শুক্রবার , ০৯ অক্টোবর ২০২৬
হোম › রাজশাহী › রামেবিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে প্রশাসনের পাশে বিএনপি
তালা ভেঙে সচল রামেবি

রামেবিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে প্রশাসনের পাশে বিএনপি

favicon
স্টাফ রিপোর্টার :
রামেবিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে প্রশাসনের পাশে বিএনপি
আইনি তদন্ত কার্যক্রম শেষে রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. জাওয়াদুল হককে নিজ দফতরে পৌঁছে দেন মহানগর যুবদল,স্বেচ্ছাসেবক ও ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ।

রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (রামেবি) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. জাওয়াদুল হকের অবরুদ্ধ কার্যালয়ের তালা উন্মুক্ত করে সংশ্লিষ্ট মামলার প্রাথমিক তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ। বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রশাসনের সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফ হোসেনের উপস্থিতিতে মামলার বাদী ও সাক্ষীদের সঙ্গে নিয়ে উপাচার্যের দপ্তরের তালা খোলা হয়। ক্যাম্পাসে শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে উপাচার্যকে বাসা থেকে সসম্মানে কার্যালয়ে পৌঁছে দেওয়াসহ পুরো কার্যক্রমে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেন রাজশাহী মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম জনির নেতৃত্বে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতারা।

তদন্ত কার্যক্রমের বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফ হোসেন জানান, উপাচার্যকে বলপ্রয়োগে পদত্যাগে বাধ্য করার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার তদন্ত কর্মকর্তার দাপ্তরিক কার্যক্রম এগিয়ে নিতেই বাদী ও সাক্ষীদের উপস্থিতিতে উপাচার্যের কক্ষে প্রবেশ করা হয়। প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি প্রটোকল যথাযথভাবে অনুসরণ করে সেখান থেকে প্রাথমিক তথ্যপ্রমাণ ও নথিপত্র পর্যালোচনার কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং কোনো প্রকার অপ্রীতিকর পরিস্থিতি নেই বলে নিশ্চিত করেন তিনি।

এদিকে প্রশাসনিক ও আইনি প্রক্রিয়াকে নির্বিঘ্ন করতে সকাল থেকেই মাঠে তৎপর ছিলেন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ। রাজশাহী মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম জনি, রাজশাহী মহানগর জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান জনি, মহানগর ছাত্রদলের সদস্য সচিব এমদাদুল হক লিমন এবং সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খালিদ বিন ওয়ালিদ আবিরসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপাচার্যকে তাঁর বাসভবন থেকে নিরাপত্তা দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ে আসেন। পরবর্তীতে প্রশাসনের উপস্থিতিতে তালা খোলার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিজ নিজ দফতরে প্রবেশ করে প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু করেন।

ঘটনাস্থলে রাজশাহী মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম জনি বলেন, একটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোনো ধরনের পেশিশক্তির ব্যবহার, বলপ্রয়োগ বা নৈরাজ্য কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে উপাচার্যের কক্ষের তালা উন্মুক্ত করার পুরো প্রক্রিয়ায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও তদন্তকারী কর্মকর্তাদের সার্বিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। ক্যাম্পাসে স্বাভাবিক শিক্ষার পরিবেশ ও প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতেই উপাচার্যকে সসম্মানে নিজ দফতরে বসানো হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে যেকোনো অনিয়ম, ষড়যন্ত্র বা বিশৃঙ্খলা রুখে দিতে প্রশাসনকে গণতান্ত্রিক উপায়ে সহযোগিতা অব্যাহত রাখা হবে।

রাজশাহী মহানগর জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান জনি বলেন, রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় একটি মর্যাদাপূর্ণ জাতীয় প্রতিষ্ঠান। এখানে কোনো সুবিধাবাদী বা উশৃঙ্খল গোষ্ঠীকে শিক্ষা ও প্রশাসনিক পরিবেশ অস্থিতিশীল করতে দেওয়া হবে না। তথাকথিত আন্দোলনের নামে উপাচার্যের সঙ্গে যে অসদাচরণ ও জোরজবরদস্তি করা হয়েছে, তা কোনো সুস্থ ধারার রাজনীতি বা ছাত্র-জনতার সংস্কৃতি হতে পারে না। আমরা প্রশাসনের পাশে থেকে শিক্ষার সুষ্ঠু ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ রক্ষায় বদ্ধপরিকর এবং এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত সজাগ থাকব।

