে অনুষ্ঠিত ‘ডেভেলপমেন্ট ফাইন্যান্স অ্যাসেসমেন্ট (ডিএফএ) ও এসডিজি অর্থায়ন বিষয়ক জাতীয় ভ্যালিডেশন কর্মশালায়’ এ তথ্য তুলে ধরা হয়। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) এবং বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কের কার্যালয়ের সহযোগিতায় কর্মশালার আয়োজন করে।

কর্মশালার মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. সেলিম রায়হান। তিনি বাংলাদেশের বর্তমান অর্থায়ন পরিস্থিতির বিশ্লেষণ তুলে ধরে সরকারি ও বেসরকারি উভয় খাত থেকে বিনিয়োগ বাড়ানোর সম্ভাব্য কৌশল ব্যাখ্যা করেন।

তার উপস্থাপনায় বলা হয়, ২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে ২০২৯-৩০ অর্থবছর পর্যন্ত এসডিজির বিভিন্ন লক্ষ্য অর্জনে অতিরিক্ত ৪২১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রয়োজন হবে। এই অর্থের বড় অংশ দেশীয় সরকারি ও বেসরকারি বিনিয়োগ, জলবায়ু অর্থায়ন এবং আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অংশীদারদের সহযোগিতার মাধ্যমে সংগ্রহের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

ইআরডি জানায়, কর্মশালায় ডেভেলপমেন্ট ফাইন্যান্স অ্যাসেসমেন্ট (ডিএফএ) প্রতিবেদনের ফলাফল এবং হালনাগাদকৃত এসডিজি অর্থায়ন কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এই বিশ্লেষণ কাঠামো জাতীয় উন্নয়ন অগ্রাধিকারের সঙ্গে অর্থায়ন নীতি, আর্থিক প্রবাহ এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার কার্যকর সমন্বয়ে সহায়তা করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী বলেন, এসডিজি বাস্তবায়নের জন্য অবশিষ্ট সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং একই সঙ্গে চ্যালেঞ্জপূর্ণ। অর্থায়নের বড় ঘাটতি, সীমিত সময় এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির অনিশ্চয়তা সত্ত্বেও বাংলাদেশ অর্থবহ অগ্রগতি অর্জনে সক্ষম হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, বর্তমান বাস্তবতায় উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সুস্পষ্ট অগ্রাধিকার নির্ধারণ, সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ এবং কার্যকর বাস্তবায়নের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী ক্যারল ফ্লোর-স্মেরজনিয়াক বলেন, বিশ্বজুড়ে উন্নয়ন অর্থায়নের সুযোগ দিন দিন সংকুচিত হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে কর-জিডিপি অনুপাত বৃদ্ধি, অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আহরণ জোরদার এবং বেসরকারি খাতকে এসডিজির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বিনিয়োগে উৎসাহিত করতে পারলে বাংলাদেশ নিজস্ব উৎস থেকেই উন্নয়ন অর্থায়নের বড় সুযোগ তৈরি করতে পারবে।

ইউএনডিপির উপআবাসিক প্রতিনিধি সোনালি দয়ারত্নে বলেন, কেবল নতুন অর্থের উৎস খোঁজা নয়, বিদ্যমান সম্পদের আরও কার্যকর ব্যবহারও সমান গুরুত্বপূর্ণ। অর্থায়নের ঘাটতি মোকাবিলায় শক্তিশালী অংশীদারিত্ব, উন্নত অর্থায়ন নীতি এবং পরিকল্পনার শুরু থেকেই সরকারি প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী, বেসরকারি খাত ও নাগরিক সমাজকে সম্পৃক্ত করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

যুক্তরাজ্যের ফরেন, কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিসের (এফসিডিও) অর্থায়নে পরিচালিত ইউএনডিপির ক্লাইমেট ফাইন্যান্স নেটওয়ার্ক (সিএফএন) কর্মসূচির সহায়তায় আয়োজিত এই কর্মশালায় সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার প্রতিনিধি, উন্নয়ন সহযোগী, ব্যাংকিং খাতের প্রতিনিধি, শিক্ষাবিদ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের মতামত ও সুপারিশের ভিত্তিতে ডেভেলপমেন্ট ফাইন্যান্স অ্যাসেসমেন্ট (ডিএফএ) প্রতিবেদন এবং বাংলাদেশের হালনাগাদকৃত এসডিজি অর্থায়ন কৌশল চূড়ান্ত করা হবে বলে জানানো হয়।

সভাপতির বক্তব্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এ এইচ এম জাহাঙ্গীর বলেন, স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) মর্যাদা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের প্রাক্কালে একটি বাস্তবভিত্তিক, সমন্বিত এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন এখন সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজন। তার মতে, উন্নয়ন অর্থায়নের বহুমুখী উৎস নিশ্চিত করতে পারলেই এসডিজি বাস্তবায়নের গতি আরও বাড়ানো সম্ভব হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জন করতে হলে শুধু বৈদেশিক সহায়তার ওপর নির্ভর করলে চলবে না। রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি, বেসরকারি বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, জলবায়ু অর্থায়ন আকর্ষণ এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে কার্যকর অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার মাধ্যমে একটি টেকসই অর্থায়ন কাঠামো গড়ে তোলাই হবে বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার।

এসডিজি অর্জনে আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশের প্রয়োজন ৪২১ বিলিয়ন ডলার
◀ বিস্তারিত কমেন্ট ▶
dailyupochar.com
২৬ জুলাই ২০২৬