রাজশাহীর শিক্ষার উন্নয়নে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি এমপি হাবীবার
সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য মাহ্মুদা হাবীবা বলেছেন, রাজশাহী তাঁর আবেগ ও ভালোবাসার শহর। এই শহরেই তাঁর শিক্ষাজীবনের সূচনা হওয়ায় রাজশাহীর শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করবেন তিনি।
রোববার (৫ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টায় রাজশাহী জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর) কর্মসূচির আওতায় গৃহীত বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মাহ্মুদা হাবীবা বলেন, রাজশাহী দেশের অন্যতম শিক্ষা নগরী। বিএনপির নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী শিক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। চলতি বাজেটে শিক্ষা খাতে জিডিপির প্রায় ২ শতাংশ বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যা আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি বলেন, রাজশাহীর দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন প্রতিনিধি হিসেবে শিক্ষা খাতে বরাদ্দের উল্লেখযোগ্য অংশ যেন রাজশাহী পায়, সে লক্ষ্যে তিনি কাজ করবেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করে শিক্ষার্থীদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সবাইকে আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি।
এ সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে সরকারের দেওয়া অর্থ যথাযথ ও স্বচ্ছভাবে ব্যয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, জনগণের অর্থ জনগণের কল্যাণেই ব্যয় হতে হবে।
আগামী পাঁচ বছর রাজশাহীর উন্নয়নে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন সংসদ সদস্য। একই সঙ্গে দেশ গঠনে প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের জন্য দোয়া কামনা করেন তিনি।
বক্তব্যের শেষাংশে তিনি ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে নিহত ও আহতদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং তাদের আত্মত্যাগ জাতিকে সবসময় স্মরণ রাখার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠান শেষে রাজশাহী মহানগরীর ২৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের হাতে মোট ৪০ লাখ টাকার অনুদানের চেক তুলে দেন প্রধান অতিথি।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহীর জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, অনুদানের অর্থ নির্ধারিত উদ্দেশ্যে ও সঠিকভাবে ব্যয় নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন নিয়মিত তদারকি করবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মহিনুল হাসান, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা (ডিআরআরও) আব্দুল হাই সরকার, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও প্রতিনিধিসহ জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।