বৃহস্পতিবার , ১৫ অক্টোবর ২০২৬
হোম › রাজশাহী › সদস্য না হয়েও রাজশাহী সাধারণ গ্রন্থাগারের সভাপতি হতে চান মাহাবুব সিদ্দিকী

সদস্য না হয়েও রাজশাহী সাধারণ গ্রন্থাগারের সভাপতি হতে চান মাহাবুব সিদ্দিকী

favicon
উপচার ডেস্ক :-
সদস্য না হয়েও রাজশাহী সাধারণ গ্রন্থাগারের সভাপতি হতে চান মাহাবুব সিদ্দিকী

রাজশাহী নগরীর মিয়াপাড়ায় অবস্থিত দেশের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান ‘রাজশাহী সাধারণ গ্রন্থাগার’-এর সাধারণ সদস্য না হয়েও বলপ্রয়োগের মাধ্যমে সভাপতি হওয়ার অপচেষ্টা চালানোর অভিযোগ উঠেছে পুলিশের সাবেক কর্মকর্তা মাহাবুব সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে। লেখক ও গবেষক পরিচয়ে পরিচিত এই সাবেক কর্মকর্তা বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটনের ঘনিষ্ঠ বলয়ের ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি রাজশাহী জাসদ নেতা শিবলী সাদিকের বড় ভাই এবং পুলিশের সাবেক ওসি হিসেবেও পরিচিত।

গত ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর মাহাবুব সিদ্দিকীর রাজনৈতিক অবস্থানেও নাটকীয় পরিবর্তন ঘটে। বর্তমানে তিনি নিজেকে বিএনপি ঘরানার ব্যক্তি হিসেবে পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন সামাজিক ও ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানে প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে নিজস্ব বলয় তৈরির চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি তিনি ‘রাজশাহী অ্যাসোসিয়েশন’-এর সদস্য হয়ে বিভিন্ন বিতর্কের জন্ম দেওয়ার পর এবার তাঁর নজর পড়েছে শতবর্ষী রাজশাহী সাধারণ গ্রন্থাগারের ওপর। অভিযোগ রয়েছে, গ্রন্থাগারটিতে বেশ কয়েক দফায় অনুসারীদের পাঠিয়ে বিশৃঙ্খলা তৈরির মাধ্যমে পদাধিকারবলে জেলা প্রশাসকের দায়িত্বাধীন সভাপতি পদটি তিনি নিজের দখলে নেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন।

ক্ষমতার অপব্যবহার, প্রশাসনিক কাঠামোতে অযাচিত হস্তক্ষেপ এবং রাজশাহী অ্যাসোসিয়েশন ও সাধারণ গ্রন্থাগারের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার অপচেষ্টার বিরুদ্ধে রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন নগরীর ষষ্ঠীতলা এলাকার বাসিন্দা ও সাবেক সরকারি কর্মকর্তা জালাল উদ্দীন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, মাহাবুব সিদ্দিকী অ্যাসোসিয়েশনের নতুন সদস্য হয়েই কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার অপচেষ্টা শুরু করেছেন। অ্যাসোসিয়েশন ভবনের গ্যারেজের একটি গুদামঘর বেদখল হয়ে যাওয়া এবং ভবনের বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহার করে বাইরের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনার মতো ঘটনা ঘটলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারছে না।

এসব অভিযোগের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি হাসেন আলী জানান, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে কিছুটা অবগত হয়েছেন এবং ঢাকা থেকে রাজশাহী ফিরে সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন।

সাধারণ গ্রন্থাগারে হস্তক্ষেপের ব্যাপারে গ্রন্থাগারের কোষাধ্যক্ষ মশিউর রহমান জানান, মাহাবুব সিদ্দিকীর পক্ষে কয়েক দফায় কিছু ব্যক্তি গ্রন্থাগারে এসে তাঁর ব্যক্তিগত চেম্বার করার জন্য একটি কক্ষ বরাদ্দের দাবি জানান এবং তাঁকে সভাপতি করার জন্য অনৈতিক চাপ সৃষ্টি করেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সাধারণ গ্রন্থাগারের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান উজ্জ্বল বলেন, মাহাবুব সিদ্দিকী সরাসরি ফোন করে জেলা প্রশাসকের পরিবর্তে নিজেকে সভাপতি করার দাবি জানান। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, প্রায় দেড়শত বছরের প্রাচীন এই প্রতিষ্ঠানটি রাজশাহী অঞ্চলের ইতিহাস ও মননশীল ঐতিহ্যের ধারক। এর গঠনতন্ত্র অনুযায়ী জেলা প্রশাসকই পদাধিকারবলে সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছেন এবং এর ব্যত্যয় ঘটানোর কোনো সুযোগ নেই। এছাড়া মাহাবুব সিদ্দিকী গ্রন্থাগারের প্রাথমিক সদস্যও নন। মব সৃষ্টি করে এমন ঐতিহাসিক প্রতিষ্ঠান দখলের চেষ্টা অত্যন্ত দুঃখজনক। বিষয়টি ইতোমধ্যেই অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এবং গ্রন্থাগারের সহসভাপতি নাহারুল ইসলামকে জানানো হয়েছে। পুনরায় এমন অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করা হলে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে রাজশাহী জেলা প্রশাসক ও সাধারণ গ্রন্থাগারের সভাপতি কাজী শহিদুল ইসলাম জানান, এমন অভিযোগের বিষয়টি তাঁর জানা নেই এবং সাংবাদিকদের মাধ্যমেই তিনি প্রথম অবগত হলেন।

