রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১৮ শিক্ষার্থীর বিশেষ ব্যবস্থায় রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন
রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের অধীনে বগুড়া ও নাটোরের দুটি কলেজের ১৮ শিক্ষার্থী প্রবেশপত্র না পাওয়ায় চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি। তবে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনায় নিয়ে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড বিশেষ ব্যবস্থায় শুক্রবার (৩ জুলাই) তাদের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করেছে। ফলে তারা শনিবার (৪ জুলাই) অনুষ্ঠিতব্য বাংলা দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।
শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, পরীক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন না হওয়ায় তাদের প্রবেশপত্র ইস্যু হয়নি। ফলে বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত এইচএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনের বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষায় তারা অংশগ্রহণ করতে পারেননি। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. শামীম আরা চৌধুরী বলেন, শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন শুক্রবার সম্পন্ন করা হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেই শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশনের প্রয়োজনীয় তথ্য ও কাগজপত্র শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে জমা দেওয়ার কথা। মূল কাজটি কলেজ পর্যায়েই সম্পন্ন হয়। অসাধু কিছু মানুষের কারণে এ সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। তবে শিক্ষার্থীদের ক্ষতি এড়াতে বিশেষ ব্যবস্থায় তাদের রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে। তারা শনিবারের বাংলা দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে।
জানা গেছে, বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার মহাস্থান মাহীসওয়ার ডিগ্রি কলেজের ১০ জন এবং নাটোরের লালপুর উপজেলার আব্দুলপুর সরকারি কলেজের আটজন শিক্ষার্থী এই সমস্যার মুখে পড়েন। তারা সবাই এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের জন্য কলেজের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মচারীদের কাছে প্রয়োজনীয় অর্থ জমা দিয়েছিলেন। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, ওই অর্থ শিক্ষা বোর্ডে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করায় শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হয়নি এবং প্রবেশপত্রও আসেনি।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, তাদের কাছ থেকে ফরম পূরণের টাকা নেওয়ার পর কলেজের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মচারীরা বোর্ডে তা জমা দেননি। বিষয়টি তারা পরীক্ষার ঠিক আগমুহূর্তে জানতে পারেন। ফলে দীর্ঘদিনের প্রস্তুতি থাকা সত্ত্বেও প্রথম দিনের পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সম্ভব হয়নি।
বগুড়ার মহাস্থান মাহীসওয়ার ডিগ্রি কলেজের ১০ শিক্ষার্থীর অভিযোগ, কলেজের খণ্ডকালীন কম্পিউটার অপারেটর সাব্বির হোসেন শাওন তাদের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে রেজিস্ট্রেশনের কাজ সম্পন্ন করার আশ্বাস দিলেও শেষ পর্যন্ত তা করেননি। প্রবেশপত্র চাইলে তিনি বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করেন। পরীক্ষার আগের দিন থেকে তার মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী সম্রাট সরকার বলেন, প্রবেশপত্র চাইলে সাব্বির হোসেন শাওন বারবার নানা অজুহাত দেন। বিষয়টি কলেজ কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। আরেক শিক্ষার্থী হাসর মিয়া বলেন, নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পর অতিরিক্ত অর্থ নিয়ে ফরম পূরণের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোনো কাজই হয়নি। পরীক্ষার আগের দিন থেকে অভিযুক্ত ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগও সম্ভব হয়নি। এতে তাদের একটি শিক্ষাবর্ষ অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে গেছে।
