মঙ্গলবার , ২৬ মে ২০২৬
হোমরাজশাহীসাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে থানায় অভিযোগ

সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে থানায় অভিযোগ

favicon
স্টাফ রিপোর্টার:-
সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে থানায় অভিযোগ

রাজশাহী নগরীর মতিহার থানা এলাকার কাজলা বিলপাড়ার মৃত মাসুদের ছেলে মুঞ্জুর এবং কাটাখালি থানা এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে মো: সাকিল আলীর বিরুদ্ধে প্রাণনাশের হুমকি, মিথ্যা অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ এনে বোয়ালিয়া মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন দৈনিক বর্তমানের রাজশাহী ব্যুরো প্রধান ও জাতীয় দৈনিক যায়যায়কালের উত্তরবঙ্গের প্রধান প্রতিবেদক মো: পাভেল ইসলাম মিমুল।

রোববার (২৪ মে) বিকেল ৪টার দিকে নগরীর তালাইমারী বাজার এলাকায় নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনসদৃশ এক প্রতিবাদ সভায় তিনি এসব অভিযোগ তুলে ধরেন।

ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে অনুসন্ধানে নামে কয়েকজন সাংবাদিক। অনুসন্ধানে উঠে আসে অটোরিকশা চুরি নাটকের নেপথ্যের নানা তথ্য।

জানা যায়, গত ২১ মে দুপুরে মুঞ্জুর ব্যক্তিগত প্রয়োজনে অটোরিকশা চালানোর কথা বলে মিলন নামের এক যুবককে সঙ্গে নিয়ে কাটাখালি থানার কাপাসিয়া এলাকার পরিচিত ব্যক্তি মো: সাকিল আলীর গ্যারেজে যান। পরে সাকিলকে সঙ্গে নিয়ে চারঘাট উপজেলার ইউসুফ ইউনিয়নের গোবিন্দপুর বাজার এলাকায় একটি গ্যারেজে অটোরিকশাটি নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে গাড়িটি বিক্রির জন্য ৫০ হাজার টাকায় দরদাম চূড়ান্ত করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, পরে অটোরিকশাটি কাপাসিয়ায় সাকিলের গ্যারেজে এনে ব্যাটারি খুলে আলাদাভাবে বিক্রি করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, সেই টাকা থেকে ৩০ হাজার টাকা মুঞ্জুরের হাতে দেওয়া হয় এবং বাকি ২০ হাজার টাকা পরে দেওয়ার কথা বলা হয়।

এরপর মুঞ্জুর সাংবাদিক পাভেল ইসলাম মিমুলকে ফোন করে দাবি করেন, তার অটোরিকশা চুরি হয়ে গেছে। বিষয়টি জানার পর সাংবাদিক মিমুল ঘটনাস্থলে ছুটে যান। এসময় তিনি মুঞ্জুরকে বিভিন্ন তথ্য জানতে চাইলে মুঞ্জুর অটোরিকশার কাগজপত্র ও চাবি দেখিয়ে জানান, সবুজ রঙের অটোরিকশাটির নম্বর ‘কে এইচ এ-০৪৭৪৩’ এবং সেটি গোবিন্দপুর এলাকায় রয়েছে।

মুঞ্জুরের কথামতো সাংবাদিক পাভেল ইসলাম মিমুল, ওমর আলী ও রেন্টুসহ কয়েকজন গোবিন্দপুর বাজার এলাকায় গিয়ে বিভিন্ন গ্যারেজে খোঁজ নেন। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে জানতে পারেন, অটোরিকশাটি কাপাসিয়া বাজারে সাকিলের গ্যারেজে রয়েছে।

সেখানে গিয়ে দেখা যায়, গ্যারেজে তালা ঝুলছে। পরে গেটের সামনে লেখা মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করা হলে সাকিলের বাবা রফিকুল ইসলাম এসে গ্যারেজ খুলে দেন। ভিতরে তিনটি অটোরিকশা দেখা যায়। ছবি ও রঙ দেখে গাড়িটি শনাক্ত করা হয়। তবে গাড়ির নম্বর খুলে ফেলা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন উপস্থিতরা।

