রাজশাহীতে সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবীদের রাষ্ট্র পুনর্গঠনের দিকনির্দেশনা
একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র গঠনে গণমাধ্যমকর্মী ও পেশাজীবীদের ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়েছে। আজ শনিবার (৮ আগস্ট) বিকেল ৫টায় রাজশাহী নগরীর কুমারপাড়াস্থ আমানা ফুড ভিলে ‘গণঅভ্যুত্থান ও স্বৈরাচার পতন: সাংবাদিক-পেশাজীবীদের লড়াই এবং পরবর্তী বাংলাদেশের প্রাপ্তি ও প্রত্যাশা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় বক্তারা এই তাগিদ দেন। রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়ন (আরইউজে) এই বৈচিত্র্যময় আলোচনা সভার আয়োজন করে।
আরইউজে-এর সভাপতি মুহাঃ আব্দুল আউয়ালের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ডালিম হোসেন শান্তর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সহকারী মহাসচিব ড. সাদিকুল ইসলাম স্বপন।
অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন রাজশাহী বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট আবুল কাশেম, বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক মাহবুব সিদ্দিকী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. ইফতিখারুল আলম মাসউদ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষক ও মাদার বখশ হলের প্রভোস্ট ড. শাহ্ হোসাইন আহমদ মেহদী, প্রবীণ সাংবাদিক ও গবেষক সরদার আব্দুর রহমান, বিশিষ্ট কথাশিল্পী ডা. নাজিব ওয়াদুদ এবং রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মুস্তাফিজুর রহমান রাসেল।
সভায় বক্তারা স্বৈরাচারবিরোধী গণঅভ্যুত্থানে সাংবাদিক ও পেশাজীবী সমাজের সাহসী ভূমিকার কথা গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। তাঁরা বলেন, দেশের যেকোনো জাতীয় সংকট, গণতান্ত্রিক অধিকার আদায় এবং গণমানুষের কণ্ঠস্বর তুলে ধরতে সাংবাদিক ও পেশাজীবীরা ঐতিহাসিকভাবেই অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছেন।
বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, আন্দোলনের পরবর্তী ধাপে একটি বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে হলে বাকস্বাধীনতা, সংবাদপত্রের পূর্ণ স্বাধীনতা এবং সাংবাদিকদের পেশাগত সুরক্ষা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। ভবিষ্যৎ বাংলাদেশকে একটি জনবান্ধব, দুর্নীতিমুক্ত ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে সকল পেশাজীবী সংগঠনকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান তাঁরা।