,


গোদাগাড়ীর সৈয়দপুর হাইস্কুলে কম্পিউটার শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে শিক্ষার্থীরা

গোদাগাড়ী প্রতিনিধি : গোদাগাড়ী উপজেলার রিশিকুল ইউনিয়নের সৈয়দপুর শহিদ মঞ্জু উচ্চ বিদ্যালয়ে কম্পিউটার -তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ের শিক্ষা হতে বঞ্চিত হচ্ছে ছাত্র/ছাত্রীরা বলে অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,সৈয়দপুর স্কলে দির্ঘদিন যাবত কম্পিউটার শিক্ষার জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত হন আশরাফুল আলম।কিন্তু তিনী তার নিয়োগের পর থেকে কোন ছাত্র/ছাত্রীকে হাতেনাতে কম্পিউটার শিক্ষা প্রদান না করেই বিনা প্রতিবন্ধকতায় বেতন ভোগ করছেন বলেও জানা গিয়েছে।

এদিকে দীর্ঘদিন যাবত এমন অনিয়ম চলার কারনে সাধারণ ছাত্র/ছাত্রীরা কম্পিউটার হাতেনাতে শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এ বিষয়ে ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক তরিকুল ইসলামের সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান,কি আর করবো কদিন আগেই ৬ হাজার টাকা দিয়ে কম্পিউটার মেরামত করে এনেছি তারপর আবারো নষ্ট হয়ে গিয়েছে। তেমন বাজেটও আসেনা ভাল কম্পিউটারও নেওয়া হয়না যার কারনে কম্পিউটার নেই স্কুলে।তবে এ সংবাদটি প্রকাশ না করারও অনুরোধ করেন এ প্রতিবেদকের নিকট।

এ বিষয়ে সৈয়দপুর হাইস্কুলের কম্পিউটার শিক্ষক আশরাফুল আলমের সাথে ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে ফোন বন্ধ থাকার কারনে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।আর গোদাগাড়ী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার ফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও ফোন রিসিভ করেননি তিনি।

শিক্ষার্থীদের অভিভাবক সহ সচেতন মহল বলছেন , সৈয়দপুর হাইস্কুলে দীর্ঘদিন যাবত কম্পিউটার শিক্ষক আছেন কিন্তু কম্পিউটার নেই যেকারণে আমাদের ছেলে মেয়েরা কম্পিউটার শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।অথচ কম্পিউটার শিক্ষক আশরাফুল আলম স্কুলে অনায়াসেই কোনরকম আসা যাওয়া করেই বেতন ভোগ করছেন,যার পেছনে প্রধান শিক্ষক তরিকুল ইসলাম এবং স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির গাফিলতি আছে এবং লাভজনক যোগসাজশও আছেন বলে দাবী করেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অভিভাবকগন।যার কারনে অভিযুক্ত আশরাফুল আলম কম্পিউটার শিক্ষা প্রদান না করেই বেতন ভোগ করছেন।

ইতিপূর্বে এ বিষয়ে কোন জায়গায় এরকম অভিযোগ করেছেন কিনা প্রতিবেদকের এমন প্রশ্নে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অভিভাবকগন এবং স্কুলের ছাত্র/ছাত্রীরা জানান,এর আগেও অনেকবার স্কুলের প্রধান শিক্ষক তরিকুল স্যারকে বিষয়গুলো অবগত করেছি কিন্তু তিনি বিভিন্ন রকম কথাবার্তা বলে রহস্যজনক কারনে বিষয়টি এড়িয়ে গিয়েছেন।আমরা অনেক দেখেছি আর অন্যায় মানবো না,আমরা কিছুদিনেরমধ্যেই বিভাগীয় কমিশনার,শিক্ষা মন্ত্রানালয়,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা,উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দিবো যেন অতি অবিলম্বে এই স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য কম্পিউটার প্রদান করা হয়। এবং কেন কম্পিউটার হাতেনাতে শিক্ষা প্রদান না করেই বেতন ভোগ করবেন এবং প্রধান শিক্ষকের যোগসাজশের বিষয়টিও তদন্তের দাবী জানান তারা। ওই স্কুলের ই নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনান্য শিক্ষক/শিক্ষিকা এ প্রতিবেদককে জানান,কম্পিউটার বিষয়ের শিক্ষক আশরাফুল আলমের কম্পিউটার শিক্ষা গ্রহনের সনদ টিও জাল বলে জানান তারা।এসময় তারা অভিযুক্ত শিক্ষক আশরাফুল আলমের কম্পিউটার শিক্ষার সনদ টিও শিক্ষা অধিদপ্তর দ্বারা সনাক্তের অনুরোধ জানান।স্কুলের আশেপাশের লোকজন জানিয়েছেন অভিযুক্ত শিক্ষক আশরাফুল আলম কিছু বছর পূর্বে এক আদিবাসী নারীর সাথে অনৈতিক কর্মকান্ডের সময় হাতেনাতে ধরা পড়েন কিন্তু মোটা টাকার বিনিময়ে সেযাত্রা তিনি গ্রাম্য প্রধানদের কারনে বেচে যান।

এ বিষয়টি নিয়ে সৈয়দপুর হাইস্কুলের আশেপাশে সহ অনান্য এলাকায় ব্যাপক সমোলোচনা হচ্ছে এবং থমথমে ভাব বিরাজ করছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Archive Calendar

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১