সরকারের অব্যবস্থাপনাই সংকট বাড়াচ্ছে?
পাম্পগুলোয় দিনের পর দিন তেলের জন্য যানবাহন নিয়ে মানুষের ঘণ্টার পর ঘণ্টা ক্লান্তিকর অপেক্ষার দীর্ঘ লাইন যেমন আছে, একইসঙ্গে জ্বালানি তেলের সংকটের প্রভাব পড়ছে বিদ্যুৎ উৎপাদনে, দ্রব্যমূল্যে এবং সর্বোপরি অর্থনীতিতে।
ইরান যুদ্ধকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট জ্বালনি সংকটের প্রভাব বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে জোরালোভাবে দৃশ্যমান হচ্ছে।
যদিও অকটেন-পেট্রোলের কোনো ঘাটতি নেই এবং এমনকি ডিজেলও পর্যাপ্ত মজুত করা হয়েছে বলে বাংলাদেশ সরকার দাবি করছে। তাহলে ঘাটতি কোথায়? প্রশ্ন উঠছে সরকারের ব্যবস্থাপনা নিয়ে।
পরিস্থিতির জন্য সরকারের পক্ষ থেকে দায়ী করা হচ্ছে কিছু মানুষের 'প্যানিক বায়িং'-এর বিষয়টিকে এবং এক শ্রেণির অসাধু বা কালোবাজারি চক্রকে।
জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, অসাধু, কালোবাজারি চক্র বার বার তেল নিতে পেট্রোল পাম্পগুলোতে ভিড় করছে এবং তেল সরবরাহে সংকট তৈরি করছে।
এই চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর কথাও বলা হচ্ছে সরকারের পক্ষ থেকে।
কিন্তু উন্নতি নেই পরিস্থিতির। এর অর্থ সরকারের পদক্ষেপ বা পরিকল্পনা মানুষকে সন্তুষ্ট করতে পারছে না এবং সে কারণে ইতিবাচক ফল পাওয়া যাচ্ছে না।
আর সেখানেই সরকারের ব্যবস্থাপনায় ঘাটতি বা অব্যবস্থাপনার প্রশ্ন তুলছেন বিশ্লেষকদের অনেকে।