তানোরে স্বপন আলীর অবৈধ মটার স্হাপন
জনগণের মধ্যে চরম উত্তেজনা!
রাজশাহীর তানোর উপজেলায় বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) নীতিমালা ও প্রচলিত আইন অমান্য করে অবৈধভাবে গভীর নলকূপ (মোটর) স্থাপনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় জনগণের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। তানোর উপজেলার ৩ নম্বর পাঁচন্দর ইউনিয়নের কোয়েল পূর্বপাড়া গ্রামের সাইফুল ইসলামের পুত্র স্বপন আলীর বিরুদ্ধে বিএমডিএর পূর্বানুমতি ছাড়া বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে মোটর স্থাপনের অভিযোগ উঠেছে, যা বরেন্দ্র এলাকার ভূগর্ভস্থ পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা নীতিমালার সরাসরি লঙ্ঘন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিএমডিএ নীতিমালা অনুযায়ী, বরেন্দ্র অঞ্চলে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান অনুমোদন ব্যতীত গভীর নলকূপ স্থাপন, পানি উত্তোলন কিংবা বাণিজ্যিকভাবে সেচ কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে না। অনুমতি ছাড়া মোটর স্থাপন করলে তা অবৈধ হিসেবে গণ্য হয় এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে নলকূপ অপসারণ, জরিমানা এবং প্রয়োজনে ফৌজদারি আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের বিধান রয়েছে। এছাড়া সরকারি অনুমতি ছাড়া পানিসম্পদ ব্যবহার পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ও স্থানীয় প্রশাসনিক বিধিরও পরিপন্থী।
স্থানীয়রা জানান, এর আগে স্বপন আলী নিজেই মিডিয়াকর্মীদের কাছে সাক্ষাৎকার দিয়ে বলেছিলেন যে অবৈধ মোটর বসানো যাবে না এবং কছির উদ্দিন নামের এক ব্যক্তির অবৈধ মোটর স্থাপনের কারণে শিশু সাজিদের মৃত্যু ঘটে। সে ঘটনায় তিনি দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিও জানিয়েছিলেন। অথচ সেই স্বপন আলী এখন নিজেই কোনো সরকারি অনুমতি ছাড়াই কোয়েল পূর্বপাড়ায় মোটর স্থাপন করে আলু মৌসুমে বাণিজ্যিকভাবে পানি সরবরাহ করছেন, যা আইন ও নীতিমালার পাশাপাশি তার আগের বক্তব্যের সঙ্গেও সাংঘর্ষিক।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, স্বপন আলীর নিজস্ব জমির পরিমাণ দুই বিঘারও কম হলেও অবৈধ মোটরের মাধ্যমে তিনি মৌসুমে প্রায় দুই লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন ভূগর্ভস্থ পানির অপব্যবহার হচ্ছে, অন্যদিকে তেমনি সরকারি নীতিমালাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ব্যক্তিগত লাভবান হওয়ার চেষ্টা চলছে। এ কারণে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের তানোর অঞ্চলের প্রকৌশলী জামিনুর রহমানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, স্বপন আলী বরেন্দ্র থেকে মোটর স্থাপনের কোনো অনুমতি নেননি। তিনি আরও জানান, তাদের কাছে অভিযোগ এসেছে এবং বিএমডিএ নীতিমালা অনুযায়ী বিষয়টি তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। প্রয়োজনে অবৈধ মোটর অপসারণসহ প্রশাসনের সহায়তায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।
অন্যদিকে মোটর মালিক স্বপন আলীর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি স্বীকার করেন যে তিনি বরেন্দ্র থেকে কোনো অনুমতি নেননি এবং এরপর আর কোনো বক্তব্য না দিয়ে ফোন কেটে দেন। তার এ অবস্থান এলাকাবাসীর ক্ষোভ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
সচেতন মহল বলছে, বরেন্দ্র অঞ্চলে অনুমতি ছাড়া মোটর স্থাপন শুধু আইন লঙ্ঘন নয়, এটি ভবিষ্যতে পানিসংকট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ায়। তারা দ্রুত অবৈধ মোটর অপসারণ এবং স্বপন আলীর বিরুদ্ধে আইন ও বরেন্দ্র নীতিমালা অনুযায়ী দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সময়মতো ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
বিএমডিএ নীতিমালা অনুযায়ী, বরেন্দ্র অঞ্চলে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান অনুমোদন ব্যতীত গভীর নলকূপ স্থাপন, পানি উত্তোলন কিংবা বাণিজ্যিকভাবে সেচ কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে না। অনুমতি ছাড়া মোটর স্থাপন করলে তা অবৈধ হিসেবে গণ্য হয় এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে নলকূপ অপসারণ, জরিমানা এবং প্রয়োজনে ফৌজদারি আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের বিধান রয়েছে। এছাড়া সরকারি অনুমতি ছাড়া পানিসম্পদ ব্যবহার পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ও স্থানীয় প্রশাসনিক বিধিরও পরিপন্থী।
স্থানীয়রা জানান, এর আগে স্বপন আলী নিজেই মিডিয়াকর্মীদের কাছে সাক্ষাৎকার দিয়ে বলেছিলেন যে অবৈধ মোটর বসানো যাবে না এবং কছির উদ্দিন নামের এক ব্যক্তির অবৈধ মোটর স্থাপনের কারণে শিশু সাজিদের মৃত্যু ঘটে। সে ঘটনায় তিনি দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিও জানিয়েছিলেন। অথচ সেই স্বপন আলী এখন নিজেই কোনো সরকারি অনুমতি ছাড়াই কোয়েল পূর্বপাড়ায় মোটর স্থাপন করে আলু মৌসুমে বাণিজ্যিকভাবে পানি সরবরাহ করছেন, যা আইন ও নীতিমালার পাশাপাশি তার আগের বক্তব্যের সঙ্গেও সাংঘর্ষিক।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, স্বপন আলীর নিজস্ব জমির পরিমাণ দুই বিঘারও কম হলেও অবৈধ মোটরের মাধ্যমে তিনি মৌসুমে প্রায় দুই লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন ভূগর্ভস্থ পানির অপব্যবহার হচ্ছে, অন্যদিকে তেমনি সরকারি নীতিমালাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ব্যক্তিগত লাভবান হওয়ার চেষ্টা চলছে। এ কারণে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের তানোর অঞ্চলের প্রকৌশলী জামিনুর রহমানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, স্বপন আলী বরেন্দ্র থেকে মোটর স্থাপনের কোনো অনুমতি নেননি। তিনি আরও জানান, তাদের কাছে অভিযোগ এসেছে এবং বিএমডিএ নীতিমালা অনুযায়ী বিষয়টি তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। প্রয়োজনে অবৈধ মোটর অপসারণসহ প্রশাসনের সহায়তায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।
অন্যদিকে মোটর মালিক স্বপন আলীর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি স্বীকার করেন যে তিনি বরেন্দ্র থেকে কোনো অনুমতি নেননি এবং এরপর আর কোনো বক্তব্য না দিয়ে ফোন কেটে দেন। তার এ অবস্থান এলাকাবাসীর ক্ষোভ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
সচেতন মহল বলছে, বরেন্দ্র অঞ্চলে অনুমতি ছাড়া মোটর স্থাপন শুধু আইন লঙ্ঘন নয়, এটি ভবিষ্যতে পানিসংকট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ায়। তারা দ্রুত অবৈধ মোটর অপসারণ এবং স্বপন আলীর বিরুদ্ধে আইন ও বরেন্দ্র নীতিমালা অনুযায়ী দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সময়মতো ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।