এসময় স্থানীয়দের বিষয়টি জানানো হলে সাকিলের স্ত্রী খাদিজা সেখানে এসে নিজেকে সাংবাদিক পরিবারের সদস্য দাবি করেন। পরে তিনি একটি ভিজিটিং কার্ড দেখান, যেখানে সাকিল আলীকে “আলোকিত তালাশ ৮৪” অনলাইন নিউজ পোর্টালের ক্যামেরাম্যান হিসেবে উল্লেখ করা ছিল।

বিষয়টি জানতে “আলোকিত তালাশ ৮৪”-এর সম্পাদক এস এম কাজিম বাবুর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, সাকিল আলী তাদের প্রতিষ্ঠানের কেউ নন। তিনি ভুয়া সাংবাদিক পরিচয়ে বিভিন্ন অপকর্ম করে বেড়াচ্ছেন এবং তাদের প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছেন। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানান তিনি।

ঘটনাটি জানাজানি হলে আরএমপির কাটাখালি থানার এসআই রাজ্জাক, এএসআই ওমর ফারুকসহ পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। এসময় সাকিলের বাবা রফিকুল ইসলামকে আটক করা হয়। পরে তিনি ব্যাটারিগুলো ফেরত এনে অটোরিকশা বুঝিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেন। পুলিশ তাকে সেই সুযোগ দিলে তিনি গোবিন্দপুর এলাকা থেকে ব্যাটারিগুলো এনে মিস্ত্রি দিয়ে গাড়িতে পুনরায় সংযুক্ত করেন।

তবে মুঞ্জুরকে একাধিকবার ডাকা হলেও তিনি সেখানে উপস্থিত হননি। পরে পুলিশ অটোরিকশাটি থানায় নিয়ে যায়।

পরবর্তীতে গত ২২ মে শুক্রবার দুপুরে মুঞ্জুর আবারও সাংবাদিক পাভেল ইসলাম মিমুলের সহযোগিতা চান থানায় থেকে গাড়ি ছাড়িয়ে আনার জন্য। এসময় মিমুল পুরো ঘটনাটি উপস্থিত লোকজনের সামনে খুলে বলেন। তিনি দাবি করেন, মুঞ্জুর নিজের সম্পৃক্ততা আড়াল করতে সাংবাদিকদের ব্যবহার করার চেষ্টা করছেন।

এ বিষয়ে কাটাখালি থানার এসআই ওয়ারিশের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, মুঞ্জুরকে ডাকার পরও তিনি প্রথমে আসেননি। পরে মালিকপক্ষের চাপে এসে লিখিত দিয়ে গাড়ি বুঝে নেন। পুলিশের ধারণা, ঘটনার সঙ্গে মুঞ্জুর নিজেও জড়িত থাকতে পারেন।

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিক পাভেল ইসলাম মিমুল বলেন, তার বিরুদ্ধে “সাংবাদিক পরিচয়ে প্রতারণা” ও “অটোচালকের ২৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ” শিরোনামে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। নিজের অপরাধ ঢাকতেই মুঞ্জুর বিভিন্ন স্থানে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, “আমাকে একাধিকবার ফোন, মেসেজ ও হোয়াটসঅ্যাপে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে। এমনকি অন্যদের দিয়েও হুমকি দেওয়ানো হচ্ছে। আমার নামে মতিহার থানায় মিথ্যা অভিযোগও করা হয়েছে।”

তিনি দাবি করেন, এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার মানহানি ও সম্মান ক্ষুণ্ণ করার জন্যই এ অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

পাভেল ইসলাম মিমুল বলেন, “আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে অনুরোধ, কারও পক্ষ না নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হোক।”

তিনি আরও জানান, তাদের কাছে অটোরিকশা উদ্ধারের ভিডিও ফুটেজ, কল রেকর্ড ও বিভিন্ন প্রমাণ সংরক্ষিত রয়েছে। প্রয়োজন হলে সেগুলো তদন্ত সংশ্লিষ্টদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এ বিষয়ে বোয়ালিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: রবিউল ইসলাম বলেন, অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অপরাধী যেই হোক, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।

সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে থানায় অভিযোগ
◀ বিস্তারিত কমেন্ট ▶
dailyupochar.com
২৫ মে ২০২৬
দৈনিক উপচার
 মঙ্গলবার , ২৬ মে ২০২৬
হোমরাজশাহীসাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে থানায় অভিযোগ

সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে থানায় অভিযোগ

favicon
স্টাফ রিপোর্টার:-
সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে থানায় অভিযোগ

রাজশাহী নগরীর মতিহার থানা এলাকার কাজলা বিলপাড়ার মৃত মাসুদের ছেলে মুঞ্জুর এবং কাটাখালি থানা এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে মো: সাকিল আলীর বিরুদ্ধে প্রাণনাশের হুমকি, মিথ্যা অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ এনে বোয়ালিয়া মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন দৈনিক বর্তমানের রাজশাহী ব্যুরো প্রধান ও জাতীয় দৈনিক যায়যায়কালের উত্তরবঙ্গের প্রধান প্রতিবেদক মো: পাভেল ইসলাম মিমুল।

রোববার (২৪ মে) বিকেল ৪টার দিকে নগরীর তালাইমারী বাজার এলাকায় নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনসদৃশ এক প্রতিবাদ সভায় তিনি এসব অভিযোগ তুলে ধরেন।

ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে অনুসন্ধানে নামে কয়েকজন সাংবাদিক। অনুসন্ধানে উঠে আসে অটোরিকশা চুরি নাটকের নেপথ্যের নানা তথ্য।

জানা যায়, গত ২১ মে দুপুরে মুঞ্জুর ব্যক্তিগত প্রয়োজনে অটোরিকশা চালানোর কথা বলে মিলন নামের এক যুবককে সঙ্গে নিয়ে কাটাখালি থানার কাপাসিয়া এলাকার পরিচিত ব্যক্তি মো: সাকিল আলীর গ্যারেজে যান। পরে সাকিলকে সঙ্গে নিয়ে চারঘাট উপজেলার ইউসুফ ইউনিয়নের গোবিন্দপুর বাজার এলাকায় একটি গ্যারেজে অটোরিকশাটি নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে গাড়িটি বিক্রির জন্য ৫০ হাজার টাকায় দরদাম চূড়ান্ত করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, পরে অটোরিকশাটি কাপাসিয়ায় সাকিলের গ্যারেজে এনে ব্যাটারি খুলে আলাদাভাবে বিক্রি করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, সেই টাকা থেকে ৩০ হাজার টাকা মুঞ্জুরের হাতে দেওয়া হয় এবং বাকি ২০ হাজার টাকা পরে দেওয়ার কথা বলা হয়।

এরপর মুঞ্জুর সাংবাদিক পাভেল ইসলাম মিমুলকে ফোন করে দাবি করেন, তার অটোরিকশা চুরি হয়ে গেছে। বিষয়টি জানার পর সাংবাদিক মিমুল ঘটনাস্থলে ছুটে যান। এসময় তিনি মুঞ্জুরকে বিভিন্ন তথ্য জানতে চাইলে মুঞ্জুর অটোরিকশার কাগজপত্র ও চাবি দেখিয়ে জানান, সবুজ রঙের অটোরিকশাটির নম্বর ‘কে এইচ এ-০৪৭৪৩’ এবং সেটি গোবিন্দপুর এলাকায় রয়েছে।

মুঞ্জুরের কথামতো সাংবাদিক পাভেল ইসলাম মিমুল, ওমর আলী ও রেন্টুসহ কয়েকজন গোবিন্দপুর বাজার এলাকায় গিয়ে বিভিন্ন গ্যারেজে খোঁজ নেন। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে জানতে পারেন, অটোরিকশাটি কাপাসিয়া বাজারে সাকিলের গ্যারেজে রয়েছে।

সেখানে গিয়ে দেখা যায়, গ্যারেজে তালা ঝুলছে। পরে গেটের সামনে লেখা মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করা হলে সাকিলের বাবা রফিকুল ইসলাম এসে গ্যারেজ খুলে দেন। ভিতরে তিনটি অটোরিকশা দেখা যায়। ছবি ও রঙ দেখে গাড়িটি শনাক্ত করা হয়। তবে গাড়ির নম্বর খুলে ফেলা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন উপস্থিতরা।