একই প্রসঙ্গে রাজশাহী মহানগর ছাত্রদলের সদস্য সচিব এমদাদুল হক লিমন বলেন, তথাকথিত ছাত্র-জনতার ব্যানার ব্যবহার করে যারা উপাচার্যের মতো পদমর্যাদার ব্যক্তিকে জিম্মি করে অন্যায়ভাবে পদত্যাগে বাধ্য করেছিল এবং শিক্ষা কার্যক্রমে অচলাবস্থা তৈরি করেছিল, তাদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষাঙ্গনে কোনো ধরনের ‘মব জাস্টিস’ বা অগণতান্ত্রিক মব সংস্কৃতির স্থান হতে পারে না জানিয়ে তিনি আরও বলেন, দ্রুত ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে নেপথ্যে থাকা প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে হবে যাতে রামেবির শিক্ষার পরিবেশ স্থায়ীভাবে নির্বিঘ্ন থাকে।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার একদল বহিরাগত ব্যক্তি ‘আপামর ছাত্র-জনতা’র ব্যানারে রামেবি ক্যাম্পাসে জোরপূর্বক প্রবেশ করে উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. জাওয়াদুল হক ও তাঁর ব্যক্তিগত সহকারীকে আটকে রেখে পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করায় বলে অভিযোগ ওঠে। পরবর্তীতে তারা উপাচার্যের কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দিয়ে ক্যাম্পাস ত্যাগ করে। এ ন্যক্কারজনক ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় নিয়মিত মামলা রুজু হওয়ার পর বৃহস্পতিবার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে কক্ষের তালা খুলে প্রাতিষ্ঠানিক তদন্তের আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হলো।

রামেবিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে প্রশাসনের পাশে বিএনপি
তালা ভেঙে সচল রামেবি
◀ বিস্তারিত কমেন্ট ▶
dailyupochar.com
০৮ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক উপচার
 শুক্রবার , ০৯ অক্টোবর ২০২৬
হোম › রাজশাহী › রামেবিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে প্রশাসনের পাশে বিএনপি
তালা ভেঙে সচল রামেবি

রামেবিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে প্রশাসনের পাশে বিএনপি

favicon
স্টাফ রিপোর্টার :
রামেবিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে প্রশাসনের পাশে বিএনপি
আইনি তদন্ত কার্যক্রম শেষে রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. জাওয়াদুল হককে নিজ দফতরে পৌঁছে দেন মহানগর যুবদল,স্বেচ্ছাসেবক ও ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ।

রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (রামেবি) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. জাওয়াদুল হকের অবরুদ্ধ কার্যালয়ের তালা উন্মুক্ত করে সংশ্লিষ্ট মামলার প্রাথমিক তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ। বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রশাসনের সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফ হোসেনের উপস্থিতিতে মামলার বাদী ও সাক্ষীদের সঙ্গে নিয়ে উপাচার্যের দপ্তরের তালা খোলা হয়। ক্যাম্পাসে শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে উপাচার্যকে বাসা থেকে সসম্মানে কার্যালয়ে পৌঁছে দেওয়াসহ পুরো কার্যক্রমে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেন রাজশাহী মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম জনির নেতৃত্বে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতারা।

তদন্ত কার্যক্রমের বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফ হোসেন জানান, উপাচার্যকে বলপ্রয়োগে পদত্যাগে বাধ্য করার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার তদন্ত কর্মকর্তার দাপ্তরিক কার্যক্রম এগিয়ে নিতেই বাদী ও সাক্ষীদের উপস্থিতিতে উপাচার্যের কক্ষে প্রবেশ করা হয়। প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি প্রটোকল যথাযথভাবে অনুসরণ করে সেখান থেকে প্রাথমিক তথ্যপ্রমাণ ও নথিপত্র পর্যালোচনার কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং কোনো প্রকার অপ্রীতিকর পরিস্থিতি নেই বলে নিশ্চিত করেন তিনি।

