রবিবার , ০৯ আগস্ট ২০২৬
হোমরাজশাহীরাজশাহীতে নাবা ফার্মের বর্জ্য সন্ত্রাস
রাতের আঁধারে পরিবেশ ধ্বংস, প্রতিকারহীন এলাকাবাসী

রাজশাহীতে নাবা ফার্মের বর্জ্য সন্ত্রাস

favicon
স্টাফ রিপোর্টার :-
রাজশাহীতে নাবা ফার্মের বর্জ্য সন্ত্রাস

রাজশাহীর বিভিন্ন এলাকায় নাবিল গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান 'নাবা ফার্ম'-এর পোল্ট্রি খামারের মুরগির বিষ্ঠা ও বর্জ্য যত্রতত্র ফেলে তীব্র পরিবেশ দূষণ ঘটানোর গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। রাজশাহী সিটি হাটের পাশের ড্রেনের ওপর থেকে শুরু করে গোদাগাড়ী, মোহনপুর, তানোর, পবা, দুর্গাপুর ও নাচোল উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় রাতের আঁধারে এসব বর্জ্য ফেলা হচ্ছে বলে স্থানীয়দের দাবি। এতে একদিকে যেমন পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে, অন্যদিকে তীব্র দুর্গন্ধ ও পানি দূষণে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোদাগাড়ী উপজেলার কাঁকনহাট এলাকার নাবা ফার্মে উৎপাদিত বিপুল পরিমাণ মুরগির লিটার ও বর্জ্য নিয়মিতভাবে ট্রাকে করে বিভিন্ন এলাকায় পরিবহন করা হয়। বিশেষ করে রাত ১২টা থেকে ভোররাত ৩টার মধ্যে অত্যন্ত সুকৌশলে এসব বর্জ্য খাল-বিল, ফসলি জমি এবং উন্মুক্ত স্থানে ফেলে যাওয়া হচ্ছে।

গোদাগাড়ী উপজেলার গোমা গ্রামের বাসিন্দারা জানান, কাঁকনহাটের ঝিকড়াপাড়া এলাকা থেকে নাবা ফার্মের বর্জ্যবাহী ট্রাক এসে গোমা গ্রামের বিভিন্ন খাল-বিল ও জমিতে বর্জ্য খালাস করে। এর ফলে পুরো এলাকায় ভয়াবহ দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে, যার কারণে স্থানীয়দের টেকা দায় হয়ে পড়েছে। এছাড়া ভূগর্ভস্থ ও খালের পানি দূষিত হওয়ায় তা কৃষিকাজ কিংবা গবাদিপশুর ব্যবহারের সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, দূষিত পানির প্রভাবে পুকুরের মাছ মারা যাচ্ছে এবং ফসলি জমির উর্বরতা ও উৎপাদনক্ষমতাও মারাত্মকভাবে হ্রাস পাচ্ছে। অনেক এলাকার মানুষ বাধ্য হয়ে চরম দুর্ভোগ সহ্য করছেন।

একই চিত্র দেখা গেছে পবা ও দুর্গাপুর উপজেলার মধ্যবর্তী ফলিয়ার বিল এলাকায়। রাজশাহী থেকে মোহনগঞ্জগামী সড়কের পাশে ফলিয়ার বিলের উন্মুক্ত স্থানে দীর্ঘদিন ধরে মুরগির বিষ্ঠার পাহাড় গড়ে তোলা হয়েছে। খোলা আকাশের নিচে এসব বর্জ্য পচে উৎকট গন্ধ ছড়ানোর ফলে পথচারী ও এই সড়ক দিয়ে চলাচলকারী সাধারণ যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। পাশাপাশি রাজশাহী সিটি হাটের সংলগ্ন ড্রেনের ওপর এবং কলার টিকর এলাকার পরিবেশও এই বর্জ্যের কারণে মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে পড়েছে।

এদিকে বর্জ্য অপসারণ ও পরিবেশ দূষণ বন্ধের দাবিতে ভুক্তভোগীরা দীর্ঘদিন ধরে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রতিকার চেয়ে আসলেও কোনো সুফল মিলছে না। গত ১০ মে ২০২৬ তারিখে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন স্থানীয়রা। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গোদাগাড়ী উপজেলার ১ নম্বর গোদাগাড়ী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গোমা গ্রামের বিভিন্ন খাল-বিল এলাকায় রাতের আঁধারে বর্জ্য ফেলে পরিবেশ ও জনজীবন ধ্বংস করা হচ্ছে। প্রতিবাদ করতে গেলে বর্জ্যবাহী গাড়ির চালক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা স্থানীয়দের ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া বাধাইড় ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আসগার আলীও রাজশাহী পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালকের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন, কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি।