এসময় স্থানীয়দের বিষয়টি জানানো হলে সাকিলের স্ত্রী খাদিজা সেখানে এসে নিজেকে সাংবাদিক পরিবারের সদস্য দাবি করেন। পরে তিনি একটি ভিজিটিং কার্ড দেখান, যেখানে সাকিল আলীকে “আলোকিত তালাশ ৮৪” অনলাইন নিউজ পোর্টালের ক্যামেরাম্যান হিসেবে উল্লেখ করা ছিল।

বিষয়টি জানতে “আলোকিত তালাশ ৮৪”-এর সম্পাদক এস এম কাজিম বাবুর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, সাকিল আলী তাদের প্রতিষ্ঠানের কেউ নন। তিনি ভুয়া সাংবাদিক পরিচয়ে বিভিন্ন অপকর্ম করে বেড়াচ্ছেন এবং তাদের প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছেন। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানান তিনি।

ঘটনাটি জানাজানি হলে আরএমপির কাটাখালি থানার এসআই রাজ্জাক, এএসআই ওমর ফারুকসহ পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। এসময় সাকিলের বাবা রফিকুল ইসলামকে আটক করা হয়। পরে তিনি ব্যাটারিগুলো ফেরত এনে অটোরিকশা বুঝিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেন। পুলিশ তাকে সেই সুযোগ দিলে তিনি গোবিন্দপুর এলাকা থেকে ব্যাটারিগুলো এনে মিস্ত্রি দিয়ে গাড়িতে পুনরায় সংযুক্ত করেন।

তবে মুঞ্জুরকে একাধিকবার ডাকা হলেও তিনি সেখানে উপস্থিত হননি। পরে পুলিশ অটোরিকশাটি থানায় নিয়ে যায়।

পরবর্তীতে গত ২২ মে শুক্রবার দুপুরে মুঞ্জুর আবারও সাংবাদিক পাভেল ইসলাম মিমুলের সহযোগিতা চান থানায় থেকে গাড়ি ছাড়িয়ে আনার জন্য। এসময় মিমুল পুরো ঘটনাটি উপস্থিত লোকজনের সামনে খুলে বলেন। তিনি দাবি করেন, মুঞ্জুর নিজের সম্পৃক্ততা আড়াল করতে সাংবাদিকদের ব্যবহার করার চেষ্টা করছেন।

এ বিষয়ে কাটাখালি থানার এসআই ওয়ারিশের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, মুঞ্জুরকে ডাকার পরও তিনি প্রথমে আসেননি। পরে মালিকপক্ষের চাপে এসে লিখিত দিয়ে গাড়ি বুঝে নেন। পুলিশের ধারণা, ঘটনার সঙ্গে মুঞ্জুর নিজেও জড়িত থাকতে পারেন।

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিক পাভেল ইসলাম মিমুল বলেন, তার বিরুদ্ধে “সাংবাদিক পরিচয়ে প্রতারণা” ও “অটোচালকের ২৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ” শিরোনামে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। নিজের অপরাধ ঢাকতেই মুঞ্জুর বিভিন্ন স্থানে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, “আমাকে একাধিকবার ফোন, মেসেজ ও হোয়াটসঅ্যাপে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে। এমনকি অন্যদের দিয়েও হুমকি দেওয়ানো হচ্ছে। আমার নামে মতিহার থানায় মিথ্যা অভিযোগও করা হয়েছে।”

তিনি দাবি করেন, এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার মানহানি ও সম্মান ক্ষুণ্ণ করার জন্যই এ অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

পাভেল ইসলাম মিমুল বলেন, “আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে অনুরোধ, কারও পক্ষ না নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হোক।”

তিনি আরও জানান, তাদের কাছে অটোরিকশা উদ্ধারের ভিডিও ফুটেজ, কল রেকর্ড ও বিভিন্ন প্রমাণ সংরক্ষিত রয়েছে। প্রয়োজন হলে সেগুলো তদন্ত সংশ্লিষ্টদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এ বিষয়ে বোয়ালিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: রবিউল ইসলাম বলেন, অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অপরাধী যেই হোক, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।

সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে থানায় অভিযোগ
◀ বিস্তারিত কমেন্ট ▶
dailyupochar.com
২৫ মে ২০২৬