জিয়া উদ্যানে শ্রদ্ধা জানালেন গৃহায়নমন্ত্রী ও চেয়ারম্যানরা
গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের এবং দেশের বিভিন্ন নবগঠিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যানরা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।
রোববার (১২ জুলাই) গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহেরের নেতৃত্বে রাজশাহী, সিলেট, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা, রংপুর ও নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানরা রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত জিয়া উদ্যানে যান। সেখানে তারা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং এর বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
এদিন মন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. আবুল কালাম আজাদ, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান লোদী, ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন তালুকদার, কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উদবাতুল বারী বাবু, রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান সামসুজ্জামান সামু এবং নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মাশুকুল ইসলাম রাজীব।
উল্লেখ্য, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে সম্প্রতি সিলেট, ময়মনসিংহ, বরিশাল, কুমিল্লা, রংপুর ও নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ নামে ছয়টি নতুন উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এর পাশাপাশি রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষসহ দেশের আঞ্চলিক উন্নয়ন কর্তৃপক্ষগুলোর কার্যক্রম আরও গতিশীল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নবগঠিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষগুলোর প্রধান লক্ষ্য হলো সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের ভূ-প্রাকৃতিক পরিবেশ ও প্রতিবেশের ভারসাম্য সংরক্ষণ, অপরিকল্পিত নগরায়ন নিয়ন্ত্রণ, দুর্যোগ-সহনশীল নগর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা, তথ্যপ্রযুক্তি ও পর্যটন শিল্পের বিকাশে সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টি এবং আধুনিক নাগরিক সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণের মাধ্যমে টেকসই, পরিকল্পিত ও স্মার্ট নগর গড়ে তোলা।
সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন, নতুন উন্নয়ন কর্তৃপক্ষগুলো কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালন করলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পরিকল্পিত নগরায়ন, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং নাগরিক সেবার মান উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।