মঙ্গলবার , ০৬ অক্টোবর ২০২৬
হোম › জাতীয় › তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

favicon
উপচার ডেস্ক :-
তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

গণমাধ্যমের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার পুরোপুরি অঙ্গীকারবদ্ধ এবং সংবাদমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করার কোনো ইচ্ছা বা প্রয়াস সরকারের নেই বলে সাফ জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিভ রহমান। সোমবার (৫ অক্টোবর) সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর নিজ দপ্তরে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুক সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ কথা জানান। এ সময় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষাৎকালে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিভ রহমানকে নতুন দায়িত্ব গ্রহণের জন্য আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান। বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, মুক্ত গণমাধ্যম চর্চা এবং সমসাময়িক তথ্যপ্রযুক্তির চ্যালেঞ্জ নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকদের অবাধ মতপ্রকাশ ও পেশাগত স্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সাধারণ জনগণকে ভুল তথ্য ও বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার থেকে সুরক্ষা দেওয়াও রাষ্ট্রের জন্য সমান গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে মূলধারার গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মানহানিকর, অসত্য কিংবা বিদ্বেষমূলক কনটেন্ট প্রচারের বিরুদ্ধে দায়িত্বশীল ও কার্যকর আইনি কাঠামোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতার সুরক্ষার পাশাপাশি নাগরিক অধিকারের ভারসাম্য রক্ষা করা জরুরি। এ লক্ষ্যে সরকার সাংবাদিক ইউনিয়ন, সুশীল সমাজ ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন সংলাপ বজায় রাখছে। সাংবাদিকদের পেশাগত ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যমকর্মীদের উপযুক্ত বেতন ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিতে সংবাদপত্রের মালিকপক্ষকেও আরও মানবিক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে।

যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুক সংবাদপত্রের স্বাধীনতা সমুন্নত রাখার পাশাপাশি সাংবাদিকতার পেশাগত ও নৈতিক মানদণ্ড বজায় রাখার তাগিদ দেন। সামাজিক মাধ্যমে মিথ্যা তথ্য ও গুজবের বিস্তার রোধে স্বাধীন ফ্যাক্ট-চেকিংয়ের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি জানান, এ ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্যের গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রক সংস্থা 'অফকম' Office of Communications (Ofcom)-এর সঙ্গে বাংলাদেশের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক অভিজ্ঞতা বিনিময় ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।

বৈঠকে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির যুগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নেতিবাচক প্রভাব ও অপতথ্য মোকাবিলা, তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা নিশ্চিতকরণ এবং উভয় দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট যৌথ সহযোগিতার বিভিন্ন ক্ষেত্র নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ
◀ বিস্তারিত কমেন্ট ▶
dailyupochar.com
০৫ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক উপচার
 মঙ্গলবার , ০৬ অক্টোবর ২০২৬
হোম › জাতীয় › তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

favicon
উপচার ডেস্ক :-
তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

গণমাধ্যমের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার পুরোপুরি অঙ্গীকারবদ্ধ এবং সংবাদমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করার কোনো ইচ্ছা বা প্রয়াস সরকারের নেই বলে সাফ জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিভ রহমান। সোমবার (৫ অক্টোবর) সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর নিজ দপ্তরে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুক সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ কথা জানান। এ সময় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষাৎকালে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিভ রহমানকে নতুন দায়িত্ব গ্রহণের জন্য আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান। বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, মুক্ত গণমাধ্যম চর্চা এবং সমসাময়িক তথ্যপ্রযুক্তির চ্যালেঞ্জ নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকদের অবাধ মতপ্রকাশ ও পেশাগত স্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সাধারণ জনগণকে ভুল তথ্য ও বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার থেকে সুরক্ষা দেওয়াও রাষ্ট্রের জন্য সমান গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে মূলধারার গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মানহানিকর, অসত্য কিংবা বিদ্বেষমূলক কনটেন্ট প্রচারের বিরুদ্ধে দায়িত্বশীল ও কার্যকর আইনি কাঠামোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতার সুরক্ষার পাশাপাশি নাগরিক অধিকারের ভারসাম্য রক্ষা করা জরুরি। এ লক্ষ্যে সরকার সাংবাদিক ইউনিয়ন, সুশীল সমাজ ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন সংলাপ বজায় রাখছে। সাংবাদিকদের পেশাগত ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যমকর্মীদের উপযুক্ত বেতন ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিতে সংবাদপত্রের মালিকপক্ষকেও আরও মানবিক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে।

যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুক সংবাদপত্রের স্বাধীনতা সমুন্নত রাখার পাশাপাশি সাংবাদিকতার পেশাগত ও নৈতিক মানদণ্ড বজায় রাখার তাগিদ দেন। সামাজিক মাধ্যমে মিথ্যা তথ্য ও গুজবের বিস্তার রোধে স্বাধীন ফ্যাক্ট-চেকিংয়ের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি জানান, এ ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্যের গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রক সংস্থা 'অফকম' Office of Communications (Ofcom)-এর সঙ্গে বাংলাদেশের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক অভিজ্ঞতা বিনিময় ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।

বৈঠকে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির যুগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নেতিবাচক প্রভাব ও অপতথ্য মোকাবিলা, তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা নিশ্চিতকরণ এবং উভয় দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট যৌথ সহযোগিতার বিভিন্ন ক্ষেত্র নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ
◀ বিস্তারিত কমেন্ট ▶
dailyupochar.com
০৫ অক্টোবর ২০২৬