রপ্তানিকারকদের বৈদেশিক মুদ্রা সংরক্ষণের সীমা দ্বিগুণ
উচ্চ আমদানি-নির্ভর পণ্য রপ্তানিকারকদের জন্য বৈদেশিক মুদ্রা সংরক্ষণের সুযোগ আরও বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, এখন থেকে এসব রপ্তানিকারক দেশে প্রত্যাবাসিত রপ্তানি আয়ের এফওবি (ফ্রি অন বোর্ড) মূল্যের সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ পর্যন্ত বৈদেশিক মুদ্রা এক্সপোর্টার্স রিটেনশন কোটা (ইআরকিউ) হিসাবে সংরক্ষণ করতে পারবেন। এর আগে এ সীমা ছিল ৭ দশমিক ৫ শতাংশ।
বুধবার (২২ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ (এফইপিডি-১) এ-সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে। সার্কুলারটি দেশের সব অনুমোদিত বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনকারী ব্যাংকের (অথরাইজড ডিলার) প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
সার্কুলারে জানানো হয়, ২০২৫ সালের ৩১ জুলাই জারি করা বৈদেশিক মুদ্রা সার্কুলার নং-৩১-এর অনুচ্ছেদ ৭৬(১) সংশোধন করে উচ্চ আমদানি-নির্ভর পণ্য রপ্তানিকারকদের জন্য ইআরকিউ সুবিধার সীমা ৭ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে ইআরকিউ হিসাব পরিচালনা সংক্রান্ত সার্কুলার নং-৩১-এর অনুচ্ছেদ ৭৬-এর অন্যান্য নির্দেশনা আগের মতোই বহাল থাকবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, নতুন এ নির্দেশনা জারির সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর হয়েছে। একই সঙ্গে দেশের সব অনুমোদিত বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনকারী ব্যাংককে সংশ্লিষ্ট রপ্তানিকারকদের দ্রুত বিষয়টি অবহিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বৈদেশিক মুদ্রা সংরক্ষণের সীমা দ্বিগুণ করায় উচ্চ আমদানি-নির্ভর রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রমে আরও নমনীয়তা আসবে। এর ফলে কাঁচামাল আমদানি, বৈদেশিক লেনদেন ব্যবস্থাপনা এবং রপ্তানি কার্যক্রম পরিচালনায় তারা আগের তুলনায় বেশি সুবিধা পাবেন।