সোমবার , ১৩ জুলাই ২০২৬
হোমরাজশাহীদুর্গাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে মাইনুল হক কে চান সর্বস্তরের মানুষ

দুর্গাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে মাইনুল হক কে চান সর্বস্তরের মানুষ

favicon
স্টাফ রিপোর্টার :-
দুর্গাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে মাইনুল হক কে চান সর্বস্তরের মানুষ

মানুষের পাশে থাকা, ত্যাগ ও সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলায় তরুণ বিএনপি নেতা মোঃ মাইনুল হক এখন সাধারণ মানুষের আস্থার নাম। আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তাকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান উপজেলার তৃণমূল নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ ভোটাররা।

মোঃ মাইনুল হক, রাজশাহী জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি'র একজন কর্মী। তিনি দুর্গাপুর পৌর ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, দুর্গাপুর উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব এবং বর্তমানে দুর্গাপুর মহিলা ডিগ্রী কলেজের গভর্নিং বডির সফল সভাপতি। তিনি নিজেকে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শের একনিষ্ঠ সৈনিক এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বিএনপি'র চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিশ্বস্ত কর্মী হিসেবে পরিচয় দেন। স্থানীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য, গত ১৫ বছরে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের প্রতিটি আন্দোলনে তিনি দুর্গাপুরের সামনের সারির কাণ্ডারি ছিলেন। দুঃসময়ে দলের নেতাকর্মীদের মনোবল ধরে রাখতে এবং ঐক্যবদ্ধ রাখতে তার ভূমিকা ছিল অগ্রণী। রাজনীতির বাইরেও মাইনুল হক এলাকায় "মানুষের বন্ধু" হিসেবে পরিচিত। করোনাকালীন সময়, ও শীতকালীন সময় তিনি নিজ উদ্যোগে গরিব-অসহায় ও দুঃস্থ পরিবারের মাঝে খাদ্য, শীতবস্ত্র ও চিকিৎসা সহায়তা পৌঁছে দিয়েছেন। রাজনৈতিক হয়রানির শিকার নেতাকর্মী ও তাদের পরিবারের পাশে তিনি শুধু সহযোগিতাই করেননি, তাদের সন্তানদের লেখাপড়ার দায়িত্বও নিয়েছেন বলে জানান স্থানীয়রা। দুর্গাপুর মহিলা ডিগ্রী কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে শিক্ষার মানোন্নয়ন, অবকাঠামো উন্নয়ন ও মেধাবী-অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে তার অবদান প্রশংসিত হচ্ছে। দুর্গাপুর পৌরসভা ও ৭টি ইউনিয়নের তৃণমূল নেতৃবৃন্দ বলছেন, মাইনুল হকরে মতো একজন তরুণ, শিক্ষিত ও জনবান্ধব নেতা দায়িত্ব পেলে দুর্গাপুর উপজেলায় ব্যাপক উন্নয়ন সম্ভব। একজন ভোটার বলেন, “মাইনুল ভাই শুধু নেতা না, তিনি আমাদের বিপদের সাথী। রাত ২টায় ফোন দিলেও সাড়া পাই। এমন মানুষই আমাদের চেয়ারম্যান হওয়া দরকার। দুর্গাপুর উপজেলার তরুণ বিএনপি নেতা মোঃ মাইনুল হক বলেন, “আমার রাজনীতির মূলমন্ত্র মানুষের সেবা। যদি আল্লাহর রহমতে এবং উপজেলাবাসীর দেওয়া দায়িত্ব পাই, তাহলে দুর্গাপুর উপজেলাকে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও যোগাযোগে রোল মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলব ইনশাআল্লাহ।

তারুণ্যের উদ্যম, ত্যাগের রাজনীতি ও মানবিক গুণের কারণেই দুর্গাপুর উপজেলাবাসী এবার মাইনুল হক কে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের আসনে দেখতে চায়।

দুর্গাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে মাইনুল হক কে চান সর্বস্তরের মানুষ
◀ বিস্তারিত কমেন্ট ▶
dailyupochar.com
১২ জুলাই ২০২৬
দৈনিক উপচার
 সোমবার , ১৩ জুলাই ২০২৬
হোমরাজশাহীদুর্গাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে মাইনুল হক কে চান সর্বস্তরের মানুষ

