সোমবার , ২০ এপ্রিল ২০২৬
হোমরাজশাহীরাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের জমিতে মালিকানার সাইনবোর্ড

রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের জমিতে মালিকানার সাইনবোর্ড

favicon
স্টাফ রিপোর্টার :-
রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের জমিতে মালিকানার সাইনবোর্ড

রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের জমিতে এবার মালিকানার দাবিতে সাইনবোর্ড টানানোর ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার দিবাগত রাতের কোনো এক সময়ে নগরীর কুমারপাড়া এলাকার পরিত্যক্ত ধ্বংসস্তুপের ওপর ডা. দুর্জয় মৈত্রের নামে ওই সাইনবোর্ডটি স্থাপন করা হয়।

ওয়ারিশ সূত্রে জমিটির মালিকানা দাবি করে সাইনবোর্ডে তার নাম উল্লেখ করা হয়েছে। ডা. দুর্জয় মৈত্র জেলা আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট পূর্ণিমা ভট্টাচার্যের ছেলে।

এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট পূর্ণিমা ভট্টাচার্য জানান, জমিটির প্রকৃত মালিক তিনি। দীর্ঘদিন ধরে অন্যরা জমিটি দখলে রেখেছিল। পরে ২০১৬ সালে নিম্ন আদালত এবং ২০১৮ সালে আপিল বিভাগে তার পক্ষে রায় আসে। এরপর থেকে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের জন্য জমিটি ভাড়া দেওয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে জমিটির মালিকানা তার ছেলের নামে রয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর আওয়ামী লীগ কার্যালয়টি ভেঙে ফেলা হলে সেখানে সাইনবোর্ড টানানো হয়। জমির মালিকানা সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় আদালতের কাগজপত্র তাদের কাছে রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের জমিতে মালিকানার সাইনবোর্ড
◀ বিস্তারিত কমেন্ট ▶
dailyupochar.com
২৫ মার্চ ২০২৬
দৈনিক উপচার
 সোমবার , ২০ এপ্রিল ২০২৬
হোমরাজশাহীরাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের জমিতে মালিকানার সাইনবোর্ড

রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের জমিতে মালিকানার সাইনবোর্ড

favicon
স্টাফ রিপোর্টার :-
রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের জমিতে মালিকানার সাইনবোর্ড

রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের জমিতে এবার মালিকানার দাবিতে সাইনবোর্ড টানানোর ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার দিবাগত রাতের কোনো এক সময়ে নগরীর কুমারপাড়া এলাকার পরিত্যক্ত ধ্বংসস্তুপের ওপর ডা. দুর্জয় মৈত্রের নামে ওই সাইনবোর্ডটি স্থাপন করা হয়।

ওয়ারিশ সূত্রে জমিটির মালিকানা দাবি করে সাইনবোর্ডে তার নাম উল্লেখ করা হয়েছে। ডা. দুর্জয় মৈত্র জেলা আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট পূর্ণিমা ভট্টাচার্যের ছেলে।

এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট পূর্ণিমা ভট্টাচার্য জানান, জমিটির প্রকৃত মালিক তিনি। দীর্ঘদিন ধরে অন্যরা জমিটি দখলে রেখেছিল। পরে ২০১৬ সালে নিম্ন আদালত এবং ২০১৮ সালে আপিল বিভাগে তার পক্ষে রায় আসে। এরপর থেকে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের জন্য জমিটি ভাড়া দেওয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে জমিটির মালিকানা তার ছেলের নামে রয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর আওয়ামী লীগ কার্যালয়টি ভেঙে ফেলা হলে সেখানে সাইনবোর্ড টানানো হয়। জমির মালিকানা সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় আদালতের কাগজপত্র তাদের কাছে রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের জমিতে মালিকানার সাইনবোর্ড
◀ বিস্তারিত কমেন্ট ▶
dailyupochar.com
২৫ মার্চ ২০২৬