বৃহস্পতিবার , ২৩ এপ্রিল ২০২৬
হোমরাজশাহীবাধাইড় ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি অনিয়মের অভিযোগ অপসারণ দাবি এলাকাবাসীর

বাধাইড় ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি অনিয়মের অভিযোগ অপসারণ দাবি এলাকাবাসীর

favicon
স্টাফ রিপোর্টার
বাধাইড় ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি অনিয়মের অভিযোগ অপসারণ দাবি এলাকাবাসীর
বাধাইড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান

রাজশাহীর তানোর উপজেলার বাধাইড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমানের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি এসব কারণে তিনি জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন এবং ইউনিয়নের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে গভীর নলকূপ অপারেটর নিয়োগ খাস জমি বাণিজ্য ডাসকোর পুকুর খনন ইজিপি টিআর কাবিখা কাবিটা মাতৃত্বকালীন ভাতা এবং প্রাথমিক বিদ্যালয় মেরামতসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম ও কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগ রয়েছে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। করোনাকালীন সময়ে সরকারি সহায়তা বিতরণেও নয়ছয়ের অভিযোগ উঠেছে।

সরেজমিনে বরাদ্দের বিপরীতে উন্নয়ন কাজের পরিমাণ ও মান তদন্ত করলে প্রকৃত চিত্র বেরিয়ে আসবে বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা। অভিযোগ রয়েছে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়মিত উপস্থিত না থাকায় সাধারণ মানুষ প্রয়োজনের সময় চেয়ারম্যানকে পান না।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ বাণিজ্যের মাধ্যমে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। বহরইল স্কুল নারায়নপুর স্কুল ফজর আলী মোল্লা কলেজ মুন্ডুমালা মহিলা কলেজ বৈদ্যপুর মাদরাসা ও হাঁপানিয়া মাদরাসায় একাধিক পদে নিয়োগে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ রয়েছে। এসব নিয়োগ বাণিজ্যের মাধ্যমে প্রায় কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে বলে অভিযোগ করেন একাধিক সূত্র।

এছাড়াও এমপির বিশেষ বরাদ্দ থেকে বহরইল স্কুলে দুই লাখ টাকা বরাদ্দ হলেও কাজ না করেই তা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। টিআর প্রকল্পের আওতায় নারায়নপুর স্কুলে তিন লাখ টাকা বরাদ্দ থেকে প্রায় চল্লিশ শতাংশ কমিশন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গত অর্থবছরে ইউনিয়নে বড় অঙ্কের বিশেষ বরাদ্দ এলেও তার স্বচ্ছ ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এলাকাবাসী।

আরও অভিযোগ রয়েছে সুস্থ ব্যক্তিদের প্রতিবন্ধী দেখিয়ে একাধিক ভাতা কার্ড করে দেওয়া হয়েছে যার বিপরীতে প্রতিটি কার্ডে পাঁচ থেকে দশ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সরকারি খাদ্য সহায়তা বিতরণে অনিয়মের অভিযোগও রয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে ইউনিয়নের সাধারণ নাগরিকরা চেয়ারম্যানের অপসারণ দাবি করেছেন। তাদের অভিযোগ প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন খাত থেকে অর্থ আত্মসাৎ করলেও তিনি এখনও বহাল তবিয়তে দায়িত্ব পালন করছেন। এলাকাবাসী তার বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বাধাইড় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যান আতাউর রহমান বলেন তার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ অপপ্রচার চালাচ্ছে। তিনি দাবি করেন এসব অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই এবং উন্নয়ন কাজ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

বাধাইড় ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি অনিয়মের অভিযোগ অপসারণ দাবি এলাকাবাসীর
◀ বিস্তারিত কমেন্ট ▶
dailyupochar.com
২২ এপ্রিল ২০২৬
দৈনিক উপচার
 বৃহস্পতিবার , ২৩ এপ্রিল ২০২৬
হোমরাজশাহীবাধাইড় ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি অনিয়মের অভিযোগ অপসারণ দাবি এলাকাবাসীর

বাধাইড় ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি অনিয়মের অভিযোগ অপসারণ দাবি এলাকাবাসীর

favicon
স্টাফ রিপোর্টার
বাধাইড় ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি অনিয়মের অভিযোগ অপসারণ দাবি এলাকাবাসীর
বাধাইড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান

রাজশাহীর তানোর উপজেলার বাধাইড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমানের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি এসব কারণে তিনি জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন এবং ইউনিয়নের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে গভীর নলকূপ অপারেটর নিয়োগ খাস জমি বাণিজ্য ডাসকোর পুকুর খনন ইজিপি টিআর কাবিখা কাবিটা মাতৃত্বকালীন ভাতা এবং প্রাথমিক বিদ্যালয় মেরামতসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম ও কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগ রয়েছে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। করোনাকালীন সময়ে সরকারি সহায়তা বিতরণেও নয়ছয়ের অভিযোগ উঠেছে।

সরেজমিনে বরাদ্দের বিপরীতে উন্নয়ন কাজের পরিমাণ ও মান তদন্ত করলে প্রকৃত চিত্র বেরিয়ে আসবে বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা। অভিযোগ রয়েছে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়মিত উপস্থিত না থাকায় সাধারণ মানুষ প্রয়োজনের সময় চেয়ারম্যানকে পান না।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ বাণিজ্যের মাধ্যমে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। বহরইল স্কুল নারায়নপুর স্কুল ফজর আলী মোল্লা কলেজ মুন্ডুমালা মহিলা কলেজ বৈদ্যপুর মাদরাসা ও হাঁপানিয়া মাদরাসায় একাধিক পদে নিয়োগে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ রয়েছে। এসব নিয়োগ বাণিজ্যের মাধ্যমে প্রায় কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে বলে অভিযোগ করেন একাধিক সূত্র।

এছাড়াও এমপির বিশেষ বরাদ্দ থেকে বহরইল স্কুলে দুই লাখ টাকা বরাদ্দ হলেও কাজ না করেই তা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। টিআর প্রকল্পের আওতায় নারায়নপুর স্কুলে তিন লাখ টাকা বরাদ্দ থেকে প্রায় চল্লিশ শতাংশ কমিশন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গত অর্থবছরে ইউনিয়নে বড় অঙ্কের বিশেষ বরাদ্দ এলেও তার স্বচ্ছ ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এলাকাবাসী।

আরও অভিযোগ রয়েছে সুস্থ ব্যক্তিদের প্রতিবন্ধী দেখিয়ে একাধিক ভাতা কার্ড করে দেওয়া হয়েছে যার বিপরীতে প্রতিটি কার্ডে পাঁচ থেকে দশ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সরকারি খাদ্য সহায়তা বিতরণে অনিয়মের অভিযোগও রয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে ইউনিয়নের সাধারণ নাগরিকরা চেয়ারম্যানের অপসারণ দাবি করেছেন। তাদের অভিযোগ প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন খাত থেকে অর্থ আত্মসাৎ করলেও তিনি এখনও বহাল তবিয়তে দায়িত্ব পালন করছেন। এলাকাবাসী তার বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বাধাইড় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যান আতাউর রহমান বলেন তার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ অপপ্রচার চালাচ্ছে। তিনি দাবি করেন এসব অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই এবং উন্নয়ন কাজ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

বাধাইড় ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি অনিয়মের অভিযোগ অপসারণ দাবি এলাকাবাসীর
◀ বিস্তারিত কমেন্ট ▶
dailyupochar.com
২২ এপ্রিল ২০২৬