এর আগেও নাবা ফার্মের বিরুদ্ধে পরিবেশ দূষণের অভিযোগে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের নজির রয়েছে। গত জুলাই মাসে গোদাগাড়ী উপজেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিবেশ দূষণের দায়ে নাবা ফার্মকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করেন এবং একই মামলায় ফার্মের এক কর্মচারী নাঈমকে ছয় মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেন। কিন্তু কিছুদিন কার্যক্রম বন্ধ থাকার পর চক্রটি পুনরায় আগের মতো রাতের আঁধারে বর্জ্য ফেলার অবৈধ কার্যক্রম শুরু করেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নাবা ফার্মের বর্জ্য অপসারণের মূল দায়িত্বে থাকা ঠিকাদারদের মাধ্যমে এই অপকর্ম পরিচালিত হচ্ছে। এ বিষয়ে গোদাগাড়ীর কাঁকনহাট কাদিপুর এলাকার হাদিসুজ্জামানের ছেলে শাহ জামাল এবং ঝিকড়াপাড়া গ্রামের আনিসুর রহমানের ছেলে বাবুল সরকারের জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা। তবে অভিযুক্তদের বক্তব্য নিতে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের সাড়া পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে, নাবা ফার্মের পরিবেশ দূষণের বিষয়ে নাবিল গ্রুপের ডেপুটি ডিরেক্টর মামুনুর রশিদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি মন্তব্য করতে রাজি হননি এবং সংশ্লিষ্ট সেক্টরের জিএম বাবলুর সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন। পরবর্তীতে নাবা ফার্মের জিএম বাবলুর সঙ্গে যোগাযোগের একাধিক চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এ বিষয়ে রাজশাহী পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোছা. তাছমিনা খাতুন জানান, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগের ভিত্তিতে নতুন করে তদন্ত পরিচালনা করে দ্রুত কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পরিবেশবাদী ও সচেতন নাগরিক সমাজের মতে, শুধুমাত্র সাময়িক জরিমানা বা দায়সারা অভিযান দিয়ে এই অপরাধ থামানো সম্ভব নয়। মুরগির বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য অবিলম্বে স্থায়ী ও পরিবেশসম্মত বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে কাদের ইন্ধনে ও কার অনুমতিতে জনবসতিপূর্ণ এলাকায় এভাবে পরিবেশ ধ্বংস করা হচ্ছে, তা পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।


রাজশাহীতে নাবা ফার্মের বর্জ্য সন্ত্রাস
রাতের আঁধারে পরিবেশ ধ্বংস, প্রতিকারহীন এলাকাবাসী
◀ বিস্তারিত কমেন্ট ▶
dailyupochar.com
০৮ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উপচার
 রবিবার , ০৯ আগস্ট ২০২৬
হোমরাজশাহীরাজশাহীতে নাবা ফার্মের বর্জ্য সন্ত্রাস
রাতের আঁধারে পরিবেশ ধ্বংস, প্রতিকারহীন এলাকাবাসী

রাজশাহীতে নাবা ফার্মের বর্জ্য সন্ত্রাস

favicon
স্টাফ রিপোর্টার :-
রাজশাহীতে নাবা ফার্মের বর্জ্য সন্ত্রাস

রাজশাহীর বিভিন্ন এলাকায় নাবিল গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান 'নাবা ফার্ম'-এর পোল্ট্রি খামারের মুরগির বিষ্ঠা ও বর্জ্য যত্রতত্র ফেলে তীব্র পরিবেশ দূষণ ঘটানোর গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। রাজশাহী সিটি হাটের পাশের ড্রেনের ওপর থেকে শুরু করে গোদাগাড়ী, মোহনপুর, তানোর, পবা, দুর্গাপুর ও নাচোল উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় রাতের আঁধারে এসব বর্জ্য ফেলা হচ্ছে বলে স্থানীয়দের দাবি। এতে একদিকে যেমন পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে, অন্যদিকে তীব্র দুর্গন্ধ ও পানি দূষণে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোদাগাড়ী উপজেলার কাঁকনহাট এলাকার নাবা ফার্মে উৎপাদিত বিপুল পরিমাণ মুরগির লিটার ও বর্জ্য নিয়মিতভাবে ট্রাকে করে বিভিন্ন এলাকায় পরিবহন করা হয়। বিশেষ করে রাত ১২টা থেকে ভোররাত ৩টার মধ্যে অত্যন্ত সুকৌশলে এসব বর্জ্য খাল-বিল, ফসলি জমি এবং উন্মুক্ত স্থানে ফেলে যাওয়া হচ্ছে।

গোদাগাড়ী উপজেলার গোমা গ্রামের বাসিন্দারা জানান, কাঁকনহাটের ঝিকড়াপাড়া এলাকা থেকে নাবা ফার্মের বর্জ্যবাহী ট্রাক এসে গোমা গ্রামের বিভিন্ন খাল-বিল ও জমিতে বর্জ্য খালাস করে। এর ফলে পুরো এলাকায় ভয়াবহ দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে, যার কারণে স্থানীয়দের টেকা দায় হয়ে পড়েছে। এছাড়া ভূগর্ভস্থ ও খালের পানি দূষিত হওয়ায় তা কৃষিকাজ কিংবা গবাদিপশুর ব্যবহারের সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, দূষিত পানির প্রভাবে পুকুরের মাছ মারা যাচ্ছে এবং ফসলি জমির উর্বরতা ও উৎপাদনক্ষমতাও মারাত্মকভাবে হ্রাস পাচ্ছে। অনেক এলাকার মানুষ বাধ্য হয়ে চরম দুর্ভোগ সহ্য করছেন।