অভিযোগের বিষয়ে মাহাবুব সিদ্দিকীর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জেলা প্রশাসকের কাছে দেওয়া অভিযোগের বিষয়ে অবগত নন বলে দাবি করেন। তিনি গ্রন্থাগারের সাধারণ সম্পাদক ড. গোলাম মাওলার বিরুদ্ধে উল্টো অভিযোগ তুলে প্রতিবেদকের সাথে সরাসরি দেখা করার কথা বলেন। মুঠোফোনে কোনো বক্তব্য দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে তিনি বলেন, জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ দেওয়া হয়ে থাকলে প্রশাসনই তা তদন্ত করে দেখবে, এ বিষয়ে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাব দিতে তিনি বাধ্য নন।

উল্লেখ্য, ১৮৮৪ সালে নাটোরের রানি ভবানীর বংশধর রাজা আনন্দনাথ রায়ের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয় তৎকালীন ‘রাজশাহী সাধারণ পুস্তকালয়’। পরবর্তীতে ১৯৭৫ সালে গঠনতন্ত্র সংশোধনের মধ্য দিয়ে এর নাম ‘রাজশাহী সাধারণ গ্রন্থাগার’ রাখা হয়। দীর্ঘ দেড়শত বছরের প্রাচীন এ বাতিঘরটি যেকোনো স্বার্থান্বেষী মহলের হস্তক্ষেপমুক্ত থেকে তার নিজস্ব ঐতিহ্য ও স্বকীয়তায় পরিচালিত হোক—এমনটাই প্রত্যাশা রাজশাহীর সুশীল সমাজ ও সচেতন নাগরিকদের।

সদস্য না হয়েও রাজশাহী সাধারণ গ্রন্থাগারের সভাপতি হতে চান মাহাবুব সিদ্দিকী
◀ বিস্তারিত কমেন্ট ▶
dailyupochar.com
১৪ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক উপচার
 বৃহস্পতিবার , ১৫ অক্টোবর ২০২৬
হোম › রাজশাহী › সদস্য না হয়েও রাজশাহী সাধারণ গ্রন্থাগারের সভাপতি হতে চান মাহাবুব সিদ্দিকী

সদস্য না হয়েও রাজশাহী সাধারণ গ্রন্থাগারের সভাপতি হতে চান মাহাবুব সিদ্দিকী

favicon
উপচার ডেস্ক :-
সদস্য না হয়েও রাজশাহী সাধারণ গ্রন্থাগারের সভাপতি হতে চান মাহাবুব সিদ্দিকী

রাজশাহী নগরীর মিয়াপাড়ায় অবস্থিত দেশের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান ‘রাজশাহী সাধারণ গ্রন্থাগার’-এর সাধারণ সদস্য না হয়েও বলপ্রয়োগের মাধ্যমে সভাপতি হওয়ার অপচেষ্টা চালানোর অভিযোগ উঠেছে পুলিশের সাবেক কর্মকর্তা মাহাবুব সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে। লেখক ও গবেষক পরিচয়ে পরিচিত এই সাবেক কর্মকর্তা বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটনের ঘনিষ্ঠ বলয়ের ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি রাজশাহী জাসদ নেতা শিবলী সাদিকের বড় ভাই এবং পুলিশের সাবেক ওসি হিসেবেও পরিচিত।

গত ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর মাহাবুব সিদ্দিকীর রাজনৈতিক অবস্থানেও নাটকীয় পরিবর্তন ঘটে। বর্তমানে তিনি নিজেকে বিএনপি ঘরানার ব্যক্তি হিসেবে পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন সামাজিক ও ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানে প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে নিজস্ব বলয় তৈরির চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি তিনি ‘রাজশাহী অ্যাসোসিয়েশন’-এর সদস্য হয়ে বিভিন্ন বিতর্কের জন্ম দেওয়ার পর এবার তাঁর নজর পড়েছে শতবর্ষী রাজশাহী সাধারণ গ্রন্থাগারের ওপর। অভিযোগ রয়েছে, গ্রন্থাগারটিতে বেশ কয়েক দফায় অনুসারীদের পাঠিয়ে বিশৃঙ্খলা তৈরির মাধ্যমে পদাধিকারবলে জেলা প্রশাসকের দায়িত্বাধীন সভাপতি পদটি তিনি নিজের দখলে নেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন।