এদিকে প্রশাসনিক ও আইনি প্রক্রিয়াকে নির্বিঘ্ন করতে সকাল থেকেই মাঠে তৎপর ছিলেন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ। রাজশাহী মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম জনি, রাজশাহী মহানগর জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান জনি, মহানগর ছাত্রদলের সদস্য সচিব এমদাদুল হক লিমন এবং সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খালিদ বিন ওয়ালিদ আবিরসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপাচার্যকে তাঁর বাসভবন থেকে নিরাপত্তা দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ে আসেন। পরবর্তীতে প্রশাসনের উপস্থিতিতে তালা খোলার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিজ নিজ দফতরে প্রবেশ করে প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু করেন।

ঘটনাস্থলে রাজশাহী মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম জনি বলেন, একটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোনো ধরনের পেশিশক্তির ব্যবহার, বলপ্রয়োগ বা নৈরাজ্য কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে উপাচার্যের কক্ষের তালা উন্মুক্ত করার পুরো প্রক্রিয়ায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও তদন্তকারী কর্মকর্তাদের সার্বিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। ক্যাম্পাসে স্বাভাবিক শিক্ষার পরিবেশ ও প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতেই উপাচার্যকে সসম্মানে নিজ দফতরে বসানো হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে যেকোনো অনিয়ম, ষড়যন্ত্র বা বিশৃঙ্খলা রুখে দিতে প্রশাসনকে গণতান্ত্রিক উপায়ে সহযোগিতা অব্যাহত রাখা হবে।

রাজশাহী মহানগর জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান জনি বলেন, রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় একটি মর্যাদাপূর্ণ জাতীয় প্রতিষ্ঠান। এখানে কোনো সুবিধাবাদী বা উশৃঙ্খল গোষ্ঠীকে শিক্ষা ও প্রশাসনিক পরিবেশ অস্থিতিশীল করতে দেওয়া হবে না। তথাকথিত আন্দোলনের নামে উপাচার্যের সঙ্গে যে অসদাচরণ ও জোরজবরদস্তি করা হয়েছে, তা কোনো সুস্থ ধারার রাজনীতি বা ছাত্র-জনতার সংস্কৃতি হতে পারে না। আমরা প্রশাসনের পাশে থেকে শিক্ষার সুষ্ঠু ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ রক্ষায় বদ্ধপরিকর এবং এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত সজাগ থাকব।

একই প্রসঙ্গে রাজশাহী মহানগর ছাত্রদলের সদস্য সচিব এমদাদুল হক লিমন বলেন, তথাকথিত ছাত্র-জনতার ব্যানার ব্যবহার করে যারা উপাচার্যের মতো পদমর্যাদার ব্যক্তিকে জিম্মি করে অন্যায়ভাবে পদত্যাগে বাধ্য করেছিল এবং শিক্ষা কার্যক্রমে অচলাবস্থা তৈরি করেছিল, তাদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষাঙ্গনে কোনো ধরনের ‘মব জাস্টিস’ বা অগণতান্ত্রিক মব সংস্কৃতির স্থান হতে পারে না জানিয়ে তিনি আরও বলেন, দ্রুত ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে নেপথ্যে থাকা প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে হবে যাতে রামেবির শিক্ষার পরিবেশ স্থায়ীভাবে নির্বিঘ্ন থাকে।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার একদল বহিরাগত ব্যক্তি ‘আপামর ছাত্র-জনতা’র ব্যানারে রামেবি ক্যাম্পাসে জোরপূর্বক প্রবেশ করে উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. জাওয়াদুল হক ও তাঁর ব্যক্তিগত সহকারীকে আটকে রেখে পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করায় বলে অভিযোগ ওঠে। পরবর্তীতে তারা উপাচার্যের কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দিয়ে ক্যাম্পাস ত্যাগ করে। এ ন্যক্কারজনক ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় নিয়মিত মামলা রুজু হওয়ার পর বৃহস্পতিবার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে কক্ষের তালা খুলে প্রাতিষ্ঠানিক তদন্তের আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হলো।

রামেবিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে প্রশাসনের পাশে বিএনপি
তালা ভেঙে সচল রামেবি
◀ বিস্তারিত কমেন্ট ▶
dailyupochar.com
০৮ অক্টোবর ২০২৬