একই চিত্র দেখা গেছে পবা ও দুর্গাপুর উপজেলার মধ্যবর্তী ফলিয়ার বিল এলাকায়। রাজশাহী থেকে মোহনগঞ্জগামী সড়কের পাশে ফলিয়ার বিলের উন্মুক্ত স্থানে দীর্ঘদিন ধরে মুরগির বিষ্ঠার পাহাড় গড়ে তোলা হয়েছে। খোলা আকাশের নিচে এসব বর্জ্য পচে উৎকট গন্ধ ছড়ানোর ফলে পথচারী ও এই সড়ক দিয়ে চলাচলকারী সাধারণ যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। পাশাপাশি রাজশাহী সিটি হাটের সংলগ্ন ড্রেনের ওপর এবং কলার টিকর এলাকার পরিবেশও এই বর্জ্যের কারণে মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে পড়েছে।

এদিকে বর্জ্য অপসারণ ও পরিবেশ দূষণ বন্ধের দাবিতে ভুক্তভোগীরা দীর্ঘদিন ধরে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রতিকার চেয়ে আসলেও কোনো সুফল মিলছে না। গত ১০ মে ২০২৬ তারিখে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন স্থানীয়রা। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গোদাগাড়ী উপজেলার ১ নম্বর গোদাগাড়ী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গোমা গ্রামের বিভিন্ন খাল-বিল এলাকায় রাতের আঁধারে বর্জ্য ফেলে পরিবেশ ও জনজীবন ধ্বংস করা হচ্ছে। প্রতিবাদ করতে গেলে বর্জ্যবাহী গাড়ির চালক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা স্থানীয়দের ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া বাধাইড় ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আসগার আলীও রাজশাহী পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালকের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন, কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি।

এর আগেও নাবা ফার্মের বিরুদ্ধে পরিবেশ দূষণের অভিযোগে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের নজির রয়েছে। গত জুলাই মাসে গোদাগাড়ী উপজেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিবেশ দূষণের দায়ে নাবা ফার্মকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করেন এবং একই মামলায় ফার্মের এক কর্মচারী নাঈমকে ছয় মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেন। কিন্তু কিছুদিন কার্যক্রম বন্ধ থাকার পর চক্রটি পুনরায় আগের মতো রাতের আঁধারে বর্জ্য ফেলার অবৈধ কার্যক্রম শুরু করেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নাবা ফার্মের বর্জ্য অপসারণের মূল দায়িত্বে থাকা ঠিকাদারদের মাধ্যমে এই অপকর্ম পরিচালিত হচ্ছে। এ বিষয়ে গোদাগাড়ীর কাঁকনহাট কাদিপুর এলাকার হাদিসুজ্জামানের ছেলে শাহ জামাল এবং ঝিকড়াপাড়া গ্রামের আনিসুর রহমানের ছেলে বাবুল সরকারের জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা। তবে অভিযুক্তদের বক্তব্য নিতে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের সাড়া পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে, নাবা ফার্মের পরিবেশ দূষণের বিষয়ে নাবিল গ্রুপের ডেপুটি ডিরেক্টর মামুনুর রশিদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি মন্তব্য করতে রাজি হননি এবং সংশ্লিষ্ট সেক্টরের জিএম বাবলুর সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন। পরবর্তীতে নাবা ফার্মের জিএম বাবলুর সঙ্গে যোগাযোগের একাধিক চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এ বিষয়ে রাজশাহী পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোছা. তাছমিনা খাতুন জানান, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগের ভিত্তিতে নতুন করে তদন্ত পরিচালনা করে দ্রুত কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পরিবেশবাদী ও সচেতন নাগরিক সমাজের মতে, শুধুমাত্র সাময়িক জরিমানা বা দায়সারা অভিযান দিয়ে এই অপরাধ থামানো সম্ভব নয়। মুরগির বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য অবিলম্বে স্থায়ী ও পরিবেশসম্মত বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে কাদের ইন্ধনে ও কার অনুমতিতে জনবসতিপূর্ণ এলাকায় এভাবে পরিবেশ ধ্বংস করা হচ্ছে, তা পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।


রাজশাহীতে নাবা ফার্মের বর্জ্য সন্ত্রাস
রাতের আঁধারে পরিবেশ ধ্বংস, প্রতিকারহীন এলাকাবাসী
◀ বিস্তারিত কমেন্ট ▶
dailyupochar.com
০৮ আগস্ট ২০২৬