দুর্গাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে মাইনুল হক কে চান সর্বস্তরের মানুষ

favicon
স্টাফ রিপোর্টার :-
দুর্গাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে মাইনুল হক কে চান সর্বস্তরের মানুষ

মানুষের পাশে থাকা, ত্যাগ ও সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলায় তরুণ বিএনপি নেতা মোঃ মাইনুল হক এখন সাধারণ মানুষের আস্থার নাম। আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তাকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান উপজেলার তৃণমূল নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ ভোটাররা।

মোঃ মাইনুল হক, রাজশাহী জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি'র একজন কর্মী। তিনি দুর্গাপুর পৌর ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, দুর্গাপুর উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব এবং বর্তমানে দুর্গাপুর মহিলা ডিগ্রী কলেজের গভর্নিং বডির সফল সভাপতি। তিনি নিজেকে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শের একনিষ্ঠ সৈনিক এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বিএনপি'র চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিশ্বস্ত কর্মী হিসেবে পরিচয় দেন। স্থানীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য, গত ১৫ বছরে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের প্রতিটি আন্দোলনে তিনি দুর্গাপুরের সামনের সারির কাণ্ডারি ছিলেন। দুঃসময়ে দলের নেতাকর্মীদের মনোবল ধরে রাখতে এবং ঐক্যবদ্ধ রাখতে তার ভূমিকা ছিল অগ্রণী। রাজনীতির বাইরেও মাইনুল হক এলাকায় "মানুষের বন্ধু" হিসেবে পরিচিত। করোনাকালীন সময়, ও শীতকালীন সময় তিনি নিজ উদ্যোগে গরিব-অসহায় ও দুঃস্থ পরিবারের মাঝে খাদ্য, শীতবস্ত্র ও চিকিৎসা সহায়তা পৌঁছে দিয়েছেন। রাজনৈতিক হয়রানির শিকার নেতাকর্মী ও তাদের পরিবারের পাশে তিনি শুধু সহযোগিতাই করেননি, তাদের সন্তানদের লেখাপড়ার দায়িত্বও নিয়েছেন বলে জানান স্থানীয়রা। দুর্গাপুর মহিলা ডিগ্রী কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে শিক্ষার মানোন্নয়ন, অবকাঠামো উন্নয়ন ও মেধাবী-অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে তার অবদান প্রশংসিত হচ্ছে। দুর্গাপুর পৌরসভা ও ৭টি ইউনিয়নের তৃণমূল নেতৃবৃন্দ বলছেন, মাইনুল হকরে মতো একজন তরুণ, শিক্ষিত ও জনবান্ধব নেতা দায়িত্ব পেলে দুর্গাপুর উপজেলায় ব্যাপক উন্নয়ন সম্ভব। একজন ভোটার বলেন, “মাইনুল ভাই শুধু নেতা না, তিনি আমাদের বিপদের সাথী। রাত ২টায় ফোন দিলেও সাড়া পাই। এমন মানুষই আমাদের চেয়ারম্যান হওয়া দরকার। দুর্গাপুর উপজেলার তরুণ বিএনপি নেতা মোঃ মাইনুল হক বলেন, “আমার রাজনীতির মূলমন্ত্র মানুষের সেবা। যদি আল্লাহর রহমতে এবং উপজেলাবাসীর দেওয়া দায়িত্ব পাই, তাহলে দুর্গাপুর উপজেলাকে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও যোগাযোগে রোল মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলব ইনশাআল্লাহ।

তারুণ্যের উদ্যম, ত্যাগের রাজনীতি ও মানবিক গুণের কারণেই দুর্গাপুর উপজেলাবাসী এবার মাইনুল হক কে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের আসনে দেখতে চায়।

দুর্গাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে মাইনুল হক কে চান সর্বস্তরের মানুষ
◀ বিস্তারিত কমেন্ট ▶
dailyupochar.com
১২ জুলাই ২০২৬