মা-বাবা ও স্ত্রীর পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন তোফায়েল আহমেদ
দ্বিতীয় জানাজা শেষে বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। গ্রামের বাড়ি ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে পারিবারিক কবরস্থনে মা-বাবা ও স্ত্রীর কবরের পাশে তার মরদেহ দাফন করা হয়।
এর আগে মঙ্গলবার (২ জুন) বিকাল ৪টা ১০ মিনিটে তোফায়েল আহমেদের বাড়ির মসজিদের সামনে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ভোলা সদর, বোরহানউদ্দিন ও দৌলতখান উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সর্বস্তরের জনগণ অংশ নেন। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তার মরদেহ দাফন করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, দুপুর পৌনে ২টার দিকে ঢাকা থেকে তোফায়েল আহমেদের মরদেহ হেলিকপ্টারে করে ভোলার বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন হেলিপ্যাডে পৌঁছায়। পরে সেখান থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে নিয়ে যাওয়া হয় ভোলা সরকারি স্কুল মাঠে। সেখানে তাকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। এরপর সেখানে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর সোমবার (১ জুন) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তোফায়েল আহমেদ। তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।
তোফায়েল আহমেদ ১৯৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ছিলেন। মাত্র ২৭ বছর বয়সে ১৯৭০ সালে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য (এমএনএ) নির্বাচিত হন।
তিনি ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত ডাকসুর ভিপি ছিলেন। কয়েকবার মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন ৯ বারের এই সংসদ সদস্য।
আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং সবশেষ উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ছিলেন তোফায়েল আহমেদ।