অন্যদিকে নাটোরের আব্দুলপুর সরকারি কলেজের আট শিক্ষার্থী একই ধরনের অভিযোগ তুলেছেন কলেজের অফিস সহকারী অমিত কুমার সরকারের বিরুদ্ধে। তাদের দাবি, অনলাইনে ফরম পূরণে জটিলতার সুযোগ নিয়ে তিনি শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা নিলেও তা বোর্ডে জমা দেননি।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ইসরাত জাহান সূচি বলেন, অনলাইনে ফরম পূরণে সমস্যা হওয়ায় তিনি অফিস সহকারী অমিত কুমার সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তিনি ফরম পূরণের জন্য তিন হাজার ৫০০ টাকা নেন। কিন্তু পরীক্ষার আগের দিন থেকে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায় এবং তিনি কলেজেও আসেননি। পরে জানা যায়, তার ফরমই পূরণ করা হয়নি। শুধু তিনি নন, একইভাবে প্রতারণার শিকার হয়েছেন আরও সাত শিক্ষার্থী। তারা হলেন সবুজ আহম্মেদ, শিমুল শেখ, আকিবুল, শিমুল, শাওন, সাব্বির ও তানভির হোসেন।
সূচির বাবা ইমামুল হক বলেন, একজন কর্মচারীর অবহেলা ও প্রতারণার কারণে তার মেয়ের উচ্চশিক্ষার পথ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। তিনি এ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
এ বিষয়ে আব্দুলপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মাহমুদুর রহমান বলেন, অভিযুক্ত অফিস সহকারীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে তিনি জানান, যেসব শিক্ষার্থী টাকা দেওয়ার দাবি করছেন, তাদের মধ্যে কয়েকজন নির্বাচনি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ায় কলেজ কর্তৃপক্ষ তাদের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অনুমতি দেয়নি।
বগুড়ার মহাস্থান মাহীসওয়ার ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. মতিউর রহমান বলেন, বুধবার বিকেলে প্রথমবারের মতো বিষয়টি তার নজরে আসে। কলেজে ফরম পূরণসহ সব ধরনের আর্থিক লেনদেন ব্যাংকের মাধ্যমে সম্পন্ন হওয়ার নিয়ম রয়েছে। এ জন্য পৃথক কমিটিও রয়েছে। কোনো কর্মচারীর হাতে নগদ অর্থ নেওয়ার বিধান নেই। অভিযোগ পাওয়ার পর অভিযুক্ত কর্মচারীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মিললে তার বিরুদ্ধে আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযোগের বিষয়ে বগুড়ার মহাস্থান মাহীসওয়ার ডিগ্রি কলেজের খণ্ডকালীন কম্পিউটার অপারেটর সাব্বির হোসেন শাওন এবং নাটোরের আব্দুলপুর সরকারি কলেজের অফিস সহকারী অমিত কুমার সরকারের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত এইচএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে মোট দুই হাজার ৪৯৭ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন, যা মোট পরীক্ষার্থীর ২ দশমিক ২১ শতাংশ। তবে প্রবেশপত্র জটিলতায় ক্ষতিগ্রস্ত ১৮ শিক্ষার্থীর রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হওয়ায় তারা শনিবারের বাংলা দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন। শিক্ষা বোর্ডের এই বিশেষ উদ্যোগে শিক্ষার্থীরা স্বস্তি প্রকাশ করলেও দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সচেতন মহল।
শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, পরীক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন না হওয়ায় তাদের প্রবেশপত্র ইস্যু হয়নি। ফলে বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত এইচএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনের বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষায় তারা অংশগ্রহণ করতে পারেননি। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. শামীম আরা চৌধুরী বলেন, শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন শুক্রবার সম্পন্ন করা হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেই শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশনের প্রয়োজনীয় তথ্য ও কাগজপত্র শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে জমা দেওয়ার কথা। মূল কাজটি কলেজ পর্যায়েই সম্পন্ন হয়। অসাধু কিছু মানুষের কারণে এ সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। তবে শিক্ষার্থীদের ক্ষতি এড়াতে বিশেষ ব্যবস্থায় তাদের রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে। তারা শনিবারের বাংলা দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে।
জানা গেছে, বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার মহাস্থান মাহীসওয়ার ডিগ্রি কলেজের ১০ জন এবং নাটোরের লালপুর উপজেলার আব্দুলপুর সরকারি কলেজের আটজন শিক্ষার্থী এই সমস্যার মুখে পড়েন। তারা সবাই এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের জন্য কলেজের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মচারীদের কাছে প্রয়োজনীয় অর্থ জমা দিয়েছিলেন। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, ওই অর্থ শিক্ষা বোর্ডে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করায় শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হয়নি এবং প্রবেশপত্রও আসেনি।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, তাদের কাছ থেকে ফরম পূরণের টাকা নেওয়ার পর কলেজের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মচারীরা বোর্ডে তা জমা দেননি। বিষয়টি তারা পরীক্ষার ঠিক আগমুহূর্তে জানতে পারেন। ফলে দীর্ঘদিনের প্রস্তুতি থাকা সত্ত্বেও প্রথম দিনের পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সম্ভব হয়নি।