ক্ষমতার অপব্যবহার, প্রশাসনিক কাঠামোতে অযাচিত হস্তক্ষেপ এবং রাজশাহী অ্যাসোসিয়েশন ও সাধারণ গ্রন্থাগারের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার অপচেষ্টার বিরুদ্ধে রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন নগরীর ষষ্ঠীতলা এলাকার বাসিন্দা ও সাবেক সরকারি কর্মকর্তা জালাল উদ্দীন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, মাহাবুব সিদ্দিকী অ্যাসোসিয়েশনের নতুন সদস্য হয়েই কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার অপচেষ্টা শুরু করেছেন। অ্যাসোসিয়েশন ভবনের গ্যারেজের একটি গুদামঘর বেদখল হয়ে যাওয়া এবং ভবনের বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহার করে বাইরের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনার মতো ঘটনা ঘটলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারছে না।

এসব অভিযোগের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি হাসেন আলী জানান, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে কিছুটা অবগত হয়েছেন এবং ঢাকা থেকে রাজশাহী ফিরে সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন।

সাধারণ গ্রন্থাগারে হস্তক্ষেপের ব্যাপারে গ্রন্থাগারের কোষাধ্যক্ষ মশিউর রহমান জানান, মাহাবুব সিদ্দিকীর পক্ষে কয়েক দফায় কিছু ব্যক্তি গ্রন্থাগারে এসে তাঁর ব্যক্তিগত চেম্বার করার জন্য একটি কক্ষ বরাদ্দের দাবি জানান এবং তাঁকে সভাপতি করার জন্য অনৈতিক চাপ সৃষ্টি করেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সাধারণ গ্রন্থাগারের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান উজ্জ্বল বলেন, মাহাবুব সিদ্দিকী সরাসরি ফোন করে জেলা প্রশাসকের পরিবর্তে নিজেকে সভাপতি করার দাবি জানান। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, প্রায় দেড়শত বছরের প্রাচীন এই প্রতিষ্ঠানটি রাজশাহী অঞ্চলের ইতিহাস ও মননশীল ঐতিহ্যের ধারক। এর গঠনতন্ত্র অনুযায়ী জেলা প্রশাসকই পদাধিকারবলে সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছেন এবং এর ব্যত্যয় ঘটানোর কোনো সুযোগ নেই। এছাড়া মাহাবুব সিদ্দিকী গ্রন্থাগারের প্রাথমিক সদস্যও নন। মব সৃষ্টি করে এমন ঐতিহাসিক প্রতিষ্ঠান দখলের চেষ্টা অত্যন্ত দুঃখজনক। বিষয়টি ইতোমধ্যেই অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এবং গ্রন্থাগারের সহসভাপতি নাহারুল ইসলামকে জানানো হয়েছে। পুনরায় এমন অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করা হলে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে রাজশাহী জেলা প্রশাসক ও সাধারণ গ্রন্থাগারের সভাপতি কাজী শহিদুল ইসলাম জানান, এমন অভিযোগের বিষয়টি তাঁর জানা নেই এবং সাংবাদিকদের মাধ্যমেই তিনি প্রথম অবগত হলেন।

অভিযোগের বিষয়ে মাহাবুব সিদ্দিকীর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জেলা প্রশাসকের কাছে দেওয়া অভিযোগের বিষয়ে অবগত নন বলে দাবি করেন। তিনি গ্রন্থাগারের সাধারণ সম্পাদক ড. গোলাম মাওলার বিরুদ্ধে উল্টো অভিযোগ তুলে প্রতিবেদকের সাথে সরাসরি দেখা করার কথা বলেন। মুঠোফোনে কোনো বক্তব্য দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে তিনি বলেন, জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ দেওয়া হয়ে থাকলে প্রশাসনই তা তদন্ত করে দেখবে, এ বিষয়ে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাব দিতে তিনি বাধ্য নন।

উল্লেখ্য, ১৮৮৪ সালে নাটোরের রানি ভবানীর বংশধর রাজা আনন্দনাথ রায়ের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয় তৎকালীন ‘রাজশাহী সাধারণ পুস্তকালয়’। পরবর্তীতে ১৯৭৫ সালে গঠনতন্ত্র সংশোধনের মধ্য দিয়ে এর নাম ‘রাজশাহী সাধারণ গ্রন্থাগার’ রাখা হয়। দীর্ঘ দেড়শত বছরের প্রাচীন এ বাতিঘরটি যেকোনো স্বার্থান্বেষী মহলের হস্তক্ষেপমুক্ত থেকে তার নিজস্ব ঐতিহ্য ও স্বকীয়তায় পরিচালিত হোক—এমনটাই প্রত্যাশা রাজশাহীর সুশীল সমাজ ও সচেতন নাগরিকদের।

সদস্য না হয়েও রাজশাহী সাধারণ গ্রন্থাগারের সভাপতি হতে চান মাহাবুব সিদ্দিকী
◀ বিস্তারিত কমেন্ট ▶
dailyupochar.com
১৪ অক্টোবর ২০২৬