বগুড়ার মহাস্থান মাহীসওয়ার ডিগ্রি কলেজের ১০ শিক্ষার্থীর অভিযোগ, কলেজের খণ্ডকালীন কম্পিউটার অপারেটর সাব্বির হোসেন শাওন তাদের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে রেজিস্ট্রেশনের কাজ সম্পন্ন করার আশ্বাস দিলেও শেষ পর্যন্ত তা করেননি। প্রবেশপত্র চাইলে তিনি বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করেন। পরীক্ষার আগের দিন থেকে তার মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী সম্রাট সরকার বলেন, প্রবেশপত্র চাইলে সাব্বির হোসেন শাওন বারবার নানা অজুহাত দেন। বিষয়টি কলেজ কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। আরেক শিক্ষার্থী হাসর মিয়া বলেন, নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পর অতিরিক্ত অর্থ নিয়ে ফরম পূরণের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোনো কাজই হয়নি। পরীক্ষার আগের দিন থেকে অভিযুক্ত ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগও সম্ভব হয়নি। এতে তাদের একটি শিক্ষাবর্ষ অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে গেছে।
অন্যদিকে নাটোরের আব্দুলপুর সরকারি কলেজের আট শিক্ষার্থী একই ধরনের অভিযোগ তুলেছেন কলেজের অফিস সহকারী অমিত কুমার সরকারের বিরুদ্ধে। তাদের দাবি, অনলাইনে ফরম পূরণে জটিলতার সুযোগ নিয়ে তিনি শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা নিলেও তা বোর্ডে জমা দেননি।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ইসরাত জাহান সূচি বলেন, অনলাইনে ফরম পূরণে সমস্যা হওয়ায় তিনি অফিস সহকারী অমিত কুমার সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তিনি ফরম পূরণের জন্য তিন হাজার ৫০০ টাকা নেন। কিন্তু পরীক্ষার আগের দিন থেকে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায় এবং তিনি কলেজেও আসেননি। পরে জানা যায়, তার ফরমই পূরণ করা হয়নি। শুধু তিনি নন, একইভাবে প্রতারণার শিকার হয়েছেন আরও সাত শিক্ষার্থী। তারা হলেন সবুজ আহম্মেদ, শিমুল শেখ, আকিবুল, শিমুল, শাওন, সাব্বির ও তানভির হোসেন।
সূচির বাবা ইমামুল হক বলেন, একজন কর্মচারীর অবহেলা ও প্রতারণার কারণে তার মেয়ের উচ্চশিক্ষার পথ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। তিনি এ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
এ বিষয়ে আব্দুলপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মাহমুদুর রহমান বলেন, অভিযুক্ত অফিস সহকারীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে তিনি জানান, যেসব শিক্ষার্থী টাকা দেওয়ার দাবি করছেন, তাদের মধ্যে কয়েকজন নির্বাচনি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ায় কলেজ কর্তৃপক্ষ তাদের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অনুমতি দেয়নি।
বগুড়ার মহাস্থান মাহীসওয়ার ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. মতিউর রহমান বলেন, বুধবার বিকেলে প্রথমবারের মতো বিষয়টি তার নজরে আসে। কলেজে ফরম পূরণসহ সব ধরনের আর্থিক লেনদেন ব্যাংকের মাধ্যমে সম্পন্ন হওয়ার নিয়ম রয়েছে। এ জন্য পৃথক কমিটিও রয়েছে। কোনো কর্মচারীর হাতে নগদ অর্থ নেওয়ার বিধান নেই। অভিযোগ পাওয়ার পর অভিযুক্ত কর্মচারীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মিললে তার বিরুদ্ধে আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযোগের বিষয়ে বগুড়ার মহাস্থান মাহীসওয়ার ডিগ্রি কলেজের খণ্ডকালীন কম্পিউটার অপারেটর সাব্বির হোসেন শাওন এবং নাটোরের আব্দুলপুর সরকারি কলেজের অফিস সহকারী অমিত কুমার সরকারের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত এইচএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে মোট দুই হাজার ৪৯৭ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন, যা মোট পরীক্ষার্থীর ২ দশমিক ২১ শতাংশ। তবে প্রবেশপত্র জটিলতায় ক্ষতিগ্রস্ত ১৮ শিক্ষার্থীর রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হওয়ায় তারা শনিবারের বাংলা দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন। শিক্ষা বোর্ডের এই বিশেষ উদ্যোগে শিক্ষার্থীরা স্বস্তি প্রকাশ করলেও দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সচেতন মহল।